ঢাকা ১০:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

যুবলীগ নেত্রীকে বিয়ে করলেন আ.লীগ নেতা দেলোয়ার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৭
  • ২৮৯ বার

পুরোদস্তুর রাজনীতিবিদ তিনি। জীবনসঙ্গীনি হিসেবেও বেছে নিলেন রাজপথের সৈনিককে। রাজনৈতিক পরিচয় গড়ালো প্রণয়ে, এরপর ঘর বাঁধা।

বর হলেন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন এবং কনে আওয়ামী লীগের সহ-সম্পাদক শারমিন সুলতানা লিলি। শুক্রবার রাতে দেলোয়ারের ভাইয়ের ধানমন্ডির বাসায় এই দুই জনের বিয়ে হয়। ২০ লাখ টাকা দেনমোহরে এই বিয়ে পড়ানো হয়।

বিয়ের এই অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্যরা ছাড়া ছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী মারুফা আক্তার পপি, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাহাদুর বেপারী, প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন, ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন প্রমুখ।

দেলোয়ার ঢাকাটাইমসকে জানিয়েছেন, বিয়েটা ঘরোয়া পরিবেশে হলেও বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় সবাইকেই দাওয়াত করা হবে।

দুই জনই ক্ষমতাসীন দলে পরিচিত মুখ। তবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতায় ধুমধাম রাখেননি দেলোয়ার-লিলি। দুই পরিবারের স্বজন আর ঘনিষ্ঠ পরিচিতজনরাই উপস্থিত ছিলেন এ সময়।

চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন দেলোয়ার। পরে আসেন মূল দলে। গত অক্টোবরের ২০ তম জাতীয় সম্মেলনে দেলোয়ার পান বড় দায়িত্ব।

অন্যদিকে কনে শারমিন সুলতানা লিলিরও রাজনৈতিক জীবনের শুরু ছাত্রলীগ দিয়েই। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কমিটির সভাপতি ছিলেন দেলোয়ার, সেই কমিটিতে ছিলেন লিলিও। তিনি তখন রোকেয়া হল শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে ছাত্রলীগের বদিউজ্জামান সোহাগ ও সিদ্দিকী নাজমুল আলমের কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি।

ছাত্রজীবন শেষে ছাত্রলীগ ছেড়ে যুবলীগে যোগ দেন লিলি। ছাত্র সংগঠনের মতই যুব সংগঠনেও দক্ষতার পরিচয় দেন তিনি। দায়িত্ব পান সহ সম্পাদকের।

এই দুই রাজনীতিককে প্রণয়ে বাঁধতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী ও বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মারুফা আক্তার পপি। তার মধ্যস্ততাতেই দুই জনের বিয়ে হয় বলে নিশ্চিত করেছেন তার ঘনিষ্ঠজনরা।

দেলোয়ারের ঘনিষ্ঠরা জানান, গত ১২ এপ্রিল দেলোয়ার ও লিলি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে বিয়ে করার ইচ্ছে প্রকাশ করেন। দলীয় সভাপতি উৎফুল্ল হয়ে তাদেরকে উৎসাহ দেন। সেই সঙ্গে জানান শুভ কামনা।

বিয়ে নিয়ে দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘সব কৃতিত্ব পপি আপার। আপাই আমাদেরকে এক করেছেন। আশা করি আমরা দাম্পত্য জীবনে সুখি হব।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

যুবলীগ নেত্রীকে বিয়ে করলেন আ.লীগ নেতা দেলোয়ার

আপডেট টাইম : ০১:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৭

পুরোদস্তুর রাজনীতিবিদ তিনি। জীবনসঙ্গীনি হিসেবেও বেছে নিলেন রাজপথের সৈনিককে। রাজনৈতিক পরিচয় গড়ালো প্রণয়ে, এরপর ঘর বাঁধা।

বর হলেন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন এবং কনে আওয়ামী লীগের সহ-সম্পাদক শারমিন সুলতানা লিলি। শুক্রবার রাতে দেলোয়ারের ভাইয়ের ধানমন্ডির বাসায় এই দুই জনের বিয়ে হয়। ২০ লাখ টাকা দেনমোহরে এই বিয়ে পড়ানো হয়।

বিয়ের এই অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্যরা ছাড়া ছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী মারুফা আক্তার পপি, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাহাদুর বেপারী, প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন, ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন প্রমুখ।

দেলোয়ার ঢাকাটাইমসকে জানিয়েছেন, বিয়েটা ঘরোয়া পরিবেশে হলেও বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় সবাইকেই দাওয়াত করা হবে।

দুই জনই ক্ষমতাসীন দলে পরিচিত মুখ। তবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতায় ধুমধাম রাখেননি দেলোয়ার-লিলি। দুই পরিবারের স্বজন আর ঘনিষ্ঠ পরিচিতজনরাই উপস্থিত ছিলেন এ সময়।

চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন দেলোয়ার। পরে আসেন মূল দলে। গত অক্টোবরের ২০ তম জাতীয় সম্মেলনে দেলোয়ার পান বড় দায়িত্ব।

অন্যদিকে কনে শারমিন সুলতানা লিলিরও রাজনৈতিক জীবনের শুরু ছাত্রলীগ দিয়েই। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কমিটির সভাপতি ছিলেন দেলোয়ার, সেই কমিটিতে ছিলেন লিলিও। তিনি তখন রোকেয়া হল শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে ছাত্রলীগের বদিউজ্জামান সোহাগ ও সিদ্দিকী নাজমুল আলমের কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি।

ছাত্রজীবন শেষে ছাত্রলীগ ছেড়ে যুবলীগে যোগ দেন লিলি। ছাত্র সংগঠনের মতই যুব সংগঠনেও দক্ষতার পরিচয় দেন তিনি। দায়িত্ব পান সহ সম্পাদকের।

এই দুই রাজনীতিককে প্রণয়ে বাঁধতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী ও বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মারুফা আক্তার পপি। তার মধ্যস্ততাতেই দুই জনের বিয়ে হয় বলে নিশ্চিত করেছেন তার ঘনিষ্ঠজনরা।

দেলোয়ারের ঘনিষ্ঠরা জানান, গত ১২ এপ্রিল দেলোয়ার ও লিলি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে বিয়ে করার ইচ্ছে প্রকাশ করেন। দলীয় সভাপতি উৎফুল্ল হয়ে তাদেরকে উৎসাহ দেন। সেই সঙ্গে জানান শুভ কামনা।

বিয়ে নিয়ে দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘সব কৃতিত্ব পপি আপার। আপাই আমাদেরকে এক করেছেন। আশা করি আমরা দাম্পত্য জীবনে সুখি হব।’