স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদ-পরবর্তী নির্বাচনের আগে এবং আন্দোলনের সময় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ অরাজনৈতিক সংগঠন হওয়া সত্ত্বেও দ্বীনের পক্ষে, দেশের পক্ষে এবং ফ্যাসিবাদী, ইসলামবিদ্বেষী অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে যে প্রতিবাদ জারি রেখেছিলেন, তার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আমিরে হেফাজত হজরত মাওলানা মহিবুল্লাহ বাবুনগরী।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে ২৩ বছর লেগেছে। ফ্যাসিবাদ, ইসলামবিদ্বেষী ও আলেমবিদ্বেষী সরকারের হাত থেকে এ দেশের জনগণকে উদ্ধার করতে ১৬-১৭ বছর লেগেছে।
তিনি আরো বলেন, এ দেশে দুষ্কৃতকারী আছে, যারা ইসলামের নাম বিক্রি করে রাজনীতি করছে। অথচ তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ইসলামের ধারে-কাছেও কিছু নেই। যারা নিজেদের ইসলামী দল বলে ঘোষণা করছে। তাদের দলীয় ম্যানিফেস্টো থেকে ‘আকিমুদ্দিন’ বাদ দেওয়া হয়েছে। তারা মুখে এক কথা বলে, কিন্তু তাদের দলিলে কী প্রমাণ আছে, সেটা বলে না।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, তারা কখনো তাদের ইশতেহারে বলেনি, তারা ইসলামী শাসন চায়। তারা কখনো বলেনি, তারা এ দেশে শরিয়াভিত্তিক আইন-কানুন চায়, শরিয়া চালু করতে চায়। বরং উল্টো বলেছে, তারা শরিয়াভিত্তিক শাসনের বিপক্ষে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাস করি। আমরা ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাস করি। আমরা ‘বিসমিল্লাহ’ সংযোজন করেছি, কোরআন পাঠ করেছি। আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী ইসলামী মূল্যবোধের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করেছি। আমরা এ দেশের সকল জনগোষ্ঠীকে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের সৃষ্টি করেছি, যেখানে আমাদের সবারই একটি জাতীয় পরিচয় আছে।
তিনি বলেন, এ দেশে আমরা কখনো জাতির মধ্যে বিভেদ দেখতে চাই না। যারা ধর্মের নাম বিক্রি করে রাজনীতি করছে, তাদের কার্যক্রমে ধর্মীয় কোনো প্রতিফলন নেই। তারা কেবলই এ দেশে বিভক্তির সৃষ্টি করছে। তারা স্বাধীনতার পূর্ব থেকে স্বাধীনতার পর পর্যন্ত বিভ্রান্তিমূলক রাজনীতি করে এ দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। আবার তারা সেই রাস্তায় গিয়েছে।
বাবুনগর মাদরাসার পরিচালক হেফাজত আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্ব এ সময় উপস্থিত ছিলেন ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন, সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, হুমাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়া, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম ও দেশের শীর্ষ আলেম ওলামারা।
Reporter Name 




















