ঢাকা ০৩:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিকুনগুনিয়ার দায় কোনোভাবেই ডিএনসিসির নয়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:৫০:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০১৭
  • ৩৩১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক বলেছেন, যেখানে পাঁচ দিন পর পর মশা নিধনের ওষুধ প্রয়োগের কথা, সেখানে আমরা তিন দিন পর পর প্রয়োগ করছি।

চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। সুতরাং চিকুনগুনিয়ার দায়ভার কোনোভাবে ডিএনসিসির নয়।’

শুক্রবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে ‘চিকুনগুনিয়া রোগের প্রাদুর্ভাব এবং ডিএনসিসি কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রম’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মশা নিধনে ডিএনসিসির ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বরাদ্দ ২৩ কোটি টাকা। তবে বর্তমানে যেভাবে মশা নিধনে ওষুধ প্রয়োগ করা হচ্ছে, তাতে এই বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়ে ৩০ কোটি টাকায় পৌঁছাবে। শুধু সিটি করপোরেশনের পক্ষে চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, এজন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে।

তিনি জানান, বর্তমানে মশা নিধনের জন্য ডিএনসিসির হস্তচালিত মেশিনের সংখ্যা ৩৮৭টি, ফগার মেশিন ২৫৫টি, হুইল ব্যারো মেশিন ১০টি এবং ভ্যাহিক্যাল মাউন্টেড ফগার একটি। চিকুনগুনিয়া রোগ প্রতিরোধে আমরা সার্বিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। তাই চিকুনগুনিয়ার দায়ভার কোনোভাবে ডিএনসিসির নয়।

তিনি বলেন, চিকুনগুনিয়া রোগ বহনকারী এডিস মশা বাসাবাড়ির ভেতরে প্রজনন করে, যা নিধন করা সিটি করপোরেশনের পক্ষে সম্ভব নয়। বাসাবাড়িতে নিরাপত্তাজনিত কারণে কীটনাশক প্রয়োগ করা সম্ভব নয়। এছাড়া চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্তকে মশারির মধ্যে রাখা দরকার। এসব বিষয়ে জনগণকে সচেতন হতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেসবাউল ইসলাম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম এম সালেহ ভূঁইয়া, প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা কমডোর আবদুর রাজ্জাক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

চিকুনগুনিয়ার দায় কোনোভাবেই ডিএনসিসির নয়

আপডেট টাইম : ০৮:৫০:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক বলেছেন, যেখানে পাঁচ দিন পর পর মশা নিধনের ওষুধ প্রয়োগের কথা, সেখানে আমরা তিন দিন পর পর প্রয়োগ করছি।

চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। সুতরাং চিকুনগুনিয়ার দায়ভার কোনোভাবে ডিএনসিসির নয়।’

শুক্রবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে ‘চিকুনগুনিয়া রোগের প্রাদুর্ভাব এবং ডিএনসিসি কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রম’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মশা নিধনে ডিএনসিসির ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বরাদ্দ ২৩ কোটি টাকা। তবে বর্তমানে যেভাবে মশা নিধনে ওষুধ প্রয়োগ করা হচ্ছে, তাতে এই বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়ে ৩০ কোটি টাকায় পৌঁছাবে। শুধু সিটি করপোরেশনের পক্ষে চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, এজন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে।

তিনি জানান, বর্তমানে মশা নিধনের জন্য ডিএনসিসির হস্তচালিত মেশিনের সংখ্যা ৩৮৭টি, ফগার মেশিন ২৫৫টি, হুইল ব্যারো মেশিন ১০টি এবং ভ্যাহিক্যাল মাউন্টেড ফগার একটি। চিকুনগুনিয়া রোগ প্রতিরোধে আমরা সার্বিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। তাই চিকুনগুনিয়ার দায়ভার কোনোভাবে ডিএনসিসির নয়।

তিনি বলেন, চিকুনগুনিয়া রোগ বহনকারী এডিস মশা বাসাবাড়ির ভেতরে প্রজনন করে, যা নিধন করা সিটি করপোরেশনের পক্ষে সম্ভব নয়। বাসাবাড়িতে নিরাপত্তাজনিত কারণে কীটনাশক প্রয়োগ করা সম্ভব নয়। এছাড়া চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্তকে মশারির মধ্যে রাখা দরকার। এসব বিষয়ে জনগণকে সচেতন হতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেসবাউল ইসলাম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম এম সালেহ ভূঁইয়া, প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা কমডোর আবদুর রাজ্জাক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।