ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

সাংবিধানিক পদে গোপনীয়তার কোনো সুযোগ নাই দেয়াও শুদ্ধ নয় অন্যায় : মেজর (অব.) আখতার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • ৪৩১ বার

জনগণ সবার নাম জানতে চায়। সাংবিধানিক পদে রাজনৈতিক দল কেন গোপনে নাম দেবে, এ প্রশ্ন আজকে দেশের জনগণের। রাজনৈতিক দলতো কোনো গোপন সংগঠন নয় বা সরকারের অধীনস্থ কোনো প্রতিষ্ঠান নয় যে তাদের রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। রাজনৈতিক দল যা কিছু তা প্রকাশ্যে করবে, জনগণের সামনে করবে। তারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। রাজনৈতিক দল তাদের নিজেদের প্রয়োজনেতো কিছু করে না। যা করে তা জনগণের কল্যাণে এবং জনস্বার্থে করে। রাজনৈতিক দলের প্রতিটি কাজে জনসমর্থন থাকতে হবে। কাজেই রাজনৈতিক দলগুলো সাংবিধানিক পদ নির্বাচন কমিশনে কাদের বসাতে চায় এবং যাদের বসাবে তারা জনগণের কী কল্যাণে আসবে বা কী স্বার্থ রক্ষা করবে তা জানার সম্পূর্ণ অধিকার জনগণের রয়েছে। সকল সাংবিধানিক পদ যেমন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য , স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, প্রধান বিচারপতি সবার নাম প্রকাশ্যে আলোচিত হয়, তাদের প্রতি প্রচ্ছন্ন জনমত থাকে, তাদের পক্ষে বিপক্ষে জনগণের অভিমত পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হতে পারে। তাদেরকে নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা ও সমালোচনা হয় যার ফলে তাদের প্রতি জনমত সৃষ্টি হয়।

তাই সকল সাংবিধানিক পদে গোপনীয়তার কোনো সুযোগ নাই এবং গোপনে কোনো নাম দেয়াও শুদ্ধ নয়। তাহলে নির্বাচন কমিশনের বেলায় রাজনৈতিক দলগুলি কেন গোপনভাবে নাম দেবে বা নাম দেবার পরেও তা গোপন রাখা হবে? সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। কাজেই জনগণের অভিপ্রায় ছাড়া রাষ্ট্রের কোনো কাজ বৈধ ও সঠিক হতে পারে না। তাছাড়া দেশে তথ্য অধিকার আইন বলবৎ আছে সেখানে গোপনে কিছু করার আইনগত অধিকার সরকারের নাই।
সার্চ কমিটি অন্য কারও সঙ্গে আলোচনা না করে বা কোনো রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে নাম না নিয়ে নিজেরা আলোচনা করে যদি কোনো নাম নির্ধারণ করতো তাহলে এই প্রশ্ন আজকে উঠতো না। এখানে নাম নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে কাজেই এখানে নামের গোপনীয়তা সরকার কোনো অবস্থাতেই রাখতে পারে না। তাই আমি দেশের একজন নাগরিক হিসাবে সংবিধান ও তথ্য অধিকার আইনে অবিলম্বে রাজনৈতিক দলগুলোর দেয়া নাম প্রকাশ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি এবং এ ব্যাপারে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
লেখক: অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও সাবেক সংসদ সদস্য

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

সাংবিধানিক পদে গোপনীয়তার কোনো সুযোগ নাই দেয়াও শুদ্ধ নয় অন্যায় : মেজর (অব.) আখতার

আপডেট টাইম : ১২:০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

জনগণ সবার নাম জানতে চায়। সাংবিধানিক পদে রাজনৈতিক দল কেন গোপনে নাম দেবে, এ প্রশ্ন আজকে দেশের জনগণের। রাজনৈতিক দলতো কোনো গোপন সংগঠন নয় বা সরকারের অধীনস্থ কোনো প্রতিষ্ঠান নয় যে তাদের রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। রাজনৈতিক দল যা কিছু তা প্রকাশ্যে করবে, জনগণের সামনে করবে। তারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। রাজনৈতিক দল তাদের নিজেদের প্রয়োজনেতো কিছু করে না। যা করে তা জনগণের কল্যাণে এবং জনস্বার্থে করে। রাজনৈতিক দলের প্রতিটি কাজে জনসমর্থন থাকতে হবে। কাজেই রাজনৈতিক দলগুলো সাংবিধানিক পদ নির্বাচন কমিশনে কাদের বসাতে চায় এবং যাদের বসাবে তারা জনগণের কী কল্যাণে আসবে বা কী স্বার্থ রক্ষা করবে তা জানার সম্পূর্ণ অধিকার জনগণের রয়েছে। সকল সাংবিধানিক পদ যেমন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য , স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, প্রধান বিচারপতি সবার নাম প্রকাশ্যে আলোচিত হয়, তাদের প্রতি প্রচ্ছন্ন জনমত থাকে, তাদের পক্ষে বিপক্ষে জনগণের অভিমত পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হতে পারে। তাদেরকে নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা ও সমালোচনা হয় যার ফলে তাদের প্রতি জনমত সৃষ্টি হয়।

তাই সকল সাংবিধানিক পদে গোপনীয়তার কোনো সুযোগ নাই এবং গোপনে কোনো নাম দেয়াও শুদ্ধ নয়। তাহলে নির্বাচন কমিশনের বেলায় রাজনৈতিক দলগুলি কেন গোপনভাবে নাম দেবে বা নাম দেবার পরেও তা গোপন রাখা হবে? সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। কাজেই জনগণের অভিপ্রায় ছাড়া রাষ্ট্রের কোনো কাজ বৈধ ও সঠিক হতে পারে না। তাছাড়া দেশে তথ্য অধিকার আইন বলবৎ আছে সেখানে গোপনে কিছু করার আইনগত অধিকার সরকারের নাই।
সার্চ কমিটি অন্য কারও সঙ্গে আলোচনা না করে বা কোনো রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে নাম না নিয়ে নিজেরা আলোচনা করে যদি কোনো নাম নির্ধারণ করতো তাহলে এই প্রশ্ন আজকে উঠতো না। এখানে নাম নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে কাজেই এখানে নামের গোপনীয়তা সরকার কোনো অবস্থাতেই রাখতে পারে না। তাই আমি দেশের একজন নাগরিক হিসাবে সংবিধান ও তথ্য অধিকার আইনে অবিলম্বে রাজনৈতিক দলগুলোর দেয়া নাম প্রকাশ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি এবং এ ব্যাপারে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
লেখক: অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও সাবেক সংসদ সদস্য