ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

পাকিস্তানের আলোচিত সাংবাদিক হামিদ মিরের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৩২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০১৭
  • ৩৭১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পাকিস্তানের আলোচিত সাংবাদিক হামিদ মিরের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা হয়েছে।

ইসলামাবাদ হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে শনিবার পাকিস্তান পুলিশ মামলাটি দায়ের করেন। ২০১০ সালে ইসলামাবাদে নিজ বাড়ি থেকে অপহৃত হওয়া খালিদ খাজার স্ত্রী শামামা মালিকের আর্জির পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক দিন আগে হামিদ মিরসহ ওই অপহরণে সন্দেহভাজন জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন আদালত।

শামামা মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে রাজধানী ইসলামাবাদের রমনা থানায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। ওই অপহরণের জন্য হামিদ মির ও উসমান পাঞ্জাবির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তাদের দুজনের ভাড়া করা গুণ্ডারা খালিদ খাজাকে অপহরণ করে।

অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, অপহরণের পর খালিদ খাজাকে উত্তর ওয়াজিরিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। ২০১০ সালের ৩০ এপ্রিল কারাম কোটে তার বুলেটবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। তার মরদেহ ইসলামাবাদে আনা হয় কিন্তু কোনো ময়দা তদন্ত করা হয়নি। অভিযোগকারী আরো বলেছেন, ‘এ ঘটনায় আমার ছেলে শালিমার থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করে কিন্তু কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আমার ছেলের কথা শোনেনি পুলিশ।’

অভিযোগে শামামা মালিক বলেছেন, লাল মসজিদে অভিযান চালানো নিয়ে তার প্রয়াত স্বামী ও হামিদ মিরের মধ্যে মতবিরোধ ছিল। যে কারণে তাকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে। এ নিয়ে হামিদ মির ও উসমান পাঞ্জাবির কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড শালিমার পুলিশ স্টেশনে দেওয়া হয়েছিল।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ডন নিউজকে হামিদ মির বলেছেন, তাকে হয়রানি করার জন্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি করা হয়েছে মনে করেন তিনি। তাকে তার অবস্থান ব্যাখ্যা করার কোনো সুযোগ না দিয়েই আদালত মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

পাকিস্তানের আলোচিত সাংবাদিক হামিদ মিরের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা

আপডেট টাইম : ০৬:৩২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পাকিস্তানের আলোচিত সাংবাদিক হামিদ মিরের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা হয়েছে।

ইসলামাবাদ হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে শনিবার পাকিস্তান পুলিশ মামলাটি দায়ের করেন। ২০১০ সালে ইসলামাবাদে নিজ বাড়ি থেকে অপহৃত হওয়া খালিদ খাজার স্ত্রী শামামা মালিকের আর্জির পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক দিন আগে হামিদ মিরসহ ওই অপহরণে সন্দেহভাজন জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন আদালত।

শামামা মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে রাজধানী ইসলামাবাদের রমনা থানায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। ওই অপহরণের জন্য হামিদ মির ও উসমান পাঞ্জাবির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তাদের দুজনের ভাড়া করা গুণ্ডারা খালিদ খাজাকে অপহরণ করে।

অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, অপহরণের পর খালিদ খাজাকে উত্তর ওয়াজিরিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। ২০১০ সালের ৩০ এপ্রিল কারাম কোটে তার বুলেটবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। তার মরদেহ ইসলামাবাদে আনা হয় কিন্তু কোনো ময়দা তদন্ত করা হয়নি। অভিযোগকারী আরো বলেছেন, ‘এ ঘটনায় আমার ছেলে শালিমার থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করে কিন্তু কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আমার ছেলের কথা শোনেনি পুলিশ।’

অভিযোগে শামামা মালিক বলেছেন, লাল মসজিদে অভিযান চালানো নিয়ে তার প্রয়াত স্বামী ও হামিদ মিরের মধ্যে মতবিরোধ ছিল। যে কারণে তাকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে। এ নিয়ে হামিদ মির ও উসমান পাঞ্জাবির কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড শালিমার পুলিশ স্টেশনে দেওয়া হয়েছিল।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ডন নিউজকে হামিদ মির বলেছেন, তাকে হয়রানি করার জন্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি করা হয়েছে মনে করেন তিনি। তাকে তার অবস্থান ব্যাখ্যা করার কোনো সুযোগ না দিয়েই আদালত মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন।