ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পোশাক নিয়ে সৌদি এয়ারলাইন্সের সতর্ক বার্তা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ অগাস্ট ২০১৭
  • ২৮৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সৌদি আরবের বিমানে কী ধরনের পোশাক পড়ে আসা যাবে অর্থাৎ বিমানে ভ্রমণের ক্ষেত্রে ‘ড্রেস কোডের’ বিষয়টি নিয়ন্ত্রিত থাকলে কেউ হয়তো তাতে খুব একটা অবাক হবেন না।

যেহেতু দেশটি সুন্নী ইসলামের রক্ষণশীল সংস্কৃতি বজায় রাখতে চায়।

কিন্তু এর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে সামলোচনা করে যে দেশটি এক্ষেত্রে খুব বেশি কট্টর হয়ে উঠেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের সমৃদ্ধ একটি দেশ হিসেবে পরিচিত সৌদি আরবে নারীদের অধিকারের বিষয়ে যে কড়া রীতিনীতি রয়েছে তাও কারো অজানা নয়।

আর এরই প্রকাশ আবারো ঘটেছে সৌদি এয়ারলাইন্সের ওয়েবসাইটের এক বিজ্ঞপ্তিতে।

সেখানে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ বলেছে, ভ্রমণের সময় যাত্রীদের শালীন পোশাক পরিধান করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। তাদের পোশাক যেন অন্য কোনো যাত্রীর অসুবিধা বা অস্বস্তিবোধের কারণ না হয় সেটাই চায় সৌদি এয়ারলাইন্স।

এয়ারলাইন্সের বিবৃতিতে উদাহরণ হিসেবে বলা হয়: নারীরা তাদের পা বা হাত দেখা যায় এমন কোনো পোশাক পরতে পারবে না, বা শক্ত আঁটোশাঁটো পোশাকও পরা যাবে না। অন্যদিকে পুরুষেরাও শর্টস পরে বিমানে উঠতে পারবে না।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সৌদি মক্কাহ্ দেশটির পর্যটন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রধান আল আল ঘামদির কাছে জানতে চেয়েছিল -দেশটিতে নারীদের আঁটোশা*টো পোশাক পরতে মানা করার পেছনে কী বিধান আছে?

এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানিয়েছেন , “পোশাক পরিধান বা ‘ড্রেস কোডে’র বিষয়টি ঠিক করার ক্ষেত্রে তারাই শুধু একমাত্র এয়ারলাইন্স নয়। বিশ্বের অনেকে দেশের এয়ারলাইন্স নিজস্ব ড্রেস কোড মেনে চলে”।

সৌদি এয়ারলাইন্সের ড্রেস কোডের বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন অনেকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

পোশাক নিয়ে সৌদি এয়ারলাইন্সের সতর্ক বার্তা

আপডেট টাইম : ০৬:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ অগাস্ট ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ সৌদি আরবের বিমানে কী ধরনের পোশাক পড়ে আসা যাবে অর্থাৎ বিমানে ভ্রমণের ক্ষেত্রে ‘ড্রেস কোডের’ বিষয়টি নিয়ন্ত্রিত থাকলে কেউ হয়তো তাতে খুব একটা অবাক হবেন না।

যেহেতু দেশটি সুন্নী ইসলামের রক্ষণশীল সংস্কৃতি বজায় রাখতে চায়।

কিন্তু এর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে সামলোচনা করে যে দেশটি এক্ষেত্রে খুব বেশি কট্টর হয়ে উঠেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের সমৃদ্ধ একটি দেশ হিসেবে পরিচিত সৌদি আরবে নারীদের অধিকারের বিষয়ে যে কড়া রীতিনীতি রয়েছে তাও কারো অজানা নয়।

আর এরই প্রকাশ আবারো ঘটেছে সৌদি এয়ারলাইন্সের ওয়েবসাইটের এক বিজ্ঞপ্তিতে।

সেখানে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ বলেছে, ভ্রমণের সময় যাত্রীদের শালীন পোশাক পরিধান করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। তাদের পোশাক যেন অন্য কোনো যাত্রীর অসুবিধা বা অস্বস্তিবোধের কারণ না হয় সেটাই চায় সৌদি এয়ারলাইন্স।

এয়ারলাইন্সের বিবৃতিতে উদাহরণ হিসেবে বলা হয়: নারীরা তাদের পা বা হাত দেখা যায় এমন কোনো পোশাক পরতে পারবে না, বা শক্ত আঁটোশাঁটো পোশাকও পরা যাবে না। অন্যদিকে পুরুষেরাও শর্টস পরে বিমানে উঠতে পারবে না।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সৌদি মক্কাহ্ দেশটির পর্যটন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রধান আল আল ঘামদির কাছে জানতে চেয়েছিল -দেশটিতে নারীদের আঁটোশা*টো পোশাক পরতে মানা করার পেছনে কী বিধান আছে?

এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানিয়েছেন , “পোশাক পরিধান বা ‘ড্রেস কোডে’র বিষয়টি ঠিক করার ক্ষেত্রে তারাই শুধু একমাত্র এয়ারলাইন্স নয়। বিশ্বের অনেকে দেশের এয়ারলাইন্স নিজস্ব ড্রেস কোড মেনে চলে”।

সৌদি এয়ারলাইন্সের ড্রেস কোডের বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন অনেকে।