ঢাকা ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

৫ জানুয়ারি ঘিরে মুখোমুখি আ.লীগ-বিএনপি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৩৫০ বার

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তৃতীয় বর্ষপূর্তি ৫ জানুয়ারিকে ঘিরে মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও সংসদের বাইরে থাকা প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি। উভয় দলই কৌশলী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

গত দুই বছরে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তির দিন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন নিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠত। গত বছর ৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কর্মসূচি পালনে মুখোমুখি অবস্থান নেয়। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উভয় দলের সমাবেশ করা নিয়ে রাজনৈতিক অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিএনপিকে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কর্মসূচি পালনের অনুমতি দেয়।

আর আওয়ামী লীগ রাজধানীসহ সারা দেশে বিজয় র‌্যালি ও সমাবেশ করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোরতায় গত বছর কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি।

এবার বিএনপি ৫ জানুয়ারি সারা দেশে কালো পতাকা মিছিল এবং ৭ জানুয়ারি ঢাকায় সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

২৮ ডিসেম্বর বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। রিজভী বলেন, ৫ জানুয়ারি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’হিসেবে পালন করবে বিএনপি। ওই দিন ঢাকার বাইরে সব জেলা ও উপজেলায় বিএনপি কালো পতাকা মিছিল এবং কালো ব্যাজ ধারণ করবে। পাশাপাশি দিনটি উপলক্ষে ৭ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার ঘোষণা দেন তিনি।

অন্যদিকে বৃহস্পতিবার(২৯ ডিসেম্বর) ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্রের বিজয় দিবস পালন করা হবে। গণতন্ত্রের বিজয় দিবসে আমরা ঢাকায় দুটি সমাবেশ করব। একটি সমাবেশ হবে রাসেল স্কয়ারে হবে। এটি ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের আয়োজনে হবে। অপরটি ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজনে সমাবেশ হবে। একই সঙ্গে তিনি ক্ষমতাসীন দলের জেলা শাখাগুলোকেও সমাবেশ করার আহ্বান জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩/এ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে অবস্থিত প্রিয়াংকা কমিউনিটি সেন্টারে এক যৌথসভার সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের এক নেতা বলেন, বিএনপির জন্ম ও বিকাশই হয়েছে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে। সেই দল যখন গণতন্ত্র হত্যা দিবসের কর্মসূচি পালন করে, এটা গণতন্ত্রের জন্য তামাশা ছাড়া আর কিছুই না। সেদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়চেতা ভূমিকায় ৫ জানুয়ারি নির্বাচন না হলে দেশে কি এখন গণতন্ত্রের অভিযাত্রা থাকত? সেদিন বঙ্গবন্ধুকন্যা পাহাড় সমান অবিচল আস্থা নিয়ে দেশি ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত মোকাবিলা করে গণতন্ত্রকে রক্ষা করেছিলেন। এবারও আমরা ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্রের বিজয় দিবস পালন করব। তবে বিএনপি বরাবরের মতোই তাদের কৌশলী ‍ভূমিকা নিয়েছে। তারা ৫ জানুয়ারির কর্মসূচিকে ঘিরে দেশে আবারও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। আমরা দেশবাসীকে সাথে নিয়ে তাদের সকল অপচেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করব। দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

৫ জানুয়ারি ঘিরে মুখোমুখি আ.লীগ-বিএনপি

আপডেট টাইম : ০১:০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তৃতীয় বর্ষপূর্তি ৫ জানুয়ারিকে ঘিরে মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও সংসদের বাইরে থাকা প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি। উভয় দলই কৌশলী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

গত দুই বছরে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তির দিন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন নিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠত। গত বছর ৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কর্মসূচি পালনে মুখোমুখি অবস্থান নেয়। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উভয় দলের সমাবেশ করা নিয়ে রাজনৈতিক অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিএনপিকে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কর্মসূচি পালনের অনুমতি দেয়।

আর আওয়ামী লীগ রাজধানীসহ সারা দেশে বিজয় র‌্যালি ও সমাবেশ করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোরতায় গত বছর কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি।

এবার বিএনপি ৫ জানুয়ারি সারা দেশে কালো পতাকা মিছিল এবং ৭ জানুয়ারি ঢাকায় সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

২৮ ডিসেম্বর বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। রিজভী বলেন, ৫ জানুয়ারি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’হিসেবে পালন করবে বিএনপি। ওই দিন ঢাকার বাইরে সব জেলা ও উপজেলায় বিএনপি কালো পতাকা মিছিল এবং কালো ব্যাজ ধারণ করবে। পাশাপাশি দিনটি উপলক্ষে ৭ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার ঘোষণা দেন তিনি।

অন্যদিকে বৃহস্পতিবার(২৯ ডিসেম্বর) ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্রের বিজয় দিবস পালন করা হবে। গণতন্ত্রের বিজয় দিবসে আমরা ঢাকায় দুটি সমাবেশ করব। একটি সমাবেশ হবে রাসেল স্কয়ারে হবে। এটি ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের আয়োজনে হবে। অপরটি ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজনে সমাবেশ হবে। একই সঙ্গে তিনি ক্ষমতাসীন দলের জেলা শাখাগুলোকেও সমাবেশ করার আহ্বান জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩/এ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে অবস্থিত প্রিয়াংকা কমিউনিটি সেন্টারে এক যৌথসভার সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের এক নেতা বলেন, বিএনপির জন্ম ও বিকাশই হয়েছে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে। সেই দল যখন গণতন্ত্র হত্যা দিবসের কর্মসূচি পালন করে, এটা গণতন্ত্রের জন্য তামাশা ছাড়া আর কিছুই না। সেদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়চেতা ভূমিকায় ৫ জানুয়ারি নির্বাচন না হলে দেশে কি এখন গণতন্ত্রের অভিযাত্রা থাকত? সেদিন বঙ্গবন্ধুকন্যা পাহাড় সমান অবিচল আস্থা নিয়ে দেশি ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত মোকাবিলা করে গণতন্ত্রকে রক্ষা করেছিলেন। এবারও আমরা ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্রের বিজয় দিবস পালন করব। তবে বিএনপি বরাবরের মতোই তাদের কৌশলী ‍ভূমিকা নিয়েছে। তারা ৫ জানুয়ারির কর্মসূচিকে ঘিরে দেশে আবারও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। আমরা দেশবাসীকে সাথে নিয়ে তাদের সকল অপচেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করব। দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনগত ব্যবস্থা নেবে।