ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর – ১৯৭২ থেকে ২০১৭ সালে কর্মজীবনে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৫৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০১৭
  • ৭২৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিলেন জনাব এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্‌। (১৮ জানুয়ারি ১৯৭২  – ১৮ নভেম্বর ১৯৭৪)। তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ এবং ইউনিভার্সিটি অব ক্যালকাটা থেকে ইকনমিক্সে পড়াশোনা করেন।

জনাব এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্‌জনাব এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্‌

জনাব এ. কে. নাজিরউদ্দীন আহমেদ ছিলেন ২য় গভর্নর। (১৯ নভেম্বর ১৯৭৪ – ১৩ জুলাই ১৯৭৬)। তিনি বাংলাদেশের একজন অর্থনীতিবিদ ছিলেন।

এ. কে. নাজিরউদ্দীন আহমেদএ. কে. নাজিরউদ্দীন আহমেদ

জনাব মোঃ নূরুল ইসলাম গভর্নরের দায়িত্ব গ্রহন করেন ১৯৭৬ সালের ১৩ই জুলাই। এবং সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন ১৯৮৭ সালের ১২ই এপ্রিল পর্যন্ত।

মোঃ নূরুল ইসলামমোঃ নূরুল ইসলাম

সেগুফতা বখ্‌ত চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ৪র্থ গভর্নর। (১২ এপ্রিল ১৯৮৭ – ১৯ ডিসেম্বর ১৯৯২)

সেগুফতা বখ্‌ত চৌধুরীসেগুফতা বখ্‌ত চৌধুরী

মোঃ খোরশেদ আলম গভর্নর হিসেবে ছিলেন ২০ ডিসেম্বর ১৯৯২ থেকে ২১ নভেম্বর ১৯৯৬ পর্যন্ত।

মোঃ খোরশেদ আলমমোঃ খোরশেদ আলম

২১ নভেম্বর ১৯৯৬ সালে ৬ষ্ঠ গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন মোঃ লুৎফর রহমান সরকার। তিনি ২ বছর এ দায়িত্বে ছিলেন ২১ নভেম্বর ১৯৯৮ পর্যন্ত। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ।

মোঃ লুৎফর রহমান সরকারমোঃ লুৎফর রহমান সরকার

ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন (২৪ নভেম্বর ১৯৯৮ – ২২ নভেম্বর ২০০১) বাংলাদেশ ব্যাংকের ৭ম গভর্নর। তিনি ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাউন্ডার চেয়ারম্যান এবং ফাউন্ডিং ভাইস চ্যান্সেলর।

ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন

ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন

ড. ফখরুদ্দীন আহমদ (২৯ নভেম্বর ২০০১ – ৩০ এপ্রিল ২০০৫) বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ম গভর্নর। ২০০৭ সালে তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত হন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইকনমিক্সে পড়াশোনা করেন । তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার হিসেবে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন। পরবর্তিতে পাকিস্তানের সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর তিনি ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে কর্মরত ছিলেন। তিনি তার কর্মজীবনে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকেও কর্মরত ছিলেন।

ড. ফখরুদ্দীন আহমদড. ফখরুদ্দীন আহমদ

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ  ১ মে ২০০৫ থেকে ৩০ এপ্রিল ২০০৯ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের ৯ম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি পিকেএসএফ এর একজন ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদড. সালেহউদ্দিন আহমেদ

ড. আতিউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ম গভর্নর। ১ মে ২০০৯ সাল থেকে ১৫ মার্চ ২০১৬ পর্যন্ত তিনি গভর্নর হিসেবে ছিলেন। গত বছর মার্চে সাইবার হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর   তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইকনমিক্সে পড়াশোনা করেন । তার কর্মজীবন শুরু বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনে প্ল্যানিং অফিসার হিসেবে। তিনি দীর্ঘ সময়  বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজে ( বিআইডিএস) এ কর্মরত ছিলেন।

ড. আতিউর রহমানড. আতিউর রহমান

বাংলাদেশ ব্যাংকের ১১তম এবং বর্তমান গভর্নর জনাব ফজলে কবির। তিনি ১৬ মার্চ ২০১৬ থেকে গভর্নরের দায়িত্বে আছেন।

জনাব ফজলে কবির। জনাব ফজলে কবির।

তিনি এর আগে রাষ্ট্রায়াত্ত সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন। তিনি এর আগে অর্থসচিব ও রেলপথ সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র ও ছবিঃ ইন্টারনেট

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর – ১৯৭২ থেকে ২০১৭ সালে কর্মজীবনে

আপডেট টাইম : ০২:৫৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিলেন জনাব এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্‌। (১৮ জানুয়ারি ১৯৭২  – ১৮ নভেম্বর ১৯৭৪)। তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ এবং ইউনিভার্সিটি অব ক্যালকাটা থেকে ইকনমিক্সে পড়াশোনা করেন।

জনাব এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্‌জনাব এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্‌

জনাব এ. কে. নাজিরউদ্দীন আহমেদ ছিলেন ২য় গভর্নর। (১৯ নভেম্বর ১৯৭৪ – ১৩ জুলাই ১৯৭৬)। তিনি বাংলাদেশের একজন অর্থনীতিবিদ ছিলেন।

এ. কে. নাজিরউদ্দীন আহমেদএ. কে. নাজিরউদ্দীন আহমেদ

জনাব মোঃ নূরুল ইসলাম গভর্নরের দায়িত্ব গ্রহন করেন ১৯৭৬ সালের ১৩ই জুলাই। এবং সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন ১৯৮৭ সালের ১২ই এপ্রিল পর্যন্ত।

মোঃ নূরুল ইসলামমোঃ নূরুল ইসলাম

সেগুফতা বখ্‌ত চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ৪র্থ গভর্নর। (১২ এপ্রিল ১৯৮৭ – ১৯ ডিসেম্বর ১৯৯২)

সেগুফতা বখ্‌ত চৌধুরীসেগুফতা বখ্‌ত চৌধুরী

মোঃ খোরশেদ আলম গভর্নর হিসেবে ছিলেন ২০ ডিসেম্বর ১৯৯২ থেকে ২১ নভেম্বর ১৯৯৬ পর্যন্ত।

মোঃ খোরশেদ আলমমোঃ খোরশেদ আলম

২১ নভেম্বর ১৯৯৬ সালে ৬ষ্ঠ গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন মোঃ লুৎফর রহমান সরকার। তিনি ২ বছর এ দায়িত্বে ছিলেন ২১ নভেম্বর ১৯৯৮ পর্যন্ত। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ।

মোঃ লুৎফর রহমান সরকারমোঃ লুৎফর রহমান সরকার

ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন (২৪ নভেম্বর ১৯৯৮ – ২২ নভেম্বর ২০০১) বাংলাদেশ ব্যাংকের ৭ম গভর্নর। তিনি ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাউন্ডার চেয়ারম্যান এবং ফাউন্ডিং ভাইস চ্যান্সেলর।

ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন

ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন

ড. ফখরুদ্দীন আহমদ (২৯ নভেম্বর ২০০১ – ৩০ এপ্রিল ২০০৫) বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ম গভর্নর। ২০০৭ সালে তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত হন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইকনমিক্সে পড়াশোনা করেন । তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার হিসেবে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন। পরবর্তিতে পাকিস্তানের সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর তিনি ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে কর্মরত ছিলেন। তিনি তার কর্মজীবনে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকেও কর্মরত ছিলেন।

ড. ফখরুদ্দীন আহমদড. ফখরুদ্দীন আহমদ

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ  ১ মে ২০০৫ থেকে ৩০ এপ্রিল ২০০৯ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের ৯ম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি পিকেএসএফ এর একজন ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদড. সালেহউদ্দিন আহমেদ

ড. আতিউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ম গভর্নর। ১ মে ২০০৯ সাল থেকে ১৫ মার্চ ২০১৬ পর্যন্ত তিনি গভর্নর হিসেবে ছিলেন। গত বছর মার্চে সাইবার হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর   তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইকনমিক্সে পড়াশোনা করেন । তার কর্মজীবন শুরু বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনে প্ল্যানিং অফিসার হিসেবে। তিনি দীর্ঘ সময়  বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজে ( বিআইডিএস) এ কর্মরত ছিলেন।

ড. আতিউর রহমানড. আতিউর রহমান

বাংলাদেশ ব্যাংকের ১১তম এবং বর্তমান গভর্নর জনাব ফজলে কবির। তিনি ১৬ মার্চ ২০১৬ থেকে গভর্নরের দায়িত্বে আছেন।

জনাব ফজলে কবির। জনাব ফজলে কবির।

তিনি এর আগে রাষ্ট্রায়াত্ত সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন। তিনি এর আগে অর্থসচিব ও রেলপথ সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র ও ছবিঃ ইন্টারনেট