ঢাকা ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

সাংবিধানিক পদে গোপনীয়তার কোনো সুযোগ নাই দেয়াও শুদ্ধ নয় অন্যায় : মেজর (অব.) আখতার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • ৪৪১ বার

জনগণ সবার নাম জানতে চায়। সাংবিধানিক পদে রাজনৈতিক দল কেন গোপনে নাম দেবে, এ প্রশ্ন আজকে দেশের জনগণের। রাজনৈতিক দলতো কোনো গোপন সংগঠন নয় বা সরকারের অধীনস্থ কোনো প্রতিষ্ঠান নয় যে তাদের রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। রাজনৈতিক দল যা কিছু তা প্রকাশ্যে করবে, জনগণের সামনে করবে। তারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। রাজনৈতিক দল তাদের নিজেদের প্রয়োজনেতো কিছু করে না। যা করে তা জনগণের কল্যাণে এবং জনস্বার্থে করে। রাজনৈতিক দলের প্রতিটি কাজে জনসমর্থন থাকতে হবে। কাজেই রাজনৈতিক দলগুলো সাংবিধানিক পদ নির্বাচন কমিশনে কাদের বসাতে চায় এবং যাদের বসাবে তারা জনগণের কী কল্যাণে আসবে বা কী স্বার্থ রক্ষা করবে তা জানার সম্পূর্ণ অধিকার জনগণের রয়েছে। সকল সাংবিধানিক পদ যেমন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য , স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, প্রধান বিচারপতি সবার নাম প্রকাশ্যে আলোচিত হয়, তাদের প্রতি প্রচ্ছন্ন জনমত থাকে, তাদের পক্ষে বিপক্ষে জনগণের অভিমত পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হতে পারে। তাদেরকে নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা ও সমালোচনা হয় যার ফলে তাদের প্রতি জনমত সৃষ্টি হয়।

তাই সকল সাংবিধানিক পদে গোপনীয়তার কোনো সুযোগ নাই এবং গোপনে কোনো নাম দেয়াও শুদ্ধ নয়। তাহলে নির্বাচন কমিশনের বেলায় রাজনৈতিক দলগুলি কেন গোপনভাবে নাম দেবে বা নাম দেবার পরেও তা গোপন রাখা হবে? সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। কাজেই জনগণের অভিপ্রায় ছাড়া রাষ্ট্রের কোনো কাজ বৈধ ও সঠিক হতে পারে না। তাছাড়া দেশে তথ্য অধিকার আইন বলবৎ আছে সেখানে গোপনে কিছু করার আইনগত অধিকার সরকারের নাই।
সার্চ কমিটি অন্য কারও সঙ্গে আলোচনা না করে বা কোনো রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে নাম না নিয়ে নিজেরা আলোচনা করে যদি কোনো নাম নির্ধারণ করতো তাহলে এই প্রশ্ন আজকে উঠতো না। এখানে নাম নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে কাজেই এখানে নামের গোপনীয়তা সরকার কোনো অবস্থাতেই রাখতে পারে না। তাই আমি দেশের একজন নাগরিক হিসাবে সংবিধান ও তথ্য অধিকার আইনে অবিলম্বে রাজনৈতিক দলগুলোর দেয়া নাম প্রকাশ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি এবং এ ব্যাপারে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
লেখক: অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও সাবেক সংসদ সদস্য

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

সাংবিধানিক পদে গোপনীয়তার কোনো সুযোগ নাই দেয়াও শুদ্ধ নয় অন্যায় : মেজর (অব.) আখতার

আপডেট টাইম : ১২:০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

জনগণ সবার নাম জানতে চায়। সাংবিধানিক পদে রাজনৈতিক দল কেন গোপনে নাম দেবে, এ প্রশ্ন আজকে দেশের জনগণের। রাজনৈতিক দলতো কোনো গোপন সংগঠন নয় বা সরকারের অধীনস্থ কোনো প্রতিষ্ঠান নয় যে তাদের রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। রাজনৈতিক দল যা কিছু তা প্রকাশ্যে করবে, জনগণের সামনে করবে। তারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। রাজনৈতিক দল তাদের নিজেদের প্রয়োজনেতো কিছু করে না। যা করে তা জনগণের কল্যাণে এবং জনস্বার্থে করে। রাজনৈতিক দলের প্রতিটি কাজে জনসমর্থন থাকতে হবে। কাজেই রাজনৈতিক দলগুলো সাংবিধানিক পদ নির্বাচন কমিশনে কাদের বসাতে চায় এবং যাদের বসাবে তারা জনগণের কী কল্যাণে আসবে বা কী স্বার্থ রক্ষা করবে তা জানার সম্পূর্ণ অধিকার জনগণের রয়েছে। সকল সাংবিধানিক পদ যেমন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য , স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, প্রধান বিচারপতি সবার নাম প্রকাশ্যে আলোচিত হয়, তাদের প্রতি প্রচ্ছন্ন জনমত থাকে, তাদের পক্ষে বিপক্ষে জনগণের অভিমত পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হতে পারে। তাদেরকে নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা ও সমালোচনা হয় যার ফলে তাদের প্রতি জনমত সৃষ্টি হয়।

তাই সকল সাংবিধানিক পদে গোপনীয়তার কোনো সুযোগ নাই এবং গোপনে কোনো নাম দেয়াও শুদ্ধ নয়। তাহলে নির্বাচন কমিশনের বেলায় রাজনৈতিক দলগুলি কেন গোপনভাবে নাম দেবে বা নাম দেবার পরেও তা গোপন রাখা হবে? সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। কাজেই জনগণের অভিপ্রায় ছাড়া রাষ্ট্রের কোনো কাজ বৈধ ও সঠিক হতে পারে না। তাছাড়া দেশে তথ্য অধিকার আইন বলবৎ আছে সেখানে গোপনে কিছু করার আইনগত অধিকার সরকারের নাই।
সার্চ কমিটি অন্য কারও সঙ্গে আলোচনা না করে বা কোনো রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে নাম না নিয়ে নিজেরা আলোচনা করে যদি কোনো নাম নির্ধারণ করতো তাহলে এই প্রশ্ন আজকে উঠতো না। এখানে নাম নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে কাজেই এখানে নামের গোপনীয়তা সরকার কোনো অবস্থাতেই রাখতে পারে না। তাই আমি দেশের একজন নাগরিক হিসাবে সংবিধান ও তথ্য অধিকার আইনে অবিলম্বে রাজনৈতিক দলগুলোর দেয়া নাম প্রকাশ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি এবং এ ব্যাপারে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
লেখক: অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও সাবেক সংসদ সদস্য