ঢাকা ০৬:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দ্রুত উন্নতি করা দেশের তালিকায় চতুর্থ বাংলাদেশ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৩৪:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০১৭
  • ২৯৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থায় ব্যাপক উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। ব্যাসেল অ্যান্টি মানিলন্ডারিং (এএমএল) সূচকে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ ২৮টি দেশকে পিছনে ফেলে ৫৪ নম্বর ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে ৮২ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে। শুধু তাই নয়, ২০১৭ সালে সবচেয়ে দ্রুত উন্নয়নকারী ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। সম্প্রতি সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক দি ব্যাসেল ইনস্টিটিউট অন গভর্নেন্স বিশ্বের ১৪৬টি দেশের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন ঝুঁকি নিরূপণপূর্বক চলতি বছরের এ সূচক
প্রকাশ করেছে। ব্যাসেল অ্যান্টি মানিলন্ডারিং সূচকে দেখা যায়, চলতি বছর সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হলো ফিনল্যান্ড। আর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের মধ্যে রয়েছে ইরান ও আফগানিস্তান। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে আফগানিস্তানের অবস্থান মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন ঝুঁকির নিরিখে ২ নম্বরে। এছাড়া মিয়ানমার ১৩, নেপাল ১৪, শ্রীলঙ্কা ২৫, পাকিস্তান ৪৬, বাংলাদেশ ৮২ এবং ভারত ৮৮ নম্বরে রয়েছে। তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য যথাক্রমে ১১৬ ও ১১৮ নম্বরে রয়েছে। ব্যাসেল অ্যান্টি মানিলন্ডারিং (এএমএল) সূচক অনুযায়ী, ২০১৭ সালে দ্রুত উন্নয়নকারী ১০টি দেশের মধ্যে রয়েছে সুদান, তাইওয়ান, ইসরাইল, বাংলাদেশ, জার্মানি, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, লুক্সেমবার্গ, লাটভিয়া ও গ্রিস।
সূচকে বাংলাদেশের দ্রুত উন্নয়নের কারণ হিসেবে ২০১৬ সালে বাংলাদেশের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর এপিজি পরিচালিত মিউচুয়াল ইভাল্যুয়েশন রিপোর্টে ব্যাপক উন্নতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক অঙ্গীকার, আন্তঃসংস্থার কাজের সমন্বয়, আর্থিক খাতে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে পর্যাপ্ত লোকবল ও অর্থের সংস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
এপিজির মিউচুয়াল ইভাল্যুয়েশন রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশ এফএটিএফের ৪০টি সুপারিশের বিপরীতে ছয়টিতে কমপ্লায়েন্ট, ২২টিতে অধিকাংশ কমপ্লায়েন্ট এবং ১২টিতে আংশিক কমপ্লায়েন্ট রেটিং পেয়েছে। বাংলাদেশ এফএটিএফের ৪০টি সুপারিশের সবকটিই বাস্তবায়ন করেছে। উল্লেখ্য, সুইজারল্যান্ডভিত্তিক এ সংস্থাটি কোনো একটি দেশের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার ঘাটতি; স্বচ্ছতার ঘাটতি, উচ্চপর্যায়ে দুর্নীতির ধারণা সূচক; আর্থিক মানদন্ড ও স্বচ্ছতা এবং দুর্বল রাজনৈতিক অধিকার ও আইনের শাসন- এ পাঁচটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে ব্যাসেল এএমএল ইনডেক্স নির্ধারণ করে থাকে। ছয় বছর যাবত তারা এ সূচক প্রকাশ করে আসছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্রুত উন্নতি করা দেশের তালিকায় চতুর্থ বাংলাদেশ

আপডেট টাইম : ০২:৩৪:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থায় ব্যাপক উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। ব্যাসেল অ্যান্টি মানিলন্ডারিং (এএমএল) সূচকে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ ২৮টি দেশকে পিছনে ফেলে ৫৪ নম্বর ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে ৮২ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে। শুধু তাই নয়, ২০১৭ সালে সবচেয়ে দ্রুত উন্নয়নকারী ১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। সম্প্রতি সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক দি ব্যাসেল ইনস্টিটিউট অন গভর্নেন্স বিশ্বের ১৪৬টি দেশের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন ঝুঁকি নিরূপণপূর্বক চলতি বছরের এ সূচক
প্রকাশ করেছে। ব্যাসেল অ্যান্টি মানিলন্ডারিং সূচকে দেখা যায়, চলতি বছর সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হলো ফিনল্যান্ড। আর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের মধ্যে রয়েছে ইরান ও আফগানিস্তান। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে আফগানিস্তানের অবস্থান মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন ঝুঁকির নিরিখে ২ নম্বরে। এছাড়া মিয়ানমার ১৩, নেপাল ১৪, শ্রীলঙ্কা ২৫, পাকিস্তান ৪৬, বাংলাদেশ ৮২ এবং ভারত ৮৮ নম্বরে রয়েছে। তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য যথাক্রমে ১১৬ ও ১১৮ নম্বরে রয়েছে। ব্যাসেল অ্যান্টি মানিলন্ডারিং (এএমএল) সূচক অনুযায়ী, ২০১৭ সালে দ্রুত উন্নয়নকারী ১০টি দেশের মধ্যে রয়েছে সুদান, তাইওয়ান, ইসরাইল, বাংলাদেশ, জার্মানি, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, লুক্সেমবার্গ, লাটভিয়া ও গ্রিস।
সূচকে বাংলাদেশের দ্রুত উন্নয়নের কারণ হিসেবে ২০১৬ সালে বাংলাদেশের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর এপিজি পরিচালিত মিউচুয়াল ইভাল্যুয়েশন রিপোর্টে ব্যাপক উন্নতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক অঙ্গীকার, আন্তঃসংস্থার কাজের সমন্বয়, আর্থিক খাতে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে পর্যাপ্ত লোকবল ও অর্থের সংস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
এপিজির মিউচুয়াল ইভাল্যুয়েশন রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশ এফএটিএফের ৪০টি সুপারিশের বিপরীতে ছয়টিতে কমপ্লায়েন্ট, ২২টিতে অধিকাংশ কমপ্লায়েন্ট এবং ১২টিতে আংশিক কমপ্লায়েন্ট রেটিং পেয়েছে। বাংলাদেশ এফএটিএফের ৪০টি সুপারিশের সবকটিই বাস্তবায়ন করেছে। উল্লেখ্য, সুইজারল্যান্ডভিত্তিক এ সংস্থাটি কোনো একটি দেশের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার ঘাটতি; স্বচ্ছতার ঘাটতি, উচ্চপর্যায়ে দুর্নীতির ধারণা সূচক; আর্থিক মানদন্ড ও স্বচ্ছতা এবং দুর্বল রাজনৈতিক অধিকার ও আইনের শাসন- এ পাঁচটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে ব্যাসেল এএমএল ইনডেক্স নির্ধারণ করে থাকে। ছয় বছর যাবত তারা এ সূচক প্রকাশ করে আসছে।