ঢাকা ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

ট্রাম্পের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করলেন জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৭:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মার্চ ২০১৭
  • ৩৫০ বার

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী উরসুলা ভন ডার লিয়েন। তিনি বললেন, তার দেশ ন্যাটোর কাছে অনেক বেশি দেনা এমন অভিযোগ ঠিক নয়। ন্যাটোতে কোনো ডেবট একাউন্ট বা ঋণ সংক্রান্ত একাউন্ট নেই। তবে প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধির প্রতি প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন সিএনএন। এতে বলা হয়, ডনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় সামাল দেয়া যাচ্ছে না। ন্যাটোর অনেক সদস্যই তার প্রতিশ্রুত অর্থ দিচ্ছে না। অনেক দেশই দেনা হয়ে আছে। তিনি দাবি করেছেন ন্যাটোর কাছে জার্মানি প্রচুর অর্থ দেনা আছে (ভ্যাস্ট সামস অব মানি)। এর জবাবে রোববার জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী একটি বিবৃতি দিয়েছেন। এতে তিনি বলেছেন, ন্যাটোতে কোনো ডেবট একাউন্ট নেই। ন্যাটোর প্রতিরক্ষা খাতে যে ব্যয় হয় সে অর্থ যায় জাতিসংঘ শান্তি মিশনে, ইউরোপিয়ান মিশনে এবং আইসিসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন সফর করেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেল। এ সময় যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। তখন ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ন্যাটোর প্রতি কড়া সমর্থন জানান। তবে এক্ষেত্রে ন্যাটোভুক্ত মিত্রদের প্রতিরক্ষা খাতে ন্যায্য অর্থ দেয়া উচিত। তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে অনেক সদস্য দেশই প্রচুর অর্থের দেনা হয়ে আছে। তাই এভাবে অর্থ দেয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত অন্যায্য। এসব দেশকে অবশ্যই তাদের প্রতিশ্রুত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
উল্লেখ্য, চুক্তি অনুযায়ী ন্যাটো সদস্যরা তাদের যার যার জাতীয় প্রবৃদ্ধির শতকরা ২ ভাগ ন্যাটোতে খরচ করতে সম্মত হয়েছে। কিন্তু সেই অর্থ কাঙ্খিত মাত্রায় আসছে না। ন্যাটোর বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৮ সদস্যের এ সংগঠনে মাত্র পাঁচটি দেশ- যুক্তরাষ্ট্র, গ্রিস, পোল্যান্ড, এস্তোনিয়া ও বৃটেন তাদের টার্গেট পূরণ করেছে। তবে অন্যরা ২০২৪ সালের মধ্যে শতকরা ২ ভাগে পৌঁছনোর পরিকল্পনা করছে। এক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মারকেল। এ জন্য তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ট্রাম্প।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

ট্রাম্পের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করলেন জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১১:৫৭:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মার্চ ২০১৭

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী উরসুলা ভন ডার লিয়েন। তিনি বললেন, তার দেশ ন্যাটোর কাছে অনেক বেশি দেনা এমন অভিযোগ ঠিক নয়। ন্যাটোতে কোনো ডেবট একাউন্ট বা ঋণ সংক্রান্ত একাউন্ট নেই। তবে প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধির প্রতি প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন সিএনএন। এতে বলা হয়, ডনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় সামাল দেয়া যাচ্ছে না। ন্যাটোর অনেক সদস্যই তার প্রতিশ্রুত অর্থ দিচ্ছে না। অনেক দেশই দেনা হয়ে আছে। তিনি দাবি করেছেন ন্যাটোর কাছে জার্মানি প্রচুর অর্থ দেনা আছে (ভ্যাস্ট সামস অব মানি)। এর জবাবে রোববার জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী একটি বিবৃতি দিয়েছেন। এতে তিনি বলেছেন, ন্যাটোতে কোনো ডেবট একাউন্ট নেই। ন্যাটোর প্রতিরক্ষা খাতে যে ব্যয় হয় সে অর্থ যায় জাতিসংঘ শান্তি মিশনে, ইউরোপিয়ান মিশনে এবং আইসিসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন সফর করেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেল। এ সময় যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। তখন ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ন্যাটোর প্রতি কড়া সমর্থন জানান। তবে এক্ষেত্রে ন্যাটোভুক্ত মিত্রদের প্রতিরক্ষা খাতে ন্যায্য অর্থ দেয়া উচিত। তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে অনেক সদস্য দেশই প্রচুর অর্থের দেনা হয়ে আছে। তাই এভাবে অর্থ দেয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত অন্যায্য। এসব দেশকে অবশ্যই তাদের প্রতিশ্রুত অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
উল্লেখ্য, চুক্তি অনুযায়ী ন্যাটো সদস্যরা তাদের যার যার জাতীয় প্রবৃদ্ধির শতকরা ২ ভাগ ন্যাটোতে খরচ করতে সম্মত হয়েছে। কিন্তু সেই অর্থ কাঙ্খিত মাত্রায় আসছে না। ন্যাটোর বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৮ সদস্যের এ সংগঠনে মাত্র পাঁচটি দেশ- যুক্তরাষ্ট্র, গ্রিস, পোল্যান্ড, এস্তোনিয়া ও বৃটেন তাদের টার্গেট পূরণ করেছে। তবে অন্যরা ২০২৪ সালের মধ্যে শতকরা ২ ভাগে পৌঁছনোর পরিকল্পনা করছে। এক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মারকেল। এ জন্য তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ট্রাম্প।