ঢাকা ০১:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দল-মতের পার্থক্য ভুলে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ত্বরান্বিত করুন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৩৯:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৭
  • ৫৩০ বার

গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে থেকে অগ্রযাত্রার আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবরূপ দিতে সরকারের প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে মন্তব্য করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, শান্তি, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির যে পথে আমরা হাঁটছি, সেই পথ ধরেই বাংলাদেশ আরো বহুদূর এগিয়ে যাবে। বিশ্বসভায় একটি উন্নত দেশ হিসাবে আপন মহিমায় উদ্ভাসিত হবে। তিনি ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে এবং দল-মত-পথের পার্থক্য ভুলে জাতির গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
রোববার জাতীয় সংসদে ২০১৭ সালের প্রথম অধিবেশন উপলক্ষে তিনি ভাষণ দেন।
কোনো সংসদের নতুন বছরের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেয়ার বিধান রয়েছে। তিনি যে ভাষণ দেন পুরো অধিবেশন জুড়ে তার ওপর আলোচনা করবেন এমপিরা। রোববার সংসদের মুলতবি বৈঠক শুরুর পরে স্পিকার রাষ্ট্রপতির আগমনের ঘোষণা দিলে সশস্ত্র বাহিনীর একটি বাদ্যদল বিউগলে ‘ফ্যানফেয়ার’ বাজিয়ে তাকে সম্ভাষণ জানান। সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতির ঢোকার পর নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়। সংসদে তার জন্য স্পিকারের ডান পাশে লাল রঙের গদি সম্বলিত চেয়ার রাখা হয়।
স্পিকারের ঘোষণার পর ১১৯ পৃষ্ঠার লিখিত ভাষণের সংক্ষিপ্ত সার পড়া শুরু করেন রাষ্ট্রপতি। ভাষণে রাষ্ট্রপতি অর্থনীতি, বাণিজ্য-বিনিয়োগ, খাদ্য-কৃষি, পরিবেশ-জলবায়ু, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে সরকারের কার্যক্রম ও সাফল্য তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতা সমুন্নত ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুজ্জ্বল রাখতে, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন সুদৃঢ় করতে দেশ থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে বাঙালি জাতিকে আবারো ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস গ্রহণ করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্য-আয়ের, জ্ঞানভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধিশালী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যে নিম্নমধ্য-আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। এখন জাতির দৃষ্টি নিবদ্ধ রয়েছে ২০৪১ সালের দিকে, বিশ্বসভায় একটি উন্নত দেশের মর্যাদায় অভিষিক্ত হওয়ার মানসে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি সরকার উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রেখে জাতির আকাঙ্ক্ষা পূরণে সক্ষম হবে।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়টি তুলে ধরে আব্দুল হামিদ বলেন, সরকার পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। ৬ দশমিক এক-পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন-কাজ এগিয়ে চলেছে। ২০১৮ সালের শেষ নাগাদ এ সেতু যানবাহন পারাপারের জন্য খুলে দেয়া সম্ভব হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দল-মতের পার্থক্য ভুলে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ত্বরান্বিত করুন

আপডেট টাইম : ০৯:৩৯:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৭

গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে থেকে অগ্রযাত্রার আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবরূপ দিতে সরকারের প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে মন্তব্য করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, শান্তি, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির যে পথে আমরা হাঁটছি, সেই পথ ধরেই বাংলাদেশ আরো বহুদূর এগিয়ে যাবে। বিশ্বসভায় একটি উন্নত দেশ হিসাবে আপন মহিমায় উদ্ভাসিত হবে। তিনি ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে এবং দল-মত-পথের পার্থক্য ভুলে জাতির গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
রোববার জাতীয় সংসদে ২০১৭ সালের প্রথম অধিবেশন উপলক্ষে তিনি ভাষণ দেন।
কোনো সংসদের নতুন বছরের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেয়ার বিধান রয়েছে। তিনি যে ভাষণ দেন পুরো অধিবেশন জুড়ে তার ওপর আলোচনা করবেন এমপিরা। রোববার সংসদের মুলতবি বৈঠক শুরুর পরে স্পিকার রাষ্ট্রপতির আগমনের ঘোষণা দিলে সশস্ত্র বাহিনীর একটি বাদ্যদল বিউগলে ‘ফ্যানফেয়ার’ বাজিয়ে তাকে সম্ভাষণ জানান। সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতির ঢোকার পর নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়। সংসদে তার জন্য স্পিকারের ডান পাশে লাল রঙের গদি সম্বলিত চেয়ার রাখা হয়।
স্পিকারের ঘোষণার পর ১১৯ পৃষ্ঠার লিখিত ভাষণের সংক্ষিপ্ত সার পড়া শুরু করেন রাষ্ট্রপতি। ভাষণে রাষ্ট্রপতি অর্থনীতি, বাণিজ্য-বিনিয়োগ, খাদ্য-কৃষি, পরিবেশ-জলবায়ু, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে সরকারের কার্যক্রম ও সাফল্য তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতা সমুন্নত ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুজ্জ্বল রাখতে, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন সুদৃঢ় করতে দেশ থেকে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে বাঙালি জাতিকে আবারো ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস গ্রহণ করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্য-আয়ের, জ্ঞানভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধিশালী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যে নিম্নমধ্য-আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। এখন জাতির দৃষ্টি নিবদ্ধ রয়েছে ২০৪১ সালের দিকে, বিশ্বসভায় একটি উন্নত দেশের মর্যাদায় অভিষিক্ত হওয়ার মানসে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি সরকার উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রেখে জাতির আকাঙ্ক্ষা পূরণে সক্ষম হবে।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়টি তুলে ধরে আব্দুল হামিদ বলেন, সরকার পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। ৬ দশমিক এক-পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন-কাজ এগিয়ে চলেছে। ২০১৮ সালের শেষ নাগাদ এ সেতু যানবাহন পারাপারের জন্য খুলে দেয়া সম্ভব হবে।