ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণশুনানি দুর্নীতি দমনের হাতিয়ার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:১০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০১৭
  • ৩৬৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ গণশুনানি দুর্নীতি দমনের একটি হাতিয়ার বলে মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

আজ দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে টিআইবির কার্যালয়ে ‘‘দুর্নীতি প্রতিরোধে দুর্নীতি দমন কমিশন পরিচালিত গণশুনানি: কার্যকরতা, চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, দুদক এখনও সম্পূর্ণ ক্লিন প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠেনি। তবে দুদকের বর্তমান নেতৃত্ব ভালো কিছু করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের মধ্যে উদ্দীপনা রয়েছে। দুদকের গণশুনানির ফলে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এক ধরনের জবাবদিহিতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে জনমানুষের কিছুটা আস্থা তৈরি হচ্ছে।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন,  দুদক প্রভাবমুক্ত হয়ে এখনও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না। বিশেষকরে ব্যাংকিং সেক্টরে এ সমস্যা বেশি। অনেক সময় দুদকের  দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা প্রভাবিত হয়ে রায় দিয়ে থাকেন।

টিআইবির  গবেষণায়  উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্নীতি দমন প্রতিরোধে দুদকের পরিচালিত জরিপে পাওয়া অভিযোগের ৭৩ শতাংশের সমাধান হয় না। ২৭ শতাংশের সমাধান হলেও পরে তার বাস্তবায়ন ইতিবাচক হয় না। আর নানা রকম হয়রানির ভয়ে ৬ শতাংশ অভিযোগ উত্থাপন করা সম্ভব হয় না।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দুদক, টিআইবি এবং দুদক প্রতিরোধ কমিটির সহযোগিতায় ৩৫টি গণশুনানির আয়োজন করা হয়। এসব গণশুনানি কতটুকু কার্যকর ভূমিকা রেখেছে সে বিষয়ে কোনো মূল্যায়ন হয়নি। এসব গণশুনানির ফলে সমস্যা সমাধান, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও পরবর্তী পরিস্থিতির উপর টিআইবি গবেষণা চালায়।

গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন টিআইবির গবেষক ওয়াহিদুল আলম, রেজাউল করিম ও শহিদুল ইসলাম।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

গণশুনানি দুর্নীতি দমনের হাতিয়ার

আপডেট টাইম : ০৪:১০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ গণশুনানি দুর্নীতি দমনের একটি হাতিয়ার বলে মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

আজ দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে টিআইবির কার্যালয়ে ‘‘দুর্নীতি প্রতিরোধে দুর্নীতি দমন কমিশন পরিচালিত গণশুনানি: কার্যকরতা, চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, দুদক এখনও সম্পূর্ণ ক্লিন প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠেনি। তবে দুদকের বর্তমান নেতৃত্ব ভালো কিছু করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের মধ্যে উদ্দীপনা রয়েছে। দুদকের গণশুনানির ফলে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এক ধরনের জবাবদিহিতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে জনমানুষের কিছুটা আস্থা তৈরি হচ্ছে।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন,  দুদক প্রভাবমুক্ত হয়ে এখনও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না। বিশেষকরে ব্যাংকিং সেক্টরে এ সমস্যা বেশি। অনেক সময় দুদকের  দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা প্রভাবিত হয়ে রায় দিয়ে থাকেন।

টিআইবির  গবেষণায়  উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্নীতি দমন প্রতিরোধে দুদকের পরিচালিত জরিপে পাওয়া অভিযোগের ৭৩ শতাংশের সমাধান হয় না। ২৭ শতাংশের সমাধান হলেও পরে তার বাস্তবায়ন ইতিবাচক হয় না। আর নানা রকম হয়রানির ভয়ে ৬ শতাংশ অভিযোগ উত্থাপন করা সম্ভব হয় না।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দুদক, টিআইবি এবং দুদক প্রতিরোধ কমিটির সহযোগিতায় ৩৫টি গণশুনানির আয়োজন করা হয়। এসব গণশুনানি কতটুকু কার্যকর ভূমিকা রেখেছে সে বিষয়ে কোনো মূল্যায়ন হয়নি। এসব গণশুনানির ফলে সমস্যা সমাধান, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও পরবর্তী পরিস্থিতির উপর টিআইবি গবেষণা চালায়।

গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন টিআইবির গবেষক ওয়াহিদুল আলম, রেজাউল করিম ও শহিদুল ইসলাম।