ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৬২৩, নিখোঁজ ২৪৮২ অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, আ.লীগ পুনর্বাসনের কারিগর কে এই ফিরোজ জেনে নিন বিনাখরচে কিভাবে মালয়েশিয়ায় যাওয়া যাবে নেপালে শুটিংয়ে গিয়ে তাণ্ডবের মুখোমুখি অপু, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা ৪২ কি.মি. যানজট: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আটকা শত শত গাড়ি ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব উপজেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ এনসিপির সারা দেশে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আইরিন খান ১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগের’ খিচুড়ি, খেলেই নাকি রোগমুক্তি ও সন্তান লাভ

ছোট দেশি মুরগির দাম প্রতি পিসে বেড়েছে ৫০ টাকা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩৬:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০১৭
  • ৫২২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীর নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজারগুলোতে গরু ও খাসির মাংসের দাম এখনও সাধারণ ক্রেতার সামর্থ্যের বাইরে। রোজার আগে সিটি কর্পোরেশন থেকে দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও তা মানেননি রাজধানীর মাংস ব্যবসায়ীরা। এর মধ্যে কয়েক দফায় দাম বাড়ানোও হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যপণ্যের দামও প্রায় প্রতি সপ্তাহেই বাড়ছে। গত এক সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে দেশি মুরগির দাম।

গত সপ্তাহে ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল ছোট সাইজের প্রতিটি দেশি মুরগি। আজ শুক্রবারের বাজারে সেই দাম বাড়িয়ে ৪৫০ টাকা রাখা হচ্ছে। এছাড়া তেল ও রসুনসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম আরেক দফা বেড়েছে। তবে পাইকারি বাজারে প্রায় সব ধরনের চালের দাম ১-২ টাকা হারে কমেছে। আর সবজির বাজার ও মাছের বাজার অনেকটা স্থিতিশীল আছে।

Chicken Market

আজ রাজধানীর কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে ছোট দেশি মুরগির দাম ৫০ টাকা বেড়ে প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকা দরে। এছাড়া ব্রয়লার মুরগি আগের দাম অর্থাৎ ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লেয়ার মুরগি ২২০ টাকা এবং পাকিস্তানি লাল মুরগি ২০ টাকা বেড়ে ২৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আজকের বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫০০ টাকা এবং খাসির মাংস ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুদি বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের দামেই স্থিতিশীল রয়েছে অধিকাংশ মুদি পণ্যের দাম। আজকের বাজারে কেজি প্রতি ছোলা ৮৫ টাকা; দেশি মুগ ডাল ১৩০ টাকা; ভারতীয় মুগ ডাল ১২০ টাকা; মাসকলাই ১৩৫ টাকা, দেশি মসুর ডাল ১২৫ টাকা; ভারতীয় মসুর ডাল ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দারুচিনি ৩৬০ টাকা; জিরা ৪৫০ টাকা; শুকনা মরিচ ২০০ টাকা; লবঙ্গ ১৫০০ টাকা; এলাচ ১৬০০ টাকা; চীনের আদা ১২০ টাকা এবং ক্যারালা আদা ১৪০ টাকা; হলুদ ১৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে ভোজ্য তেলের ব্র্যান্ড ভেদে ৫ লিটারের বোতল ২০-৩০ টাকা বেড়ে ৫৩০-৫৪০ টাকা; প্রতি লিটারে ১-২ টাকা বেড়ে ১০৭ টাকা থেকে ১০৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাজার দর পর্যালোচনা করে দামের কিছুটা পার্থক্য দেখা গেছে, টিসিবির মূল্য তালিকায় ব্র্যান্ড ভেদে ৫ লিটারের বোতল ৫১০ টাকা থেকে ৫৩০ টাকা। প্রতি লিটার ভোজ্য তেল ১০২-১০৭ টাকা।

চালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের চালের দাম ১-২ টাকা পর্যন্ত কমেছে। মোটা স্বর্ণা চাল ২ টাকা কমে প্রতি কেজি ৪৪ টাকা, পারিজা চাল ৪৩ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মিনিকেট (ভালো মানের) ২ টাকা কমে ৫৪ টাকা, মিনিকেট (সাধারণ) ৫২ টাকা, বিআর২৮ ৪৮ টাকা, সাধারণ মানের নাজিরশাইল ৫০ টাকা, উন্নত মানের নাজিরশাইল ৫২ টাকা, পাইজাম চাল ৪৮ টাকা, বাসমতি ৫৩ টাকা, কাটারিভোগ ৭২-৭৩ টাকা এবং পোলাও চাল (পুরাতন) ১০০ টাকা, (নতুন) ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

নিত্য প্রয়োজনীয় কাঁচা পণ্যের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি বেগুন ৬০-৮০ টাকা; শশা ৫০ টাকা; চাল কুমড়া ৫০ টাকা; কচুর লতি ৬০ টাকা; পটল ৫০ টাকা; ঢেঁড়স ৫০ টাকা; ঝিঙ্গা ৬০ টাকা; চিচিঙ্গা ৫০ টাকা; করলা ৫০ টাকা; কাকরোল ৫০ টাকা; পেঁপে ৪০-৫০ টাকা; কচুরমুখী ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

প্রতিটি ফুলকপি ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ টাকা এবং লেবু হালি প্রতি ২০ থেকে ৪০ টাকা; পালং শাক আঁটি প্রতি ১৫ টাকা; লালশাক ১৫ টাকা; পুঁইশাক ২০ টাকা এবং লাউশাক ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া আজকের বাজারে কেজিপ্রতি দেশি পেঁয়াজ ৩০ টাকা; ভারতীয় পেঁয়াজ ২৮ টাকা; দেশি রসুন ১১০ টাকা; ভারতীয় রসুন ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। হাইব্রিড টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা; দেশি টমেটো ৯০ দরে। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ৮০ টাকা; আলু ২৪ টাকা।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আকার ভেদে প্রতি কেজি রুই মাছ ২৫০-৩৫০ টাকা, সরপুঁটি ৩৫০-৪৫০ টাকা, কাতলা ৩৫০-৪০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৮০ টাকা, সিলভার কার্প ২০০-২৫০ টাকা, চাষের কৈ ২৫০-৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাঙ্গাস প্রতি কেজি ১৫০-২৫০ টাকা, টেংরা ৬০০ টাকা, মাগুর ৬০০-৮০০ টাকা, প্রকার ভেদে চিংড়ি ৪০০-৮০০ টাকা, প্রতিটি ইলিশ ৮০০-১৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে; প্রতি কেজি ইলিশের দাম রাখা হচ্ছে ১৬০০ টাকা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে

ছোট দেশি মুরগির দাম প্রতি পিসে বেড়েছে ৫০ টাকা

আপডেট টাইম : ১০:৩৬:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাজধানীর নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজারগুলোতে গরু ও খাসির মাংসের দাম এখনও সাধারণ ক্রেতার সামর্থ্যের বাইরে। রোজার আগে সিটি কর্পোরেশন থেকে দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও তা মানেননি রাজধানীর মাংস ব্যবসায়ীরা। এর মধ্যে কয়েক দফায় দাম বাড়ানোও হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যপণ্যের দামও প্রায় প্রতি সপ্তাহেই বাড়ছে। গত এক সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে দেশি মুরগির দাম।

গত সপ্তাহে ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল ছোট সাইজের প্রতিটি দেশি মুরগি। আজ শুক্রবারের বাজারে সেই দাম বাড়িয়ে ৪৫০ টাকা রাখা হচ্ছে। এছাড়া তেল ও রসুনসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম আরেক দফা বেড়েছে। তবে পাইকারি বাজারে প্রায় সব ধরনের চালের দাম ১-২ টাকা হারে কমেছে। আর সবজির বাজার ও মাছের বাজার অনেকটা স্থিতিশীল আছে।

Chicken Market

আজ রাজধানীর কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে ছোট দেশি মুরগির দাম ৫০ টাকা বেড়ে প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকা দরে। এছাড়া ব্রয়লার মুরগি আগের দাম অর্থাৎ ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লেয়ার মুরগি ২২০ টাকা এবং পাকিস্তানি লাল মুরগি ২০ টাকা বেড়ে ২৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আজকের বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫০০ টাকা এবং খাসির মাংস ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুদি বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের দামেই স্থিতিশীল রয়েছে অধিকাংশ মুদি পণ্যের দাম। আজকের বাজারে কেজি প্রতি ছোলা ৮৫ টাকা; দেশি মুগ ডাল ১৩০ টাকা; ভারতীয় মুগ ডাল ১২০ টাকা; মাসকলাই ১৩৫ টাকা, দেশি মসুর ডাল ১২৫ টাকা; ভারতীয় মসুর ডাল ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দারুচিনি ৩৬০ টাকা; জিরা ৪৫০ টাকা; শুকনা মরিচ ২০০ টাকা; লবঙ্গ ১৫০০ টাকা; এলাচ ১৬০০ টাকা; চীনের আদা ১২০ টাকা এবং ক্যারালা আদা ১৪০ টাকা; হলুদ ১৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে ভোজ্য তেলের ব্র্যান্ড ভেদে ৫ লিটারের বোতল ২০-৩০ টাকা বেড়ে ৫৩০-৫৪০ টাকা; প্রতি লিটারে ১-২ টাকা বেড়ে ১০৭ টাকা থেকে ১০৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাজার দর পর্যালোচনা করে দামের কিছুটা পার্থক্য দেখা গেছে, টিসিবির মূল্য তালিকায় ব্র্যান্ড ভেদে ৫ লিটারের বোতল ৫১০ টাকা থেকে ৫৩০ টাকা। প্রতি লিটার ভোজ্য তেল ১০২-১০৭ টাকা।

চালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের চালের দাম ১-২ টাকা পর্যন্ত কমেছে। মোটা স্বর্ণা চাল ২ টাকা কমে প্রতি কেজি ৪৪ টাকা, পারিজা চাল ৪৩ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মিনিকেট (ভালো মানের) ২ টাকা কমে ৫৪ টাকা, মিনিকেট (সাধারণ) ৫২ টাকা, বিআর২৮ ৪৮ টাকা, সাধারণ মানের নাজিরশাইল ৫০ টাকা, উন্নত মানের নাজিরশাইল ৫২ টাকা, পাইজাম চাল ৪৮ টাকা, বাসমতি ৫৩ টাকা, কাটারিভোগ ৭২-৭৩ টাকা এবং পোলাও চাল (পুরাতন) ১০০ টাকা, (নতুন) ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

নিত্য প্রয়োজনীয় কাঁচা পণ্যের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি বেগুন ৬০-৮০ টাকা; শশা ৫০ টাকা; চাল কুমড়া ৫০ টাকা; কচুর লতি ৬০ টাকা; পটল ৫০ টাকা; ঢেঁড়স ৫০ টাকা; ঝিঙ্গা ৬০ টাকা; চিচিঙ্গা ৫০ টাকা; করলা ৫০ টাকা; কাকরোল ৫০ টাকা; পেঁপে ৪০-৫০ টাকা; কচুরমুখী ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

প্রতিটি ফুলকপি ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ টাকা এবং লেবু হালি প্রতি ২০ থেকে ৪০ টাকা; পালং শাক আঁটি প্রতি ১৫ টাকা; লালশাক ১৫ টাকা; পুঁইশাক ২০ টাকা এবং লাউশাক ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া আজকের বাজারে কেজিপ্রতি দেশি পেঁয়াজ ৩০ টাকা; ভারতীয় পেঁয়াজ ২৮ টাকা; দেশি রসুন ১১০ টাকা; ভারতীয় রসুন ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। হাইব্রিড টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা; দেশি টমেটো ৯০ দরে। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ৮০ টাকা; আলু ২৪ টাকা।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আকার ভেদে প্রতি কেজি রুই মাছ ২৫০-৩৫০ টাকা, সরপুঁটি ৩৫০-৪৫০ টাকা, কাতলা ৩৫০-৪০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৮০ টাকা, সিলভার কার্প ২০০-২৫০ টাকা, চাষের কৈ ২৫০-৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাঙ্গাস প্রতি কেজি ১৫০-২৫০ টাকা, টেংরা ৬০০ টাকা, মাগুর ৬০০-৮০০ টাকা, প্রকার ভেদে চিংড়ি ৪০০-৮০০ টাকা, প্রতিটি ইলিশ ৮০০-১৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে; প্রতি কেজি ইলিশের দাম রাখা হচ্ছে ১৬০০ টাকা।