ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৬২৩, নিখোঁজ ২৪৮২ অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, আ.লীগ পুনর্বাসনের কারিগর কে এই ফিরোজ জেনে নিন বিনাখরচে কিভাবে মালয়েশিয়ায় যাওয়া যাবে নেপালে শুটিংয়ে গিয়ে তাণ্ডবের মুখোমুখি অপু, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা ৪২ কি.মি. যানজট: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আটকা শত শত গাড়ি ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব উপজেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ এনসিপির সারা দেশে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আইরিন খান ১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগের’ খিচুড়ি, খেলেই নাকি রোগমুক্তি ও সন্তান লাভ

সাংবিধানিক পদে গোপনীয়তার কোনো সুযোগ নাই দেয়াও শুদ্ধ নয় অন্যায় : মেজর (অব.) আখতার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • ৪৪৭ বার

জনগণ সবার নাম জানতে চায়। সাংবিধানিক পদে রাজনৈতিক দল কেন গোপনে নাম দেবে, এ প্রশ্ন আজকে দেশের জনগণের। রাজনৈতিক দলতো কোনো গোপন সংগঠন নয় বা সরকারের অধীনস্থ কোনো প্রতিষ্ঠান নয় যে তাদের রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। রাজনৈতিক দল যা কিছু তা প্রকাশ্যে করবে, জনগণের সামনে করবে। তারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। রাজনৈতিক দল তাদের নিজেদের প্রয়োজনেতো কিছু করে না। যা করে তা জনগণের কল্যাণে এবং জনস্বার্থে করে। রাজনৈতিক দলের প্রতিটি কাজে জনসমর্থন থাকতে হবে। কাজেই রাজনৈতিক দলগুলো সাংবিধানিক পদ নির্বাচন কমিশনে কাদের বসাতে চায় এবং যাদের বসাবে তারা জনগণের কী কল্যাণে আসবে বা কী স্বার্থ রক্ষা করবে তা জানার সম্পূর্ণ অধিকার জনগণের রয়েছে। সকল সাংবিধানিক পদ যেমন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য , স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, প্রধান বিচারপতি সবার নাম প্রকাশ্যে আলোচিত হয়, তাদের প্রতি প্রচ্ছন্ন জনমত থাকে, তাদের পক্ষে বিপক্ষে জনগণের অভিমত পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হতে পারে। তাদেরকে নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা ও সমালোচনা হয় যার ফলে তাদের প্রতি জনমত সৃষ্টি হয়।

তাই সকল সাংবিধানিক পদে গোপনীয়তার কোনো সুযোগ নাই এবং গোপনে কোনো নাম দেয়াও শুদ্ধ নয়। তাহলে নির্বাচন কমিশনের বেলায় রাজনৈতিক দলগুলি কেন গোপনভাবে নাম দেবে বা নাম দেবার পরেও তা গোপন রাখা হবে? সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। কাজেই জনগণের অভিপ্রায় ছাড়া রাষ্ট্রের কোনো কাজ বৈধ ও সঠিক হতে পারে না। তাছাড়া দেশে তথ্য অধিকার আইন বলবৎ আছে সেখানে গোপনে কিছু করার আইনগত অধিকার সরকারের নাই।
সার্চ কমিটি অন্য কারও সঙ্গে আলোচনা না করে বা কোনো রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে নাম না নিয়ে নিজেরা আলোচনা করে যদি কোনো নাম নির্ধারণ করতো তাহলে এই প্রশ্ন আজকে উঠতো না। এখানে নাম নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে কাজেই এখানে নামের গোপনীয়তা সরকার কোনো অবস্থাতেই রাখতে পারে না। তাই আমি দেশের একজন নাগরিক হিসাবে সংবিধান ও তথ্য অধিকার আইনে অবিলম্বে রাজনৈতিক দলগুলোর দেয়া নাম প্রকাশ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি এবং এ ব্যাপারে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
লেখক: অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও সাবেক সংসদ সদস্য

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে

সাংবিধানিক পদে গোপনীয়তার কোনো সুযোগ নাই দেয়াও শুদ্ধ নয় অন্যায় : মেজর (অব.) আখতার

আপডেট টাইম : ১২:০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

জনগণ সবার নাম জানতে চায়। সাংবিধানিক পদে রাজনৈতিক দল কেন গোপনে নাম দেবে, এ প্রশ্ন আজকে দেশের জনগণের। রাজনৈতিক দলতো কোনো গোপন সংগঠন নয় বা সরকারের অধীনস্থ কোনো প্রতিষ্ঠান নয় যে তাদের রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। রাজনৈতিক দল যা কিছু তা প্রকাশ্যে করবে, জনগণের সামনে করবে। তারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। রাজনৈতিক দল তাদের নিজেদের প্রয়োজনেতো কিছু করে না। যা করে তা জনগণের কল্যাণে এবং জনস্বার্থে করে। রাজনৈতিক দলের প্রতিটি কাজে জনসমর্থন থাকতে হবে। কাজেই রাজনৈতিক দলগুলো সাংবিধানিক পদ নির্বাচন কমিশনে কাদের বসাতে চায় এবং যাদের বসাবে তারা জনগণের কী কল্যাণে আসবে বা কী স্বার্থ রক্ষা করবে তা জানার সম্পূর্ণ অধিকার জনগণের রয়েছে। সকল সাংবিধানিক পদ যেমন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য , স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, প্রধান বিচারপতি সবার নাম প্রকাশ্যে আলোচিত হয়, তাদের প্রতি প্রচ্ছন্ন জনমত থাকে, তাদের পক্ষে বিপক্ষে জনগণের অভিমত পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হতে পারে। তাদেরকে নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা ও সমালোচনা হয় যার ফলে তাদের প্রতি জনমত সৃষ্টি হয়।

তাই সকল সাংবিধানিক পদে গোপনীয়তার কোনো সুযোগ নাই এবং গোপনে কোনো নাম দেয়াও শুদ্ধ নয়। তাহলে নির্বাচন কমিশনের বেলায় রাজনৈতিক দলগুলি কেন গোপনভাবে নাম দেবে বা নাম দেবার পরেও তা গোপন রাখা হবে? সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। কাজেই জনগণের অভিপ্রায় ছাড়া রাষ্ট্রের কোনো কাজ বৈধ ও সঠিক হতে পারে না। তাছাড়া দেশে তথ্য অধিকার আইন বলবৎ আছে সেখানে গোপনে কিছু করার আইনগত অধিকার সরকারের নাই।
সার্চ কমিটি অন্য কারও সঙ্গে আলোচনা না করে বা কোনো রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে নাম না নিয়ে নিজেরা আলোচনা করে যদি কোনো নাম নির্ধারণ করতো তাহলে এই প্রশ্ন আজকে উঠতো না। এখানে নাম নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে কাজেই এখানে নামের গোপনীয়তা সরকার কোনো অবস্থাতেই রাখতে পারে না। তাই আমি দেশের একজন নাগরিক হিসাবে সংবিধান ও তথ্য অধিকার আইনে অবিলম্বে রাজনৈতিক দলগুলোর দেয়া নাম প্রকাশ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি এবং এ ব্যাপারে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
লেখক: অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও সাবেক সংসদ সদস্য