ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদে তরুণদের অংশগ্রহণ দরকার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:১৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর ২০১৭
  • ২৯৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সংসদসহ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় তরুণরা যাতে তাদের উদ্বেগের জায়গাগুলোকে জোরালোভাবে তুলে ধরতে পারেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) তরুণ এমপিরা। সংসদে তরুণদের সংখ্যা বাড়ানোর মাধ্যমে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সিপিএভুক্ত সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা সুপারিশ জানিয়েছেন।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের মিডিয়া বাজার হলরুমে ‘যুবদের ভয়েস নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি সিদ্ধান্তে কার্যকর পদক্ষেপ’ শীর্ষক সেশনে এই সুপারিশ জানানো হয়। ইয়ুথ সেশনে অংশগ্রহণ করা কয়েকজন প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপে তারা এসব কথা বলেন।

এ প্রসঙ্গে সিপিএর ইয়ুথ ফোরামের প্রতিনিধি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার তানজীম বলেন, তরুণদের সর্বক্ষেত্রে অবাধ বিচরণের জন্য প্রথমে প্রয়োজন তাদের বাগ্-স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতা ছাড়া কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হবে না। আমরা গতানুগতিক যুবকদের অংশগ্রহণ চাই না। সিপিএ ইয়ুথ ফোরামের গত সম্মেলনের চেয়ারপারসন ও পাকিস্তানের অধিবাসী দানেশ আলী ভুট্টো প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, আমরা আইন প্রণয়ন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুব সংসদ সদস্যরা যাতে সম্পৃক্ত হতে পারেন সেজন্য সিপিএভুক্ত রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানাই।

পাকিস্তান সংসদে নারীর অংশগ্রহণ বিষয়ে জানতে চাইলে দানেশ বলেন, আমাদের সংসদে মোট ২০-২১ শতাংশ নারীর প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। নারীদের সামনে এগিয়ে আসার ক্ষেত্রে তাদের দেশে ধর্ম কোনো বাধা নয়।

ভারতের লোকসভার স্পিকার সুমিত্রা মহাজন ইয়ুথদের উদ্দেশে বলেন, বর্তমান যুগের তরুণদের বাড়তি সুবিধা হচ্ছে তারা অবাধ তথ্যপ্রবাহের কারণে অনেক কিছু সম্পর্কে আগেই তথ্য জানতে পারছেন। এই সুবিধার কারণে তরুণরা সংসদ সদস্য হয়ে সংসদে এলে রাষ্ট্রকে একটি সম্মানজনক জায়গায় পৌঁছে দিতে তারা সক্ষম হবেন।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নবীন পার্লামেন্টারিয়ান ও সিপিএর যুব প্রতিনিধি নাবিল আহমেদ এমপি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এই তরুণদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা তাদের অবদান দেখেছি। তাই বর্তমান এবং ভবিষ্যতে বিভিন্ন ইস্যুতে তাদের কণ্ঠস্বর শোনার জন্য তাদের সংসদের মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গায় সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে।

ইয়ুথ ফোরামের আরেক প্রতিনিধি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাহসিন লুবাবা বলেন, যুবকরা রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে চান না মূলত দুটি কারণে; একটি রাজনীতির প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ না হওয়া এবং অন্যটি এখানের রাজনীতিতে তাদের কর্মদক্ষতার কোনো স্বীকৃতি কিংবা মূল্যায়ন না হওয়া। উগান্ডা এবং কেনিয়ার মতো বাংলাদেশের সংসদে তরুণদের জন্য কোটা সংরক্ষিত রাখা উচিত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদে তরুণদের অংশগ্রহণ দরকার

আপডেট টাইম : ১০:১৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সংসদসহ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় তরুণরা যাতে তাদের উদ্বেগের জায়গাগুলোকে জোরালোভাবে তুলে ধরতে পারেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) তরুণ এমপিরা। সংসদে তরুণদের সংখ্যা বাড়ানোর মাধ্যমে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সিপিএভুক্ত সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা সুপারিশ জানিয়েছেন।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের মিডিয়া বাজার হলরুমে ‘যুবদের ভয়েস নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি সিদ্ধান্তে কার্যকর পদক্ষেপ’ শীর্ষক সেশনে এই সুপারিশ জানানো হয়। ইয়ুথ সেশনে অংশগ্রহণ করা কয়েকজন প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপে তারা এসব কথা বলেন।

এ প্রসঙ্গে সিপিএর ইয়ুথ ফোরামের প্রতিনিধি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার তানজীম বলেন, তরুণদের সর্বক্ষেত্রে অবাধ বিচরণের জন্য প্রথমে প্রয়োজন তাদের বাগ্-স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতা ছাড়া কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হবে না। আমরা গতানুগতিক যুবকদের অংশগ্রহণ চাই না। সিপিএ ইয়ুথ ফোরামের গত সম্মেলনের চেয়ারপারসন ও পাকিস্তানের অধিবাসী দানেশ আলী ভুট্টো প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, আমরা আইন প্রণয়ন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুব সংসদ সদস্যরা যাতে সম্পৃক্ত হতে পারেন সেজন্য সিপিএভুক্ত রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানাই।

পাকিস্তান সংসদে নারীর অংশগ্রহণ বিষয়ে জানতে চাইলে দানেশ বলেন, আমাদের সংসদে মোট ২০-২১ শতাংশ নারীর প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। নারীদের সামনে এগিয়ে আসার ক্ষেত্রে তাদের দেশে ধর্ম কোনো বাধা নয়।

ভারতের লোকসভার স্পিকার সুমিত্রা মহাজন ইয়ুথদের উদ্দেশে বলেন, বর্তমান যুগের তরুণদের বাড়তি সুবিধা হচ্ছে তারা অবাধ তথ্যপ্রবাহের কারণে অনেক কিছু সম্পর্কে আগেই তথ্য জানতে পারছেন। এই সুবিধার কারণে তরুণরা সংসদ সদস্য হয়ে সংসদে এলে রাষ্ট্রকে একটি সম্মানজনক জায়গায় পৌঁছে দিতে তারা সক্ষম হবেন।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নবীন পার্লামেন্টারিয়ান ও সিপিএর যুব প্রতিনিধি নাবিল আহমেদ এমপি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এই তরুণদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা তাদের অবদান দেখেছি। তাই বর্তমান এবং ভবিষ্যতে বিভিন্ন ইস্যুতে তাদের কণ্ঠস্বর শোনার জন্য তাদের সংসদের মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গায় সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে।

ইয়ুথ ফোরামের আরেক প্রতিনিধি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাহসিন লুবাবা বলেন, যুবকরা রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে চান না মূলত দুটি কারণে; একটি রাজনীতির প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ না হওয়া এবং অন্যটি এখানের রাজনীতিতে তাদের কর্মদক্ষতার কোনো স্বীকৃতি কিংবা মূল্যায়ন না হওয়া। উগান্ডা এবং কেনিয়ার মতো বাংলাদেশের সংসদে তরুণদের জন্য কোটা সংরক্ষিত রাখা উচিত।