ঢাকা ০১:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৫ নভেম্বর, ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদনের শেষ সময় জানাল ইসি ফুটবলে এবার ‘ইলেকট্রনিক কার্ড’ সাত ইসলামী দলের ঐক্য গড়তে মতবিরোধ কমছে শ্রম আদালতের মামলাজট নিরসনে কার্যকর রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর সাড়ে চার ঘণ্টায় ১৩ স্পট পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, হাসপাতাল-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সরকারি কোয়ার্টার তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সবার জন্য বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী প্রাক্তনকে ক্ষমা করতে চান না পরী জ্বালানি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ ন্যায়বিচার নিশ্চিতে প্যারালিগ্যাল সেবাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে: আইনমন্ত্রী অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, দিলেন যে ব্যাখ্যা

গাছ তলায় পাঠদান

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০১৭
  • ৮১৪ বার

শ্রেণিকক্ষের সংকটে পাত্রখাতা ব্যাপারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খোলা আকাশের নিচে গাছ তলায় চলছে পাঠদান। রয়েছে বিভিন্ন অবকাঠামোসহ শিক্ষক সংকট। দিনের পর দিন লেখা-পড়ায় বিঘ্ন ঘটার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষা থেকেও পিছিয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীরা। ৩ রুম বিশিষ্ট একটি পুরনো ভবন থাকলেও সেটিও রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ভয় ভীতির মধ্যে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা ক্লাস করলেও কক্ষ আর অবকাঠামোর অভাবে ১ম শ্রেণির ৪০ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে গাছ তলায়। ১৯৮৫ সালে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার পাত্রখাতা মিনাবাজার এলাকায় ব্যাপারীপাড়া গ্রামে স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার কিছুদিন পর একটি তিন রুম বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ হলেও তা এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেও ছাদ বেয়ে পড়ে পানি ফলে শিক্ষার্থীদের বৃষ্টির সময় এক পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তবু গাদাগাদি করে পাঠদান কার্যক্রম চলছে। স্থান সংকুলান না হওয়া প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বসানো হয়েছে বিদ্যালয়ের মাঠে থাকা একটি গাছ তলায়। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের সঙ্গে সঙ্গে খোলা আকাশের নিচে পাঠদান অব্যাহত থাকায় বিদ্যালয়টির শিক্ষার মান দিন দিন পিছিয়ে পড়ছে। একদিকে যেমন শিক্ষার্থীরা অপরদিকে অভিভাবকগণ পড়েছেন মহা চিন্তায় আর এ কারণে অনেক অভিভাবক সন্তানদের অন্য দূরের স্কুলে ভর্তি করছে বলেও জানান এলাকাবাসী। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বলেন, অনেক দিনের পুরনো এই ভবনে আমাদের ক্লাস করতে ভয় করে আর বৃষ্টি হলে তো ছুটি ছাড়া উপায় নাই। ১ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, খোলা আকাশের নিচে পড়াশোনা করতে ভালো লাগে না। শ্রেণি শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন খোলা স্থানে গাছ তলায় পাঠদান দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পড়ার সময় ছাত্র-ছাত্রীদের মনোযোগ অন্যদিকে চলে যায়। ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ও শ্রেণি সংকটের কথা স্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহেদুল ইসলাম বলেন শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে শিক্ষার গুণগত মান ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। চিলমারী উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাখাওয়াৎ হোসেন ভবন ঝুঁকিপূর্ণ কি না তা দেখার দায়িত্ব স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের। আর উক্ত বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ সংকটের বিষয়টি আমার জানা নেই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ২৫ নভেম্বর, ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদনের শেষ সময় জানাল ইসি

গাছ তলায় পাঠদান

আপডেট টাইম : ১১:৫৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০১৭

শ্রেণিকক্ষের সংকটে পাত্রখাতা ব্যাপারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খোলা আকাশের নিচে গাছ তলায় চলছে পাঠদান। রয়েছে বিভিন্ন অবকাঠামোসহ শিক্ষক সংকট। দিনের পর দিন লেখা-পড়ায় বিঘ্ন ঘটার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষা থেকেও পিছিয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীরা। ৩ রুম বিশিষ্ট একটি পুরনো ভবন থাকলেও সেটিও রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ভয় ভীতির মধ্যে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা ক্লাস করলেও কক্ষ আর অবকাঠামোর অভাবে ১ম শ্রেণির ৪০ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে গাছ তলায়। ১৯৮৫ সালে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার পাত্রখাতা মিনাবাজার এলাকায় ব্যাপারীপাড়া গ্রামে স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার কিছুদিন পর একটি তিন রুম বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ হলেও তা এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেও ছাদ বেয়ে পড়ে পানি ফলে শিক্ষার্থীদের বৃষ্টির সময় এক পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তবু গাদাগাদি করে পাঠদান কার্যক্রম চলছে। স্থান সংকুলান না হওয়া প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বসানো হয়েছে বিদ্যালয়ের মাঠে থাকা একটি গাছ তলায়। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের সঙ্গে সঙ্গে খোলা আকাশের নিচে পাঠদান অব্যাহত থাকায় বিদ্যালয়টির শিক্ষার মান দিন দিন পিছিয়ে পড়ছে। একদিকে যেমন শিক্ষার্থীরা অপরদিকে অভিভাবকগণ পড়েছেন মহা চিন্তায় আর এ কারণে অনেক অভিভাবক সন্তানদের অন্য দূরের স্কুলে ভর্তি করছে বলেও জানান এলাকাবাসী। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বলেন, অনেক দিনের পুরনো এই ভবনে আমাদের ক্লাস করতে ভয় করে আর বৃষ্টি হলে তো ছুটি ছাড়া উপায় নাই। ১ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, খোলা আকাশের নিচে পড়াশোনা করতে ভালো লাগে না। শ্রেণি শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন খোলা স্থানে গাছ তলায় পাঠদান দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পড়ার সময় ছাত্র-ছাত্রীদের মনোযোগ অন্যদিকে চলে যায়। ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ও শ্রেণি সংকটের কথা স্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহেদুল ইসলাম বলেন শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে শিক্ষার গুণগত মান ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। চিলমারী উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাখাওয়াৎ হোসেন ভবন ঝুঁকিপূর্ণ কি না তা দেখার দায়িত্ব স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের। আর উক্ত বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ সংকটের বিষয়টি আমার জানা নেই।