ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৫ নভেম্বর, ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদনের শেষ সময় জানাল ইসি ফুটবলে এবার ‘ইলেকট্রনিক কার্ড’ সাত ইসলামী দলের ঐক্য গড়তে মতবিরোধ কমছে শ্রম আদালতের মামলাজট নিরসনে কার্যকর রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩ স্পট পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, হাসপাতাল-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সরকারি কোয়ার্টার তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী প্রাক্তনকে ক্ষমা করতে চান না পরী জ্বালানি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ ন্যায়বিচার নিশ্চিতে প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে: আইনমন্ত্রী অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, দিলেন যে ব্যাখ্যা

এইচএসসিতে একসঙ্গে পাস করলেন মা-মেয়ে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুলাই ২০১৭
  • ৩৫৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  মা ও মেয়ে একসঙ্গে এইচএসসি পাসের ঘটনা সচরাচর খুব একটা শোনা যায় না। কিন্তু এবার সেই ঘটনাই শোনা গেলো। মা ও মেয়ের একসঙ্গে পরীক্ষায় পাস করার এমন ঘটনায় আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে সেই পরিবারের অন্য সদস্যরাসহ ও প্রতিবেশীরা। জয়পুরহাটের আদর্শপাড়া মহল্লার চল্লিশোর্ধ বয়সী মা ইসমত আরা ও তার মেধাবী মেয়ে তানজিলা আফরিন।

রোববার প্রকাশিত এসচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর জানা যায়, এই মা ও মেয়ে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের সঙ্গে এ-গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাদের এমন ফলে পুরো এলাকায় ব্যাপক আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এক নজর দেখতে ছুটে আসেন তাদের শিক্ষক, সহপাঠী ও বন্ধু-বান্ধবরা। তাদের সাফল্যে সবাই উচ্ছ্বসিত। আত্মীয় স্বজনদের কেউ কেউ নিয়ে আসেন ফুল ও মিষ্টি হাতে করে।

জেলা জজ আদালতের সাবেক পেশকার জাহাঙ্গীর আলম তার স্ত্রী ইসমত আরা ও তাদের এক মাত্র মেয়ে তানজিলা আফরিনকে নিয়ে জয়পুরহাট পৌর এলাকার আদর্শপাড়া মহল্লায় বসবাস করেন। ছোট এই পরিবারটি সবার কাছে আদর্শ পাড়ার একটি আদর্শ পরিবার হিসেবেই পরিচিত।

জানা যায়, এর আগে এই মা ও মেয়ে একই সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। আর সেই পরীক্ষায় অংশ নিয়ে দু’জনেই ভারো ভাবে উত্তীর্ণ হন। এসএসসিতে মেয়ে তানজিলা আফরিন পান জিপিএ-৫। মেয়ে ভর্তি হয় বাড়ির নিকটবর্তী জয়পুরহাট সরকারি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে আর তিনি ভর্তি হন পাঁচবিবি উপজেলার আয়মা-জামালপুর গ্রামের টেকনিক্যাল কলেজে।

ইসমত আরা বলেন, কিছুটা লোক লজ্জার ভয়ে বোরকা পরে তিনি কলেজে যাতায়াত করতেন। যাতে করে তাকে কেউ চিনতে না পারে। এ নিয়ে কেউ কটূক্তি তিনি তাতে মোটেও বিচলিত হতেন না। নীরবে নিজের লেখাপড়া চালিয়ে গেছেন বলেই মেয়ের মতো নিজেও এইচএসসি পাস করেছেন।

একই সঙ্গে মা-মেয়ের এইচএসসি পরীক্ষায় আরো ভালো ফলাফলের আশা করলেও হতাশ হননি জাহাঙ্গীর আলম। তিনি জানান, আগামীতে স্ত্রী ও মেয়েকে লেখাপড়ায় এগিয়ে যেতে তিনি সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৫ নভেম্বর, ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদনের শেষ সময় জানাল ইসি

এইচএসসিতে একসঙ্গে পাস করলেন মা-মেয়ে

আপডেট টাইম : ১২:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুলাই ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  মা ও মেয়ে একসঙ্গে এইচএসসি পাসের ঘটনা সচরাচর খুব একটা শোনা যায় না। কিন্তু এবার সেই ঘটনাই শোনা গেলো। মা ও মেয়ের একসঙ্গে পরীক্ষায় পাস করার এমন ঘটনায় আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে সেই পরিবারের অন্য সদস্যরাসহ ও প্রতিবেশীরা। জয়পুরহাটের আদর্শপাড়া মহল্লার চল্লিশোর্ধ বয়সী মা ইসমত আরা ও তার মেধাবী মেয়ে তানজিলা আফরিন।

রোববার প্রকাশিত এসচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর জানা যায়, এই মা ও মেয়ে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের সঙ্গে এ-গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাদের এমন ফলে পুরো এলাকায় ব্যাপক আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এক নজর দেখতে ছুটে আসেন তাদের শিক্ষক, সহপাঠী ও বন্ধু-বান্ধবরা। তাদের সাফল্যে সবাই উচ্ছ্বসিত। আত্মীয় স্বজনদের কেউ কেউ নিয়ে আসেন ফুল ও মিষ্টি হাতে করে।

জেলা জজ আদালতের সাবেক পেশকার জাহাঙ্গীর আলম তার স্ত্রী ইসমত আরা ও তাদের এক মাত্র মেয়ে তানজিলা আফরিনকে নিয়ে জয়পুরহাট পৌর এলাকার আদর্শপাড়া মহল্লায় বসবাস করেন। ছোট এই পরিবারটি সবার কাছে আদর্শ পাড়ার একটি আদর্শ পরিবার হিসেবেই পরিচিত।

জানা যায়, এর আগে এই মা ও মেয়ে একই সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। আর সেই পরীক্ষায় অংশ নিয়ে দু’জনেই ভারো ভাবে উত্তীর্ণ হন। এসএসসিতে মেয়ে তানজিলা আফরিন পান জিপিএ-৫। মেয়ে ভর্তি হয় বাড়ির নিকটবর্তী জয়পুরহাট সরকারি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে আর তিনি ভর্তি হন পাঁচবিবি উপজেলার আয়মা-জামালপুর গ্রামের টেকনিক্যাল কলেজে।

ইসমত আরা বলেন, কিছুটা লোক লজ্জার ভয়ে বোরকা পরে তিনি কলেজে যাতায়াত করতেন। যাতে করে তাকে কেউ চিনতে না পারে। এ নিয়ে কেউ কটূক্তি তিনি তাতে মোটেও বিচলিত হতেন না। নীরবে নিজের লেখাপড়া চালিয়ে গেছেন বলেই মেয়ের মতো নিজেও এইচএসসি পাস করেছেন।

একই সঙ্গে মা-মেয়ের এইচএসসি পরীক্ষায় আরো ভালো ফলাফলের আশা করলেও হতাশ হননি জাহাঙ্গীর আলম। তিনি জানান, আগামীতে স্ত্রী ও মেয়েকে লেখাপড়ায় এগিয়ে যেতে তিনি সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব।