ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রতিযোগিতা আমি নিজের সঙ্গেই করি : অপু বিশ্বাস ফ্যাসিবাদী আ. লীগের এ দেশে আর রাজনীতির সুযোগ হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে এআই প্রয়োগ ও উদ্ভাবনে সক্ষম দেশে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আমির হামজার ‘নারীসংক্রান্ত অডিও ও ভিডিও’ পাওয়ার দাবি রাশেদ খানের শান্তি ফিরেছে শিল্পাঞ্চলে, ছুটির দিনেও কর্মচাঞ্চল্য জলবায়ু ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৯ কোটি বাস্তুচ্যুত মানুষ আইজেনকোটকে ৬৭ এমপির সমর্থন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন নির্ধারণ রোববার মানবিক মূল্যবোধ, পেশাগত দক্ষতা ও সততাই আইনজীবীর প্রধান শক্তি: আইনমন্ত্রী দুই ধাপে মিলবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, আবেদনের নিয়ম ও ফি জানাল বিআরটিএ বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শোভাযাত্রা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

শান্তি ফিরেছে শিল্পাঞ্চলে, ছুটির দিনেও কর্মচাঞ্চল্য

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:২১:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার

সাম্প্রতিক সময়ে তৈরি পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন, বিক্ষোভ, কারখানায় ভাঙচুর ও সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া তীব্র অস্থিরতা কাটিয়ে সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর এবং নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলগুলোতে আবারও স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে এসেছে। সাভারের নবীনগর, বাইপাইল, জামগড়া, জিরাবো, নিশ্চিন্তপুর, পলাশবাড়ী, কাঠগড়াসহ আশপাশের এলাকা, গাজীপুর এবং নারায়ণগঞ্জের সার্বিক শিল্পাঞ্চল পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ শান্ত রয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও ঢাকার সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে ৮৮টি পোশাক কারখানা চালু রয়েছে। এসব কারখানায় শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন শ্রমিকরা। পুরো শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতিও স্বাভাবিক রয়েছে।

শিল্প পুলিশ জানায়, স্বাভাবিক সময়েও সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কিছু কারখানা খোলা থাকে। বিশেষ করে জরুরি শিপমেন্ট থাকলে সংশ্লিষ্ট কারখানাগুলো উৎপাদন চালু রাখে। একইভাবে শুক্রবারও ৮৮টি কারখানা চালু রয়েছে। এসব কারখানায় সকাল থেকে শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। কোথাও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার তথ্য পাওয়া যায়নি।

শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোয়েব আহম্মেদ বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সাধারণত শুক্রবার ছুটির দিনে কারখানা বন্ধ থাকে। তবে জরুরি প্রয়োজন থাকলে কিছু কারখানা চালু রাখা হয়। শুক্রবারও এ ধরনের ৮৮টি কারখানা চালু রয়েছে। পুরো এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু বলেন, স্বাভাবিক সময়েও নানা জরুরি প্রয়োজনে কিছু কারখানা ছুটির দিনে চালু থাকে। শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। শিল্পাঞ্চলে গতকাল থেকেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। পুরোদমে কাজ শুরু হলেও পরিবেশ শান্তিপূর্ণ থাকবে বলে তাদের প্রত্যাশা।

সাভারে ছুটির দিনে সড়কগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকার পাশাপাশি বাজার ও দোকানপাটে কেনাকাটা করছেন সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের শিল্প এলাকাগুলোতেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় আতঙ্কের পরিবেশ কাটিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা।

সাভার ও আশুলিয়ার স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, কয়েক দিন ধরে চলা সড়ক অবরোধ, যানবাহন ভাঙচুর এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছিলেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় সবাই স্বস্তিতে দৈনন্দিন কাজকর্ম পরিচালনা করছেন।

সচেতন মহল ও ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, পোশাকশিল্প দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হওয়ায় এই খাতের স্বাভাবিক উৎপাদন, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান এবং সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি শ্রমিকদের যেকোনো ন্যায্য দাবি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত এবং কোনো ধরনের উসকানি বা সহিংসতার মাধ্যমে পরিস্থিতি যাতে আবারও অস্থিতিশীল না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

এদিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ড এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, শিল্পাঞ্চলের পরিবেশ এখন শান্ত আছে এবং এই শান্ত পরিবেশকে আর কাউকে অশান্ত করতে দেওয়া হবে না। তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশ সর্বোচ্চ মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছে এবং সরকার ও প্রশাসন শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবির প্রতি সহানুভূতিশীল। তবে শ্রমিকের আবেগকে কাজে লাগিয়ে যারা চক্রান্তের মাধ্যমে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে, কারখানা ভাঙচুর করছে কিংবা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করছে, তারা কোনোভাবেই শ্রমিকের বন্ধু হতে পারে না। এই ধ্বংসাত্মক অপচেষ্টার বিরুদ্ধে পুলিশ, মালিক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও তৈরি পোশাকশিল্পে চলমান এই শ্রমিক অসন্তোষ ও অস্থিরতায় অর্থায়নের অভিযোগে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে অর্থের কোনো অস্বাভাবিক প্রবাহ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে প্রায় ১২৫টি কোম্পানির আর্থিক লেনদেনের তথ্য তলব করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২২৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক গোয়েন্দা নজরদারিতে আনা হয়েছে। এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) ও আয়কর গোয়েন্দা ইউনিট পৃথকভাবে এ অনুসন্ধান চালাচ্ছে। তবে কারখানার উৎপাদন ও শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য কোম্পানিগুলোর হিসাব অবরুদ্ধ না করে কেবল লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

প্রতিযোগিতা আমি নিজের সঙ্গেই করি : অপু বিশ্বাস

শান্তি ফিরেছে শিল্পাঞ্চলে, ছুটির দিনেও কর্মচাঞ্চল্য

আপডেট টাইম : ০৪:২১:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

সাম্প্রতিক সময়ে তৈরি পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন, বিক্ষোভ, কারখানায় ভাঙচুর ও সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া তীব্র অস্থিরতা কাটিয়ে সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর এবং নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলগুলোতে আবারও স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে এসেছে। সাভারের নবীনগর, বাইপাইল, জামগড়া, জিরাবো, নিশ্চিন্তপুর, পলাশবাড়ী, কাঠগড়াসহ আশপাশের এলাকা, গাজীপুর এবং নারায়ণগঞ্জের সার্বিক শিল্পাঞ্চল পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ শান্ত রয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও ঢাকার সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে ৮৮টি পোশাক কারখানা চালু রয়েছে। এসব কারখানায় শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন শ্রমিকরা। পুরো শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতিও স্বাভাবিক রয়েছে।

শিল্প পুলিশ জানায়, স্বাভাবিক সময়েও সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কিছু কারখানা খোলা থাকে। বিশেষ করে জরুরি শিপমেন্ট থাকলে সংশ্লিষ্ট কারখানাগুলো উৎপাদন চালু রাখে। একইভাবে শুক্রবারও ৮৮টি কারখানা চালু রয়েছে। এসব কারখানায় সকাল থেকে শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। কোথাও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার তথ্য পাওয়া যায়নি।

শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোয়েব আহম্মেদ বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সাধারণত শুক্রবার ছুটির দিনে কারখানা বন্ধ থাকে। তবে জরুরি প্রয়োজন থাকলে কিছু কারখানা চালু রাখা হয়। শুক্রবারও এ ধরনের ৮৮টি কারখানা চালু রয়েছে। পুরো এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু বলেন, স্বাভাবিক সময়েও নানা জরুরি প্রয়োজনে কিছু কারখানা ছুটির দিনে চালু থাকে। শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। শিল্পাঞ্চলে গতকাল থেকেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। পুরোদমে কাজ শুরু হলেও পরিবেশ শান্তিপূর্ণ থাকবে বলে তাদের প্রত্যাশা।

সাভারে ছুটির দিনে সড়কগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকার পাশাপাশি বাজার ও দোকানপাটে কেনাকাটা করছেন সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের শিল্প এলাকাগুলোতেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় আতঙ্কের পরিবেশ কাটিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা।

সাভার ও আশুলিয়ার স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, কয়েক দিন ধরে চলা সড়ক অবরোধ, যানবাহন ভাঙচুর এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছিলেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় সবাই স্বস্তিতে দৈনন্দিন কাজকর্ম পরিচালনা করছেন।

সচেতন মহল ও ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, পোশাকশিল্প দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হওয়ায় এই খাতের স্বাভাবিক উৎপাদন, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান এবং সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি শ্রমিকদের যেকোনো ন্যায্য দাবি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত এবং কোনো ধরনের উসকানি বা সহিংসতার মাধ্যমে পরিস্থিতি যাতে আবারও অস্থিতিশীল না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

এদিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ড এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, শিল্পাঞ্চলের পরিবেশ এখন শান্ত আছে এবং এই শান্ত পরিবেশকে আর কাউকে অশান্ত করতে দেওয়া হবে না। তিনি উল্লেখ করেন, পুলিশ সর্বোচ্চ মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছে এবং সরকার ও প্রশাসন শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবির প্রতি সহানুভূতিশীল। তবে শ্রমিকের আবেগকে কাজে লাগিয়ে যারা চক্রান্তের মাধ্যমে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে, কারখানা ভাঙচুর করছে কিংবা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করছে, তারা কোনোভাবেই শ্রমিকের বন্ধু হতে পারে না। এই ধ্বংসাত্মক অপচেষ্টার বিরুদ্ধে পুলিশ, মালিক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও তৈরি পোশাকশিল্পে চলমান এই শ্রমিক অসন্তোষ ও অস্থিরতায় অর্থায়নের অভিযোগে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে অর্থের কোনো অস্বাভাবিক প্রবাহ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে প্রায় ১২৫টি কোম্পানির আর্থিক লেনদেনের তথ্য তলব করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২২৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক গোয়েন্দা নজরদারিতে আনা হয়েছে। এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) ও আয়কর গোয়েন্দা ইউনিট পৃথকভাবে এ অনুসন্ধান চালাচ্ছে। তবে কারখানার উৎপাদন ও শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য কোম্পানিগুলোর হিসাব অবরুদ্ধ না করে কেবল লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।