ঢাকা ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

চিনাবাদাম চাষে খুশি কৃষক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৫১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুলাই ২০১৭
  • ৪০১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  মেহেরপুরের কৃষকরা আগেও চিনাবাদাম চাষ করতেন। কিন্তু এবার তারা এ আবাদে বেশ খুশি। এ জেলায় প্রতি বছর বেড়েই চলেছে চিনাবাদামের চাষ।

জেলার মদনডাঙ্গা, শ্যামপুর, টেংগারমাঠ ও গোপালপুর গ্রামের অধিকাংশ জমি বালি মাটি। ধান কাটার পর জমি ফেলে রাখতেন। ধান আবাদ করে তারা যে টাকা পেতেন তাতে সংসার চালানো কঠিন হতো। এখন সেই জমিতে ফলাচ্ছেন চিনাবাদাম। আর এর চাষ করে তারা এখন অনেক টাকাও পাচ্ছেন।

কৃষকরা জানিয়েছেন, ধান কাটার পর জমি ফেলে না রেখে তারা সেখানে চিনাবাদামের আবাদ করছেন। ৯০ দিনের মধ্যে উঠছে সেই ফসল। এক বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করতে তাদের খরচ হয় দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা।

এখন চিনাবাদামের বাজার মূল্য ভাল থাকায় প্রতি মন বাদাম বিক্রি হচ্ছে ২৪’শ টাকা থেকে ২৬’শ টাকায়। বাদাম ৭-৮ মণ ফলনে তা তারা বাজারে ১৪ থেকে ১৮ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।

কৃষকরা আরো জানিয়েছে, চাষে অল্প টাকা খরচ হওয়ায় লাভবান হচ্ছেন তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এবার জেলায় চিনাবাদামের আবাদ হয়েছে ৫০ হেক্টর জমিতে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মিঠামইনে উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, আহত আরও একজন

চিনাবাদাম চাষে খুশি কৃষক

আপডেট টাইম : ০৫:৫১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুলাই ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  মেহেরপুরের কৃষকরা আগেও চিনাবাদাম চাষ করতেন। কিন্তু এবার তারা এ আবাদে বেশ খুশি। এ জেলায় প্রতি বছর বেড়েই চলেছে চিনাবাদামের চাষ।

জেলার মদনডাঙ্গা, শ্যামপুর, টেংগারমাঠ ও গোপালপুর গ্রামের অধিকাংশ জমি বালি মাটি। ধান কাটার পর জমি ফেলে রাখতেন। ধান আবাদ করে তারা যে টাকা পেতেন তাতে সংসার চালানো কঠিন হতো। এখন সেই জমিতে ফলাচ্ছেন চিনাবাদাম। আর এর চাষ করে তারা এখন অনেক টাকাও পাচ্ছেন।

কৃষকরা জানিয়েছেন, ধান কাটার পর জমি ফেলে না রেখে তারা সেখানে চিনাবাদামের আবাদ করছেন। ৯০ দিনের মধ্যে উঠছে সেই ফসল। এক বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করতে তাদের খরচ হয় দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা।

এখন চিনাবাদামের বাজার মূল্য ভাল থাকায় প্রতি মন বাদাম বিক্রি হচ্ছে ২৪’শ টাকা থেকে ২৬’শ টাকায়। বাদাম ৭-৮ মণ ফলনে তা তারা বাজারে ১৪ থেকে ১৮ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।

কৃষকরা আরো জানিয়েছে, চাষে অল্প টাকা খরচ হওয়ায় লাভবান হচ্ছেন তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এবার জেলায় চিনাবাদামের আবাদ হয়েছে ৫০ হেক্টর জমিতে।