ঢাকা ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

গুলিস্তানে উচ্ছেদ ছয়শ দোকান, অক্ষত যুবলীগ কার্যালয়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৬:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৭
  • ৪৯২ বার

গুলশানে কর্মদিবসে হকারদেরকে বসতে দেয়া হবে না-এমন ঘোষণা দিয়ে তা বাস্তবায়নে এবার বেশ আন্তরিক সিটি করপোরেশন। অবৈধ দোকান উচ্ছেদে গত দুই দিন ধরে গুলিস্তান থেকে মতিঝিল পর্যন্ত অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। মানুষের চলার পথ নির্বিঘ্ন করতে গত দুই দিনে উচ্ছেদ হয়েছে এক হাজারেরও বেশি দোকান। কিন্তু উচ্ছেদ করা গেল না গুলিস্তানে যুবলীগের একটি অবৈধ কার্যালয়।

গুলিস্তান মোড় থেকে নবাবপুর রোডে ডানপাশের ফুটপাত ধরে চলতে গেলেই দেখা মিলবে ২০নং ওয়ার্ড যুবলীগের এক নম্বর ইউনিটের কার্যালয়টি। চলার পথে ওই কার্যালয়টি কবে নির্মাণ করা হয়েছে সেটি বলতে পারছেন না কেউ। তবে সেখানে নিত্যদিন ক্ষমতাসীন দলের কর্মীরা আড্ডা দেন। খবর ঢাকাটাইমস’র।

উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এই কার্যালয়টি উচ্ছেদের নির্দেশ দেন সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খান মোহাম্মদ নাজমুস সোয়েব। তবে তিনি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই আদেশ দেননি। অন্য স্থাপনা উচ্ছেদ হলেও এটি কেন এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে-গণমাধ্যমকর্মীদের এমন প্রশ্নের মুখে ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘আমাদের অভিযান শেষ হয়নি, লেটস সি’। এরপর তিনি কার্যালয়টি উচ্ছেদের আদেশ দেন।

কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ান ২০নং ওয়ার্ডের ১নং যুবলীগ ইউনিটের সভাপতি নুর ইসলাম। তিনি নেতাকর্মীদের নিয়ে স্লোগান দিতে দিতে বুলডোজারের সামনে গিয়ে দাঁড়ান। বলেন, ‘এটা যুবলীগের কার্যালয়, এটা ভাঙা যাবে না। আমাদের এই কার্যালয় অবৈধ নয়।’ তাদের বাধার মুখে পিছু হটতে বাধ্য হন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুস সোয়েব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

গুলিস্তানে উচ্ছেদ ছয়শ দোকান, অক্ষত যুবলীগ কার্যালয়

আপডেট টাইম : ১১:০৬:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৭

গুলশানে কর্মদিবসে হকারদেরকে বসতে দেয়া হবে না-এমন ঘোষণা দিয়ে তা বাস্তবায়নে এবার বেশ আন্তরিক সিটি করপোরেশন। অবৈধ দোকান উচ্ছেদে গত দুই দিন ধরে গুলিস্তান থেকে মতিঝিল পর্যন্ত অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। মানুষের চলার পথ নির্বিঘ্ন করতে গত দুই দিনে উচ্ছেদ হয়েছে এক হাজারেরও বেশি দোকান। কিন্তু উচ্ছেদ করা গেল না গুলিস্তানে যুবলীগের একটি অবৈধ কার্যালয়।

গুলিস্তান মোড় থেকে নবাবপুর রোডে ডানপাশের ফুটপাত ধরে চলতে গেলেই দেখা মিলবে ২০নং ওয়ার্ড যুবলীগের এক নম্বর ইউনিটের কার্যালয়টি। চলার পথে ওই কার্যালয়টি কবে নির্মাণ করা হয়েছে সেটি বলতে পারছেন না কেউ। তবে সেখানে নিত্যদিন ক্ষমতাসীন দলের কর্মীরা আড্ডা দেন। খবর ঢাকাটাইমস’র।

উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এই কার্যালয়টি উচ্ছেদের নির্দেশ দেন সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খান মোহাম্মদ নাজমুস সোয়েব। তবে তিনি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই আদেশ দেননি। অন্য স্থাপনা উচ্ছেদ হলেও এটি কেন এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে-গণমাধ্যমকর্মীদের এমন প্রশ্নের মুখে ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘আমাদের অভিযান শেষ হয়নি, লেটস সি’। এরপর তিনি কার্যালয়টি উচ্ছেদের আদেশ দেন।

কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ান ২০নং ওয়ার্ডের ১নং যুবলীগ ইউনিটের সভাপতি নুর ইসলাম। তিনি নেতাকর্মীদের নিয়ে স্লোগান দিতে দিতে বুলডোজারের সামনে গিয়ে দাঁড়ান। বলেন, ‘এটা যুবলীগের কার্যালয়, এটা ভাঙা যাবে না। আমাদের এই কার্যালয় অবৈধ নয়।’ তাদের বাধার মুখে পিছু হটতে বাধ্য হন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুস সোয়েব।