ঢাকা ০৬:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

তামাকে আক্রান্ত ৩ লাখ ৮২ হাজার মানুষ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুলাই ২০১৭
  • ৩৩৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দেশে তামাক জাতীয় দ্রব্য সেবনের ফলে ৮টি রোগে প্রায় ১২ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত। এর মধ্যে পঙ্গুর সংখ্যাই রয়েছে ৩ লাখ ৮২ হাজার।
গতকাল বুধবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান (সুপ্র) কার্যালয়ে আয়োজিত তামাক নিয়ন্ত্রণে স্থায়ীত্বশীল আর্থিক যোগান নিশ্চিতে দ্রুত সারচার্জ ব্যবস্থাপনা নীতি পাস করা জরুরি শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় বক্তরা এ কথা জানান। সভাটি যৌথভাবে আয়োজন করে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিউবিবি) ট্রাস্ট ও সুপ্র।

সভায় ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের কর্মসূচি ব্যবস্থাপক সৈয়দা অনন্যা রহমান বলেন, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে তামাকজাতদ্রব্যের ওপর এক শতাংশ সারচার্জ আরোপ করা হয়। যা রোগ-প্রতিরোধে অর্থায়নের বিশাল সুযোগ। জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল ২০১৬ সালের শুরুতে স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা প্রণয়নের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত এ নীতিমালা চূড়ান্ত না হওয়ায় সারচার্জ হিসেবে প্রাপ্ত অর্থের সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। তাই দ্রুত এ নীতিমালা পাস করা জরুরি বলে জানান তিনি।

ডব্লিউবিবি ট্রাসের আমিনুল ইসলাম সুজন বলেন, বাংলাদেশ সংবিধানের ১৮ (১) অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য উন্নয়নকে রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি ২০১১ -এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে রোগ-প্রতিরোধের প্রতি গুরুত্ব দেয়া। সুযোগ সন্ধানী ও মুনাফালোভী তামাক কোম্পানিগুলো বিভিন্নভাবে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছে। যা সুশাসনের অন্তরায়। তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে গতিশীল করার স্বার্থে তামাক কোম্পানিতে সরকারের যে শেয়ার রয়েছে তা বাদ দেয়া উচিত।

দর্পণের নির্বাহী পরিচালক মো. মাহবুব মোর্শেদ বলেন, অসংক্রামক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ ধূমপান, পরোক্ষ ধূমপান ও সাদাপাতা, গুল, জর্দা ইত্যাদি তামাকের ব্যবহার। তাই তামাক নিয়ন্ত্রণকে সবক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।

সুপ্র ভাইস চেয়ার মঞ্জুরানী প্রামানিক বলেন, জনস্বার্থ রক্ষায় সরকার তামাক নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। কিন্তু তামাক কোম্পানিগুলো সরকারের কার্যক্রমকে নানাভাবে বাধাগ্রস্ত করছে। সুপ্র সভাপতি হারুনুর রশিদ বলেন, দেশের বড় অংশ তরুণ। তামাক কোম্পানিগুলো তাদের টার্গেট করে প্রচারণা চালাচ্ছে। এ প্রবণতা রুখতে হবে। এ ছাড়া তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন, তামাকের ওপর কর বৃদ্ধি, তামাক নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় যেসব ক্ষেত্রে তামাক কোম্পানিগুলো অনৈতিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে সুশাসনে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে, সেসব বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের সময় এসেছে। তামাক কোম্পানির অবৈধ হস্তক্ষেপে যেসব ক্ষেত্রে সুশাসন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে সেসব ক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করতে সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান (সুপ্র) সক্রিয় হবে। এ সময় তামাকবিরোধী একলাব, পাবনা গ্রগতি সংস্থা, প্রদেশ, সলিডারিটি, এইড ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন সংগঠন অংশ নেয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

তামাকে আক্রান্ত ৩ লাখ ৮২ হাজার মানুষ

আপডেট টাইম : ১২:০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুলাই ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দেশে তামাক জাতীয় দ্রব্য সেবনের ফলে ৮টি রোগে প্রায় ১২ লাখেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত। এর মধ্যে পঙ্গুর সংখ্যাই রয়েছে ৩ লাখ ৮২ হাজার।
গতকাল বুধবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান (সুপ্র) কার্যালয়ে আয়োজিত তামাক নিয়ন্ত্রণে স্থায়ীত্বশীল আর্থিক যোগান নিশ্চিতে দ্রুত সারচার্জ ব্যবস্থাপনা নীতি পাস করা জরুরি শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় বক্তরা এ কথা জানান। সভাটি যৌথভাবে আয়োজন করে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিউবিবি) ট্রাস্ট ও সুপ্র।

সভায় ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের কর্মসূচি ব্যবস্থাপক সৈয়দা অনন্যা রহমান বলেন, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে তামাকজাতদ্রব্যের ওপর এক শতাংশ সারচার্জ আরোপ করা হয়। যা রোগ-প্রতিরোধে অর্থায়নের বিশাল সুযোগ। জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল ২০১৬ সালের শুরুতে স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা প্রণয়নের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত এ নীতিমালা চূড়ান্ত না হওয়ায় সারচার্জ হিসেবে প্রাপ্ত অর্থের সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। তাই দ্রুত এ নীতিমালা পাস করা জরুরি বলে জানান তিনি।

ডব্লিউবিবি ট্রাসের আমিনুল ইসলাম সুজন বলেন, বাংলাদেশ সংবিধানের ১৮ (১) অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য উন্নয়নকে রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি ২০১১ -এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে রোগ-প্রতিরোধের প্রতি গুরুত্ব দেয়া। সুযোগ সন্ধানী ও মুনাফালোভী তামাক কোম্পানিগুলো বিভিন্নভাবে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছে। যা সুশাসনের অন্তরায়। তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে গতিশীল করার স্বার্থে তামাক কোম্পানিতে সরকারের যে শেয়ার রয়েছে তা বাদ দেয়া উচিত।

দর্পণের নির্বাহী পরিচালক মো. মাহবুব মোর্শেদ বলেন, অসংক্রামক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ ধূমপান, পরোক্ষ ধূমপান ও সাদাপাতা, গুল, জর্দা ইত্যাদি তামাকের ব্যবহার। তাই তামাক নিয়ন্ত্রণকে সবক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।

সুপ্র ভাইস চেয়ার মঞ্জুরানী প্রামানিক বলেন, জনস্বার্থ রক্ষায় সরকার তামাক নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। কিন্তু তামাক কোম্পানিগুলো সরকারের কার্যক্রমকে নানাভাবে বাধাগ্রস্ত করছে। সুপ্র সভাপতি হারুনুর রশিদ বলেন, দেশের বড় অংশ তরুণ। তামাক কোম্পানিগুলো তাদের টার্গেট করে প্রচারণা চালাচ্ছে। এ প্রবণতা রুখতে হবে। এ ছাড়া তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন, তামাকের ওপর কর বৃদ্ধি, তামাক নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় যেসব ক্ষেত্রে তামাক কোম্পানিগুলো অনৈতিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে সুশাসনে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে, সেসব বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের সময় এসেছে। তামাক কোম্পানির অবৈধ হস্তক্ষেপে যেসব ক্ষেত্রে সুশাসন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে সেসব ক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করতে সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান (সুপ্র) সক্রিয় হবে। এ সময় তামাকবিরোধী একলাব, পাবনা গ্রগতি সংস্থা, প্রদেশ, সলিডারিটি, এইড ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন সংগঠন অংশ নেয়।