ঢাকা ১০:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তুই মরে যা, আমার কিছু যায় আসে না, ইকরাকে বলতেন আলভী মহাকাব্যিক হ্যাটট্রিক মেসির রঙিন দিন সংসদে জীবিত বাবাকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলায় দুঃখপ্রকাশ জামায়াত এমপির নিজ নিজ ধর্মীয় রীতিতে স্পিকারের চেয়ারের প্রতি সম্মান জানাবেন সংসদ সদস্যরা শাহজালালের মাজারের দানবাক্স সিলগালা, পাহারা বসালো প্রশাসন ঘরের পাশের মানুষ যদি এমন রাক্ষস হয়ে ওঠে, তবে আমরা বিশ্বাস করব কাকে জুলাইযোদ্ধারা শ্রেণিভেদে মাসে কতো টাকা পাবেন, জানালেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী সামরিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম: সেনাপ্রধান পরীমণি ইস্যুতে বাধ্যতামূলক অবসরে এডিসি সাকলায়েন প্রস্তাবিত বাজেট স্বনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের পথ সুগম করবে : আইনমন্ত্রী

১৮.৯৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে তৃতীয়বারের মতো রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:৪৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০১৭
  • ৩৮৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  রেকর্ড ১৮.৯৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে টানা তৃতীয়বারের মতো ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

এর আগে ২০১৪-১৫ ও ২০১৬-১৭ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল সংস্থাটি।  ২৪ জুলাই পর্যন্ত প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩ কোটি টাকা রাজস্ব সংগ্রহ করেছে। যা সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ কোটি টাকা বেশি। ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে সংশোধিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা।

বুধবার এনবিআরের প্রধান কার্যালয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে এনবিআরের খাতভিত্তিক রাজস্ব আদায়ের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক খাতে রাজস্ব আদায় ৫৪ হাজার ৩৩০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা, মূসক খাতে ৬৬ হাজার ৮৯১ কোটি ৪৫ টাকা এবং আয়কর ও ভ্রমণ কর খাতে ৬৩ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা। সর্বমোট ১ লাখ  ৮৫ হাজার ৩ কোটি ৬৯ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘এ বিশাল অর্জনে দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হিসেবে সম্মানিত করদাতাদের সহযোগিতা ও অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। তাঁদের সমর্থন ও সহযোগিতার ফলে আগামী অর্থবছরে নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৪৮ হাজার ১৯০ কোটি টাকা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করছি।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সদয় অনুশাসনের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বন্দর ও বেনাপোল স্থলবন্দরের সাথে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস ও বেনাপোল কাস্টমস হাউস সপ্তাহের সাত দিনই ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা হয়েছে। সকলে মিলে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে কর জিডিপি অনুপাত বাড়ানো সম্ভব হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও সরকারের ভাবমূর্তি সমুন্নত  হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তুই মরে যা, আমার কিছু যায় আসে না, ইকরাকে বলতেন আলভী

১৮.৯৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে তৃতীয়বারের মতো রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন

আপডেট টাইম : ০৮:৪৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুলাই ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  রেকর্ড ১৮.৯৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে টানা তৃতীয়বারের মতো ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

এর আগে ২০১৪-১৫ ও ২০১৬-১৭ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল সংস্থাটি।  ২৪ জুলাই পর্যন্ত প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩ কোটি টাকা রাজস্ব সংগ্রহ করেছে। যা সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ কোটি টাকা বেশি। ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে সংশোধিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা।

বুধবার এনবিআরের প্রধান কার্যালয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে এনবিআরের খাতভিত্তিক রাজস্ব আদায়ের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক খাতে রাজস্ব আদায় ৫৪ হাজার ৩৩০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা, মূসক খাতে ৬৬ হাজার ৮৯১ কোটি ৪৫ টাকা এবং আয়কর ও ভ্রমণ কর খাতে ৬৩ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা। সর্বমোট ১ লাখ  ৮৫ হাজার ৩ কোটি ৬৯ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘এ বিশাল অর্জনে দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হিসেবে সম্মানিত করদাতাদের সহযোগিতা ও অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। তাঁদের সমর্থন ও সহযোগিতার ফলে আগামী অর্থবছরে নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৪৮ হাজার ১৯০ কোটি টাকা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করছি।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সদয় অনুশাসনের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বন্দর ও বেনাপোল স্থলবন্দরের সাথে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস ও বেনাপোল কাস্টমস হাউস সপ্তাহের সাত দিনই ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা হয়েছে। সকলে মিলে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে কর জিডিপি অনুপাত বাড়ানো সম্ভব হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও সরকারের ভাবমূর্তি সমুন্নত  হবে।