ঢাকা ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

৪৩ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে জামায়াত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২০:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মার্চ ২০১৭
  • ২৯৬ বার

নির্বাচন কমিশন থেকে নিবন্ধন না থাকলেও এবং সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে দলীয় প্রতীক হারালেও আগামী একাদশ নির্বাচনের প্রস্তুতি থেমে নেই জামায়াতে ইসলামীর। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন না করার ঘোষণা দিলেও আগেই নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছে দলটি। গত নির্বাচনে ৩৯টি আসনে নির্বাচন করলেও আগামী নির্বাচনে অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি আসনে ২০ দলীয় জোটের মনোনয়ন চাইবে দলটি। তবে জামায়াত সূত্র নিশ্চিত করেছে, ৪৩ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত।

জামায়াতের নীতি নির্ধারক পর্যায়ের এক নেতা বলেন, অন্তত ৬০ আসনে জোটের মনোনয়ন চাইবেন তারা। দলের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির নেতাদের বেশিরভাগই কারাগারে। বাকিরা পলাতক। দলীয় নিবন্ধন আদালতের রায়ে অবৈধ ঘোষিত হয়েছে। এরপরও বিএনপি জামায়াতকে এতগুলো আসনে ছাড় দেবে কি না এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আন্দোলনে জামায়াত সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে। জান ও মাল দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। নির্দলীয় সরকারের দাবিতে আগামী দিনের আন্দোলনেও জামায়াত সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করবে। ত্যাগের বিবেচনায় ৬০ আসন কিছুই নয়।’

সর্বশেষ ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৩৯টি আসনে নির্বাচন করে জামায়াত। এর মধ্যে ৩৪টিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের মনোনয়ন পান জামায়াত প্রার্থীরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩, রাজশাহী-৩, সিরাজগঞ্জ-৪ ও মেহেরপুর-১ আসনে বিএনপি-জামায়াত দু’দলই প্রার্থী দেয়। বরগুনা-২ আসনে প্রার্থী দিয়েও নির্বাচনের চার দিন আগে বিএনপির সঙ্গে সমঝোতায় সরে দাঁড়ায়। ২০০১ সালের নির্বাচনে ৩০টি আসনে জোটের মনোনয়ন পায় জামায়াত। আর চট্টগ্রাম-১৪ আসনে বিএনপি-জামায়াত দু’দলেরই প্রার্থী ছিল। এবারও দাবি করা আসনে জোটের মনোনয়ন না পেলে ছাড় দেবে না জামায়াত।

জামায়াত সূত্রগুলো নিশ্চিত করে, ৪৩টি আসনে তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত। তারা হলেন এম এ হাকিম ঠাকুরগাঁও-২, মোহাম্মদ হানিফ দিনাজপুর-১, আনোয়ারুল ইসলাম দিনাজপুর-৬, মনিরুজ্জামান মন্টু নীলফামারী-২, আজিজুল ইসলাম নীলফামারী-৩, হাবিবুর রহমান লালমনিরহাট-১, শাহ হাফিজুর রহমান রংপুর-৫, নূর আলম মুকুল কুড়িগ্রাম-৪, আবদুল আজিজ গাইবান্ধা-১, নজরুল ইসলাম গাইবান্ধা-৩, আবদুর রহিম সরকার গাইবান্ধা-৪, নুরুল ইসলাম বুলবুল চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২, মো. লতিফুর রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩, আতাউর রহমান রাজশাহী-৩, রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জ-৪, আলী আলম সিরাজগঞ্জ-৫, মতিউর রহমান নিজামী পাবনা-১, মাওলানা আবদুস সোবহান পাবনা-৫, ছমিরউদ্দিন মেহেরপুর-১, মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান চুয়াডাঙ্গা-২, মতিয়ার রহমান ঝিনাইদহ-৩, আজিজুর রহমান যশোর-১, আবু সাইদ মুহাম্মদ সাদাত হোসাইন যশোর-২, অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াদুদ বাগেরহাট-৩, শহীদুল ইসলাম বাগেরহাট-৪, মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনা-৫, শাহ মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুছ খুলনা-৬, ইজ্জতউল্লাহ সাতক্ষীরা-১, আবদুল খালেক মণ্ডল সাতক্ষীরা-২, মুফতি রবিউল বাশার সাতক্ষীরা-৩, গাজী নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা-৪, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী অথবা তার দুই ছেলে পিরোজপুর-১ ও ২, শফিকুল ইসলাম মাসুদ পটুয়াখালী-২, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান অথবা তার ছেলে শেরপুর-১, অধ্যাপক জসিমউদ্দিন ময়মনসিংহ-৬, ফরীদউদ্দিন সিলেট-৫, মাওলানা হাবিবুর রহমান সিলেট-৬, ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের কুমিল্লা-১১, শামসুল ইসলাম চট্টগ্রাম-১৪, হামিদুর রহমান আযাদ কক্সবাজার-২ ও শাহজালাল চৌধুরী কক্সবাজার-৪। এ আসনগুলোর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২, সিরাজগঞ্জ-৫, ময়মনসিংহ-৬, সাতক্ষীরা-১, পটুয়াখালী-২, কক্সবাজার-৪ এই ছয়টি আসনে জামায়াত নতুন করে লড়তে যাচ্ছে। গত নির্বাচনে এ আসনগুলোতে জামায়াতের প্রার্থী ছিল না। তবে ময়মনসিংহ-৬ আসনে ২০০১ সালে জামায়াত প্রার্থী জোটের মনোনয়ন পেয়েও পরাজিত হন। সিরাজগঞ্জ-৫ ও কক্সবাজার-৪ আসনে জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থীরা বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান। এ কারণেই আসন দুটিতে ছাড় দিতে নারাজ তারা।পূর্বপশ্চিম

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

৪৩ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে জামায়াত

আপডেট টাইম : ১২:২০:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মার্চ ২০১৭

নির্বাচন কমিশন থেকে নিবন্ধন না থাকলেও এবং সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে দলীয় প্রতীক হারালেও আগামী একাদশ নির্বাচনের প্রস্তুতি থেমে নেই জামায়াতে ইসলামীর। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন না করার ঘোষণা দিলেও আগেই নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করেছে দলটি। গত নির্বাচনে ৩৯টি আসনে নির্বাচন করলেও আগামী নির্বাচনে অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি আসনে ২০ দলীয় জোটের মনোনয়ন চাইবে দলটি। তবে জামায়াত সূত্র নিশ্চিত করেছে, ৪৩ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত।

জামায়াতের নীতি নির্ধারক পর্যায়ের এক নেতা বলেন, অন্তত ৬০ আসনে জোটের মনোনয়ন চাইবেন তারা। দলের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির নেতাদের বেশিরভাগই কারাগারে। বাকিরা পলাতক। দলীয় নিবন্ধন আদালতের রায়ে অবৈধ ঘোষিত হয়েছে। এরপরও বিএনপি জামায়াতকে এতগুলো আসনে ছাড় দেবে কি না এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আন্দোলনে জামায়াত সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে। জান ও মাল দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। নির্দলীয় সরকারের দাবিতে আগামী দিনের আন্দোলনেও জামায়াত সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করবে। ত্যাগের বিবেচনায় ৬০ আসন কিছুই নয়।’

সর্বশেষ ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৩৯টি আসনে নির্বাচন করে জামায়াত। এর মধ্যে ৩৪টিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের মনোনয়ন পান জামায়াত প্রার্থীরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩, রাজশাহী-৩, সিরাজগঞ্জ-৪ ও মেহেরপুর-১ আসনে বিএনপি-জামায়াত দু’দলই প্রার্থী দেয়। বরগুনা-২ আসনে প্রার্থী দিয়েও নির্বাচনের চার দিন আগে বিএনপির সঙ্গে সমঝোতায় সরে দাঁড়ায়। ২০০১ সালের নির্বাচনে ৩০টি আসনে জোটের মনোনয়ন পায় জামায়াত। আর চট্টগ্রাম-১৪ আসনে বিএনপি-জামায়াত দু’দলেরই প্রার্থী ছিল। এবারও দাবি করা আসনে জোটের মনোনয়ন না পেলে ছাড় দেবে না জামায়াত।

জামায়াত সূত্রগুলো নিশ্চিত করে, ৪৩টি আসনে তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত। তারা হলেন এম এ হাকিম ঠাকুরগাঁও-২, মোহাম্মদ হানিফ দিনাজপুর-১, আনোয়ারুল ইসলাম দিনাজপুর-৬, মনিরুজ্জামান মন্টু নীলফামারী-২, আজিজুল ইসলাম নীলফামারী-৩, হাবিবুর রহমান লালমনিরহাট-১, শাহ হাফিজুর রহমান রংপুর-৫, নূর আলম মুকুল কুড়িগ্রাম-৪, আবদুল আজিজ গাইবান্ধা-১, নজরুল ইসলাম গাইবান্ধা-৩, আবদুর রহিম সরকার গাইবান্ধা-৪, নুরুল ইসলাম বুলবুল চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২, মো. লতিফুর রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩, আতাউর রহমান রাজশাহী-৩, রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জ-৪, আলী আলম সিরাজগঞ্জ-৫, মতিউর রহমান নিজামী পাবনা-১, মাওলানা আবদুস সোবহান পাবনা-৫, ছমিরউদ্দিন মেহেরপুর-১, মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান চুয়াডাঙ্গা-২, মতিয়ার রহমান ঝিনাইদহ-৩, আজিজুর রহমান যশোর-১, আবু সাইদ মুহাম্মদ সাদাত হোসাইন যশোর-২, অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াদুদ বাগেরহাট-৩, শহীদুল ইসলাম বাগেরহাট-৪, মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনা-৫, শাহ মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুছ খুলনা-৬, ইজ্জতউল্লাহ সাতক্ষীরা-১, আবদুল খালেক মণ্ডল সাতক্ষীরা-২, মুফতি রবিউল বাশার সাতক্ষীরা-৩, গাজী নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা-৪, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী অথবা তার দুই ছেলে পিরোজপুর-১ ও ২, শফিকুল ইসলাম মাসুদ পটুয়াখালী-২, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান অথবা তার ছেলে শেরপুর-১, অধ্যাপক জসিমউদ্দিন ময়মনসিংহ-৬, ফরীদউদ্দিন সিলেট-৫, মাওলানা হাবিবুর রহমান সিলেট-৬, ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের কুমিল্লা-১১, শামসুল ইসলাম চট্টগ্রাম-১৪, হামিদুর রহমান আযাদ কক্সবাজার-২ ও শাহজালাল চৌধুরী কক্সবাজার-৪। এ আসনগুলোর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২, সিরাজগঞ্জ-৫, ময়মনসিংহ-৬, সাতক্ষীরা-১, পটুয়াখালী-২, কক্সবাজার-৪ এই ছয়টি আসনে জামায়াত নতুন করে লড়তে যাচ্ছে। গত নির্বাচনে এ আসনগুলোতে জামায়াতের প্রার্থী ছিল না। তবে ময়মনসিংহ-৬ আসনে ২০০১ সালে জামায়াত প্রার্থী জোটের মনোনয়ন পেয়েও পরাজিত হন। সিরাজগঞ্জ-৫ ও কক্সবাজার-৪ আসনে জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থীরা বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান। এ কারণেই আসন দুটিতে ছাড় দিতে নারাজ তারা।পূর্বপশ্চিম