ঢাকা ০২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভোটার হালনাগাদ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করার আহ্বান ইসির

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:১৮:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০১৫
  • ৩৮৬ বার
ভোটার তালিকা হালনাগাদ নিয়ে ‘ভুল’ ও ‘অপব্যাখ্যা’ দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করার আহবান জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ আহবান জানিয়ে বলা হয়েছে, আইন মেনেই ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম চলছে। ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পরই নাগরিকদের ভোটার তালিকাভুক্ত করা হবে। এ ছাড়া ১৮ বছরের নীচে যেসকল নাগরিকের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে সম্ভব হলে তাদেরকে জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়ার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের বিবেচনায় রয়েছে।
বিএনপি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) পৃথক সংবাদ সম্মেলনে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তোলার প্রেক্ষিতে বুধবার ইসি এ প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। ইসির পরিচালক (জনসংযোগ) এস এম আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এতে বলা হয়, একটি বেসরকারি সংস্থা এবং কোন কোন মহল হতে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচির সময় এবং হালনাগাদে যাদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে তাদের বয়স নিয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানাচ্ছে যে, সংবিধান, সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুসরণ করেই ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনভাবেই অপ্রাপ্তবয়স্ক কারো ভোটার তালিকাভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইসি ভোটার তালিকা আইন ২০০৯ এর ১১ ধারা অনুযায়ী ভোটার তালিকা হালনাগাদের তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। এবার হালনাগাদে দুই বছরের অগ্রিম তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ১ জানুয়ারি ১৯৯৮ বা তার আগে যাদের জন্ম অর্থাত্ ০১ জানুয়ারি ২০১৬ যাদের বয়স ১৮ বা তার বেশি তাদের তথ্য সংগ্রহ করে সাদা কাগজে নিবন্ধনের জন্য স্লিপ দেয়া হচ্ছে। এদের তালিকাভুক্ত করে ২ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করে দাবী, আপত্তি  নিষ্পত্তির পর ৩১ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে  চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। অন্যদিকে  ০২ জানুয়ারি ১৯৯৮ থেকে ০১ জানুয়ারি ২০০০ যাদের জন্ম তাদের তথ্য সংগ্রহ করে নিবন্ধনের জন্য ভিন্ন রঙের তথ্য স্লিপ দেয়া হচ্ছে। এদের সংগৃহীত তথ্য পৃথকভাবে সংরক্ষণ করা হবে, যা কোন ক্রমেই মূল ডাটাবেজে বা ভোটার তালিকায় সংযোজনের কোন সুযোগ নেই। অগ্রিম সংগৃহীত তথ্য যা পৃথকভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে যাদের বয়স ১ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে ১৮ বছর হবে, তাদেরকে অন্তর্ভুক্ত করে ২ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে খসড়া তালিকা প্রকাশ করে দাবি, আপত্তি নিষ্পত্তির পর ৩১ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।  অনুরূপভাবে যাদের বয়স ১ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে ১৮ বছর হবে তাদেরকে অন্তর্ভুক্ত ২ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে খসড়া প্রকাশ করে দাবী, আপত্তি নিষ্পত্তির পর ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
এ অবস্থায়, কোন ধররে ভুল ও অপব্যাখ্যা দিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম সম্পর্কে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও  না ছড়ানোর জন্য ইসি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, নারী ভোটার সংখ্যা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশন (ইসি) অসত্য ও অর্ধ-সত্য তথ্য প্রকাশ করে জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে পাল্টা দাবি করেছে বেসরকারি সংস্থা সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। গতকাল বুধবার বিকালে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ দাবি করে সংস্থাটি।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটার হালনাগাদ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করার আহ্বান ইসির

আপডেট টাইম : ০৪:১৮:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০১৫
ভোটার তালিকা হালনাগাদ নিয়ে ‘ভুল’ ও ‘অপব্যাখ্যা’ দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করার আহবান জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ আহবান জানিয়ে বলা হয়েছে, আইন মেনেই ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম চলছে। ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পরই নাগরিকদের ভোটার তালিকাভুক্ত করা হবে। এ ছাড়া ১৮ বছরের নীচে যেসকল নাগরিকের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে সম্ভব হলে তাদেরকে জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়ার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের বিবেচনায় রয়েছে।
বিএনপি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) পৃথক সংবাদ সম্মেলনে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তোলার প্রেক্ষিতে বুধবার ইসি এ প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। ইসির পরিচালক (জনসংযোগ) এস এম আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এতে বলা হয়, একটি বেসরকারি সংস্থা এবং কোন কোন মহল হতে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচির সময় এবং হালনাগাদে যাদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে তাদের বয়স নিয়ে ভিন্ন মত প্রকাশ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানাচ্ছে যে, সংবিধান, সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুসরণ করেই ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনভাবেই অপ্রাপ্তবয়স্ক কারো ভোটার তালিকাভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইসি ভোটার তালিকা আইন ২০০৯ এর ১১ ধারা অনুযায়ী ভোটার তালিকা হালনাগাদের তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। এবার হালনাগাদে দুই বছরের অগ্রিম তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ১ জানুয়ারি ১৯৯৮ বা তার আগে যাদের জন্ম অর্থাত্ ০১ জানুয়ারি ২০১৬ যাদের বয়স ১৮ বা তার বেশি তাদের তথ্য সংগ্রহ করে সাদা কাগজে নিবন্ধনের জন্য স্লিপ দেয়া হচ্ছে। এদের তালিকাভুক্ত করে ২ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করে দাবী, আপত্তি  নিষ্পত্তির পর ৩১ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে  চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। অন্যদিকে  ০২ জানুয়ারি ১৯৯৮ থেকে ০১ জানুয়ারি ২০০০ যাদের জন্ম তাদের তথ্য সংগ্রহ করে নিবন্ধনের জন্য ভিন্ন রঙের তথ্য স্লিপ দেয়া হচ্ছে। এদের সংগৃহীত তথ্য পৃথকভাবে সংরক্ষণ করা হবে, যা কোন ক্রমেই মূল ডাটাবেজে বা ভোটার তালিকায় সংযোজনের কোন সুযোগ নেই। অগ্রিম সংগৃহীত তথ্য যা পৃথকভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে যাদের বয়স ১ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে ১৮ বছর হবে, তাদেরকে অন্তর্ভুক্ত করে ২ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে খসড়া তালিকা প্রকাশ করে দাবি, আপত্তি নিষ্পত্তির পর ৩১ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।  অনুরূপভাবে যাদের বয়স ১ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে ১৮ বছর হবে তাদেরকে অন্তর্ভুক্ত ২ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে খসড়া প্রকাশ করে দাবী, আপত্তি নিষ্পত্তির পর ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
এ অবস্থায়, কোন ধররে ভুল ও অপব্যাখ্যা দিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম সম্পর্কে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও  না ছড়ানোর জন্য ইসি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, নারী ভোটার সংখ্যা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশন (ইসি) অসত্য ও অর্ধ-সত্য তথ্য প্রকাশ করে জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে পাল্টা দাবি করেছে বেসরকারি সংস্থা সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। গতকাল বুধবার বিকালে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ দাবি করে সংস্থাটি।