ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ ‘আদিবাসী’ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জনতার কাছে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অধিনায়ক হলে গোল উদযাপন করার সময় পাবেন না হালান্ড সরকারি ভবনে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত কৃষি মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব নিয়োগ রাষ্ট্রপতি ভোটের বৈঠক আহ্বান করলেন সিইসি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতার কাছাকাছি—দাবি পাকিস্তানের পানিতে তলিয়ে আছে কমিউনিটি ক্লিনিক, নেই স্বাস্থ্যসেবা রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ‘প্রায় চূড়ান্ত’, নতুন মহাসচিব কে?

কীর্ত্তনখোলায় ট্যাঙ্কার-কার্গোর সংঘর্ষ, ভাসছে ডিজেল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুলাই ২০১৭
  • ৩০২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে ফ্লাই অ্যাশবাহী জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাঙ্কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে উভয় নৌযানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গতকাল সকাল ৮টায় কীর্ত্তনখোলার চরকাউয়া পয়েন্টে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর ক্ষতিগ্রস্ত তেলবাহী ট্যাঙ্কার থেকে ডিজেল ছড়িয়ে পড়েছে কীর্ত্তনখোলা নদীতে। ঘটনার পর থেকেই প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এলাকাবাসী নদীর তীর থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল উত্তোলন করেছেন। তবে কী পরিমাণ ডিজেল নদীতে ছড়িয়ে পড়েছে তেল ওঠানোর আগ পর্যন্ত সে ব্যাপারে বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন দুর্ঘটনার শিকার ট্যাঙ্কার এমটি ফজরের মাস্টার জামসেদুর রহমান। দুর্ঘটনার শিকার মেঘনা গ্রুপের ফ্লাই অ্যাশবাহী কার্গো জাহাজ এমভি মা-বাবার দোয়া-২-এর সুকানি মো. এরশাদ বলেন, তারা ভারত থেকে মোংলা বন্দর হয়ে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে স্রোতের কারণে তেলবাহী ট্যাঙ্কারের সঙ্গে তাদের জাহাজের সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার শিকার ট্যাঙ্কার এমটি ফজরের মাস্টার জামসেদুর রহমান বলেন, তারা ঢাকা থেকে ডিজেল ও পেট্রল নিয়ে বরিশাল যমুনা ডিপোতে আসছিলেন। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কীর্ত্তনখোলা নদীর চরকাউয়া পয়েন্টে পৌঁছলে অ্যাশ বোঝাই কার্গো জাহাজ তাদের ট্যাঙ্কারে সজোরে আঘাত হানে। এতে কার্গোর ক্ষতি হয়ে ডিজেলের চেম্বার ফেটে তা কীর্তনখোলা নদীতে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তারা দ্রুততার সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত চেম্বার থেকে ডিজেল অন্য চেম্বারে সরিয়ে নিয়েছেন। তবে তেল সরানোর আগে কী পরিমাণ তেল নদীতে ভেসে গেছে তা পুরো তেল ওঠানোর আগে বলা সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে দুর্ঘটনার পর স্থানীয় জনতা বিপুল পরিমাণ ডিজেল নদী থেকে উত্তোলন করেছেন। প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকা জুড়ে শতাধিক মানুষ তেল সংগ্রহে নামেন বলে স্থানীয় সূত্র জানায়। এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র উদ্ধারকারী জাহাজ নির্ভীকের দায়িত্বে থাকা উপ-পরিচালক রফিকুল সেলিম বলেন, খবর পাওয়ার পর তারা ঘটনাস্থলে আসেন। তবে এর আগেই দুর্ঘটনার শিকার দুটো জাহাজই নিরাপদ স্থানে নোঙর করে রাখা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ ‘আদিবাসী’ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কীর্ত্তনখোলায় ট্যাঙ্কার-কার্গোর সংঘর্ষ, ভাসছে ডিজেল

আপডেট টাইম : ১২:০০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুলাই ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে ফ্লাই অ্যাশবাহী জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাঙ্কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে উভয় নৌযানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গতকাল সকাল ৮টায় কীর্ত্তনখোলার চরকাউয়া পয়েন্টে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর ক্ষতিগ্রস্ত তেলবাহী ট্যাঙ্কার থেকে ডিজেল ছড়িয়ে পড়েছে কীর্ত্তনখোলা নদীতে। ঘটনার পর থেকেই প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এলাকাবাসী নদীর তীর থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল উত্তোলন করেছেন। তবে কী পরিমাণ ডিজেল নদীতে ছড়িয়ে পড়েছে তেল ওঠানোর আগ পর্যন্ত সে ব্যাপারে বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন দুর্ঘটনার শিকার ট্যাঙ্কার এমটি ফজরের মাস্টার জামসেদুর রহমান। দুর্ঘটনার শিকার মেঘনা গ্রুপের ফ্লাই অ্যাশবাহী কার্গো জাহাজ এমভি মা-বাবার দোয়া-২-এর সুকানি মো. এরশাদ বলেন, তারা ভারত থেকে মোংলা বন্দর হয়ে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে স্রোতের কারণে তেলবাহী ট্যাঙ্কারের সঙ্গে তাদের জাহাজের সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার শিকার ট্যাঙ্কার এমটি ফজরের মাস্টার জামসেদুর রহমান বলেন, তারা ঢাকা থেকে ডিজেল ও পেট্রল নিয়ে বরিশাল যমুনা ডিপোতে আসছিলেন। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কীর্ত্তনখোলা নদীর চরকাউয়া পয়েন্টে পৌঁছলে অ্যাশ বোঝাই কার্গো জাহাজ তাদের ট্যাঙ্কারে সজোরে আঘাত হানে। এতে কার্গোর ক্ষতি হয়ে ডিজেলের চেম্বার ফেটে তা কীর্তনখোলা নদীতে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তারা দ্রুততার সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত চেম্বার থেকে ডিজেল অন্য চেম্বারে সরিয়ে নিয়েছেন। তবে তেল সরানোর আগে কী পরিমাণ তেল নদীতে ভেসে গেছে তা পুরো তেল ওঠানোর আগে বলা সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে দুর্ঘটনার পর স্থানীয় জনতা বিপুল পরিমাণ ডিজেল নদী থেকে উত্তোলন করেছেন। প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকা জুড়ে শতাধিক মানুষ তেল সংগ্রহে নামেন বলে স্থানীয় সূত্র জানায়। এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র উদ্ধারকারী জাহাজ নির্ভীকের দায়িত্বে থাকা উপ-পরিচালক রফিকুল সেলিম বলেন, খবর পাওয়ার পর তারা ঘটনাস্থলে আসেন। তবে এর আগেই দুর্ঘটনার শিকার দুটো জাহাজই নিরাপদ স্থানে নোঙর করে রাখা হয়।