ঢাকা ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

মানুষ কেন ডিম খাবেন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৩৮:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৭
  • ৩৬৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আজ বিশ্ব ডিম দিবস। ডিম খেতে পছন্দ করেন না এরকম মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়। তারপরও যারা ডিম খেতে অনীহা প্রকাশ করেন, তাদের মনে ‘ডিম কেন খাবো’ এমন প্রশ্ন সারাক্ষণই উঁকি দেয়। অপরদিকে যারা নিয়মিত ডিম খেতে পছন্দ করেন তারাও মনে মনে ভাবেন দিনে কয়টা ডিম খাওয়া উচিত বা ডিমের কোন অংশটা খাওয়া উচিত।

ডিম সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবার হলেও এর পরিমাণ বেশি হলেও বিপত্তি হতে পারে। আবার ডিম একেবারেও না খেলেও শরীরের প্রোটিনের চাহিদা পূরণে ঘাটতি থাকে।

অতিরিক্ত কোলেস্টেরলের ভয়ে অনেকেই প্রতিদিন ডিম খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। আবার যদিও খান, তবে সেটা বড়জোর ডিমের সাদা অংশ।

ডিমের সাদা অংশ

চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, ‘ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে ভীত থাকলে চলবে না, তবে কুসুমসহ খুব বেশি ডিম না খাওয়াটাই উচিত। সব থেকে ভালো প্রোটিনের উৎস ডিম। এতে ন’টি প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড সঠিক মাত্রায় থাকে। ডিমের সাদা অংশে অ্যালবুমিন নামের প্রোটিনটি ভালো মতো থাকে। নিয়মিত মাছ-মাংস না খেলেও একজন ব্যক্তিকে অবশ্যই ডিম ক্ষেতে হবে।’

এ ক্ষেত্রে কম তেল বা পানির ব্যবহার করে ডিম রান্না করা যায় অথবা সিদ্ধও ডিমও খাওয়া যেতে পারে।

ডিমের কুসুম

একটা ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরল মাত্রা (১৫০-২০০ মিগ্রা)। আর এতটুকু মাত্রার কারণে রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রাকে তেমন বাড়ায় না। প্রতিদিন একটি ডিমের কুসুম খেতে পারলে ডিমের লেসিথিন নামের যৌগটি কোলেস্টেরলকে কোষে নিয়ে গিয়ে শক্তি তৈরি করে। শক্তির উৎসও হিসেবে ডিম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডিমের গুণাগুণ

১. পরিমিত ক্যালরি কথা মাথায় রেখে সাদা ডিম খায়া ভালো। পরিমিত শক্তি পেতে হলে সকালের নাস্তায় কুসুমসহ অন্তত একটি ডিম খাওয়া যেতে পারে। ডিমের সাদা অংশে ফ্যাটের পরিমাণ শূন্য। আর কুসুমসহ ৩.৬ গ্রাম। তাই ওজন ঝরাতে সাদা অংশ ভালো এবং এনার্জি পেতে হলে ডিমের কুসুম খাওয়া ভালো।

২. শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় আয়রন থাকে।

৩. হাড় সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় ফসফরাস ডিমে রয়েছে।

৪. রক্তস্বল্পতার সমস্যা দূর করতে রক্তকোষ গঠনে সহায়ক ফোলেট রয়েছে। ডিমে থাকা ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ক্যালিয়াম শরীরের জন্য খুবই উপকারী।

প্রতিদিন কুসুমসহ একটা ডিম, অথবা দুই বা তিনটা খেতে চাইলে বাকিগুলো কুসুম ছাড়া খাওয়ার পরামর্শ দেন ডাক্তাররা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রশাসনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক

মানুষ কেন ডিম খাবেন

আপডেট টাইম : ০৫:৩৮:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আজ বিশ্ব ডিম দিবস। ডিম খেতে পছন্দ করেন না এরকম মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়। তারপরও যারা ডিম খেতে অনীহা প্রকাশ করেন, তাদের মনে ‘ডিম কেন খাবো’ এমন প্রশ্ন সারাক্ষণই উঁকি দেয়। অপরদিকে যারা নিয়মিত ডিম খেতে পছন্দ করেন তারাও মনে মনে ভাবেন দিনে কয়টা ডিম খাওয়া উচিত বা ডিমের কোন অংশটা খাওয়া উচিত।

ডিম সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবার হলেও এর পরিমাণ বেশি হলেও বিপত্তি হতে পারে। আবার ডিম একেবারেও না খেলেও শরীরের প্রোটিনের চাহিদা পূরণে ঘাটতি থাকে।

অতিরিক্ত কোলেস্টেরলের ভয়ে অনেকেই প্রতিদিন ডিম খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। আবার যদিও খান, তবে সেটা বড়জোর ডিমের সাদা অংশ।

ডিমের সাদা অংশ

চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, ‘ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে ভীত থাকলে চলবে না, তবে কুসুমসহ খুব বেশি ডিম না খাওয়াটাই উচিত। সব থেকে ভালো প্রোটিনের উৎস ডিম। এতে ন’টি প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড সঠিক মাত্রায় থাকে। ডিমের সাদা অংশে অ্যালবুমিন নামের প্রোটিনটি ভালো মতো থাকে। নিয়মিত মাছ-মাংস না খেলেও একজন ব্যক্তিকে অবশ্যই ডিম ক্ষেতে হবে।’

এ ক্ষেত্রে কম তেল বা পানির ব্যবহার করে ডিম রান্না করা যায় অথবা সিদ্ধও ডিমও খাওয়া যেতে পারে।

ডিমের কুসুম

একটা ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরল মাত্রা (১৫০-২০০ মিগ্রা)। আর এতটুকু মাত্রার কারণে রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রাকে তেমন বাড়ায় না। প্রতিদিন একটি ডিমের কুসুম খেতে পারলে ডিমের লেসিথিন নামের যৌগটি কোলেস্টেরলকে কোষে নিয়ে গিয়ে শক্তি তৈরি করে। শক্তির উৎসও হিসেবে ডিম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডিমের গুণাগুণ

১. পরিমিত ক্যালরি কথা মাথায় রেখে সাদা ডিম খায়া ভালো। পরিমিত শক্তি পেতে হলে সকালের নাস্তায় কুসুমসহ অন্তত একটি ডিম খাওয়া যেতে পারে। ডিমের সাদা অংশে ফ্যাটের পরিমাণ শূন্য। আর কুসুমসহ ৩.৬ গ্রাম। তাই ওজন ঝরাতে সাদা অংশ ভালো এবং এনার্জি পেতে হলে ডিমের কুসুম খাওয়া ভালো।

২. শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় আয়রন থাকে।

৩. হাড় সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় ফসফরাস ডিমে রয়েছে।

৪. রক্তস্বল্পতার সমস্যা দূর করতে রক্তকোষ গঠনে সহায়ক ফোলেট রয়েছে। ডিমে থাকা ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ক্যালিয়াম শরীরের জন্য খুবই উপকারী।

প্রতিদিন কুসুমসহ একটা ডিম, অথবা দুই বা তিনটা খেতে চাইলে বাকিগুলো কুসুম ছাড়া খাওয়ার পরামর্শ দেন ডাক্তাররা।