ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

কে বড় মমতা না মোদি? জানতে চান বি চৌধুরী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:২২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ এপ্রিল ২০১৭
  • ৩৬৯ বার

তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে ভারতের টালবাহানার কড়া সমলোচনা করেছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা (বি) চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি অভিযাত্রার সময় আমরা তিস্তার পানির জন্য চাতক পাখির মতো তাকিয়ে ছিলাম। মমতা রাজি হননি, তাই মোদি দিলেন না। প্রশ্ন কে বড়- দিল্লি, না কলকাতা? মমতা না মোদি?’

বাংলা নববর্ষ-১৪২৪ উপলক্ষে বিকল্পধারার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শুক্রবার বিকালে এক আলোচনা সভায় বি চৌধুরী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘টিভিতে দেখলাম মমতা বলেছেন- আমাদের তিস্তার জল নেই, কোথা থেকে দেব? তিস্তার বদলে চারটি খালসম নদী দেখিয়ে দিলেন।

প্রশ্ন হলো- তিস্তাতে জল যদি না-ই থাকে, ওটা বাংলাদেশকে দিতে বাধা কোথায়?’

সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য আরও চমকপ্রদ- কুছ তো মিলা, পানি মাংগা তো ইলেকট্রিসিটি মিলা। তা হলে বাংলাদেশের মানুষ কী আশায় আশায় কামান চেয়ে গুলতি পেয়েই খুশি থাকব?’

তিনি বলেন, দিল্লি সফরের পর প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যে বেশ কিছু অস্পষ্টতা ও গরমিল দেখা যাচ্ছে। হেফাজতের দাবি মেনে নিয়ে দাওরাকে মাস্টার্সের মান দেয়া ও গ্রিক মূর্তি অপসারণ করার কথা বলেছেন তিনি। এগুলো নির্বাচনমুখী সমর্থন আদায়ের প্রচেষ্টা কি না রাজনৈতিক মহল ভাবতে শুরু করেছেন।

বি চৌধুরী বলেন, ‘আমরা শান্তি-শৃংখলা, সুশাসন এবং গণতন্ত্রের অবমুক্তি দেখতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তন লক্ষণীয়, তবে সমালোচনার কিছু নেই। যেহেতু এটা এক ধরনের রাজনৈতিক দাবার চাল, নির্বাচনের প্রাক্কালে এগুলো হয়েই থাকে। তাহলে নির্বাচন কি অতি আসন্ন?’

আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট শাহ আহাম্মেদ বাদল, মঞ্জুর রাশেদ, মাহফুজুর রহমান, জানে আলম হাওলাদার, ড. নোমান, আইনুল হক, ওবায়েদুর রহমান মৃধা, বিএম নিজাম, মাওলানা মো. কবীর হোসেন, আমিনুল ইসলাম বুলু, ভূদেব চক্রবর্তী প্রমুখ। আলোচনা শেষে দলীয় শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

কে বড় মমতা না মোদি? জানতে চান বি চৌধুরী

আপডেট টাইম : ০৩:২২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ এপ্রিল ২০১৭

তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে ভারতের টালবাহানার কড়া সমলোচনা করেছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা (বি) চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি অভিযাত্রার সময় আমরা তিস্তার পানির জন্য চাতক পাখির মতো তাকিয়ে ছিলাম। মমতা রাজি হননি, তাই মোদি দিলেন না। প্রশ্ন কে বড়- দিল্লি, না কলকাতা? মমতা না মোদি?’

বাংলা নববর্ষ-১৪২৪ উপলক্ষে বিকল্পধারার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শুক্রবার বিকালে এক আলোচনা সভায় বি চৌধুরী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘টিভিতে দেখলাম মমতা বলেছেন- আমাদের তিস্তার জল নেই, কোথা থেকে দেব? তিস্তার বদলে চারটি খালসম নদী দেখিয়ে দিলেন।

প্রশ্ন হলো- তিস্তাতে জল যদি না-ই থাকে, ওটা বাংলাদেশকে দিতে বাধা কোথায়?’

সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য আরও চমকপ্রদ- কুছ তো মিলা, পানি মাংগা তো ইলেকট্রিসিটি মিলা। তা হলে বাংলাদেশের মানুষ কী আশায় আশায় কামান চেয়ে গুলতি পেয়েই খুশি থাকব?’

তিনি বলেন, দিল্লি সফরের পর প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যে বেশ কিছু অস্পষ্টতা ও গরমিল দেখা যাচ্ছে। হেফাজতের দাবি মেনে নিয়ে দাওরাকে মাস্টার্সের মান দেয়া ও গ্রিক মূর্তি অপসারণ করার কথা বলেছেন তিনি। এগুলো নির্বাচনমুখী সমর্থন আদায়ের প্রচেষ্টা কি না রাজনৈতিক মহল ভাবতে শুরু করেছেন।

বি চৌধুরী বলেন, ‘আমরা শান্তি-শৃংখলা, সুশাসন এবং গণতন্ত্রের অবমুক্তি দেখতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তন লক্ষণীয়, তবে সমালোচনার কিছু নেই। যেহেতু এটা এক ধরনের রাজনৈতিক দাবার চাল, নির্বাচনের প্রাক্কালে এগুলো হয়েই থাকে। তাহলে নির্বাচন কি অতি আসন্ন?’

আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট শাহ আহাম্মেদ বাদল, মঞ্জুর রাশেদ, মাহফুজুর রহমান, জানে আলম হাওলাদার, ড. নোমান, আইনুল হক, ওবায়েদুর রহমান মৃধা, বিএম নিজাম, মাওলানা মো. কবীর হোসেন, আমিনুল ইসলাম বুলু, ভূদেব চক্রবর্তী প্রমুখ। আলোচনা শেষে দলীয় শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।