ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
অবৈধ হাসপাতালের ছড়াছড়ি শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ইউপি নির্বাচন ৫ ধাপে ভোট চায় বিএনপি জামায়াত মেনে নিয়েছে একাত্তরে তাদের ভূমিকা সঠিক ছিল না : আইনমন্ত্রী হাজারের বেশি গাড়ী নিয়ে কাল রংপুর অভিমুখী লংমার্চ: জামায়াত সেক্রেটারি নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু মক্কায় হামলা চালায়নি হুথিরা, মুসলিম বিশ্বের সহানুভূতি পেতে মিথ্যাচার সউদীর হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অপু বিশ্বাসের নতুন সিনেমার নায়ক নারী কোচের স্থান-সংখ্যা অস্পষ্ট আইনে, বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র তৎপরতা উন্নয়নের পথে চ্যালেঞ্জ: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিতে কতটা সফল বিএনপি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:১২:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১ বার

প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন বন্যা ও শীতের সময়ে ত্রাণ বিতরণ, চিকিৎসাসেবা, খাদ্য সহায়তা এবং স্থানীয় পর্যায়ে নানা সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন দলটির নেতাকর্মীরা। তবে প্রশ্ন উঠেছে— এসব কর্মসূচি বাস্তবে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কতটা ভূমিকা রাখছে, আর বিএনপি সরকারই-বা রাজনৈতিকভাবে এর সুফল কতটুকু পাচ্ছে?

দলটির নেতাদের ভাষ্য, সরকারের এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই নির্বাচনকালীন ইশতেহার অনুযায়ী কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড ও হেলথ কার্ড বিতরণের কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঠপর্যায়ে সক্রিয় রেখে কর্মসূচিগুলো পরিচালনার মাধ্যমে তৃণমূলে দলীয় সাংগঠনিক যোগাযোগ জোরদারের চেষ্টাও চলছে।

ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েই জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড বিতরণ ও খাল খননের মতো জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে বিএনপি সরকার। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সংকটে ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদানসহ ইশতেহার অনুযায়ী প্রান্তিক জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে সম্পর্ক সুদৃঢ় করা এবং তৃণমূলে সাংগঠনিক যোগাযোগ বাড়ানোকে দলটির নেতারা বড় অর্জন বলে দাবি করছেন
ক্ষমতায় এসেই জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড বিতরণ ও খাল খননের মতো জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে বিএনপি সরকার / ছবি- সংগৃহীত

বিএনপির একাধিক মধ্যম সারির নেতা জানান, সংকটকালে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া বিএনপির জন্য নতুন কিছু নয়। অসহায় মানুষকে খাদ্য ও ত্রাণ দেওয়া, শীতবস্ত্র বিতরণ, চিকিৎসা সহায়তা ও দুর্যোগকবলিত এলাকায় পাশে দাঁড়ানো দলটির নিয়মিত কর্মসূচির অংশ। এসব উদ্যোগের ইতিবাচক দিক হলো— রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হয়, যা দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিভাজন দূর করতে সহায়ক।

তবে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা সতর্ক করে জানান, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বা হেলথ কার্ডের মতো উদ্যোগগুলো ইতিবাচক হলেও অতিরিক্ত রাজনৈতিকীকরণ এর গ্রহণযোগ্যতা কমিয়ে দিতে পারে। সাধারণ মানুষ যদি মনে করে এগুলো কেবলই রাজনৈতিক প্রচারণা, তবে কাঙ্ক্ষিত জনসম্পৃক্ততা নাও আসতে পারে। এছাড়া, সাময়িক সহায়তার চেয়ে নিয়মিতভাবে স্থানীয় চাহিদা চিহ্নিত করে কাজ করাই সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে সরকার দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু করেছে / ছবি- সংগৃহীত 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড কিংবা হেলথ কার্ড দেওয়ার কার্যক্রমগুলো একদম শুরুর পর্যায়ে রয়েছে। এগুলো মূলত সরকারের জনবান্ধব কর্মসূচির অংশ। আগামী এক বা দেড় বছরের মধ্যে এসব উদ্যোগ পূর্ণাঙ্গ রূপ নেবে। তবে, দায়িত্ব নেওয়ার ছয়-সাত মাসের মধ্যে যতটুকু অগ্রগতি হয়েছে, তাতে আমরা বেশ আশাবাদী।’

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যেকোনো উদ্যোগ কেবল দলীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ও প্রচারণায় সীমাবদ্ধ থাকলে তা দীর্ঘমেয়াদে জনআস্থা তৈরিতে ব্যর্থ হতে পারে। স্বচ্ছতা, ধারাবাহিকতা এবং মানুষের প্রকৃত প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলেই এর সুফল দৃশ্যমান হবে। তাদের মতে, আয়োজনের সংখ্যার চেয়ে কতজন মানুষ প্রকৃত সহায়তা পেলেন এবং সহায়তার ধারাবাহিকতা কতটা ছিল— সেটাই সাফল্যের মূল মাপকাঠি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে ‘কৃষক কার্ড’ নিচ্ছেন এক কৃষক / ছবি: বিএনপি মিডিয়া সেল
এসব উদ্যোগ কেবল দলীয় প্রচারণায় সীমাবদ্ধ থাকলে বা অতিরিক্ত রাজনৈতিকীকরণ হলে সুফল বিঘ্নিত হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, বিচ্ছিন্ন কার্ড স্কিমগুলোর স্থায়ী সমন্বয়ের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংকট সমাধান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি বন্ধ এবং রাষ্ট্রীয় সংস্কারের মাধ্যমেই সরকারের মূল সাফল্য ও জনআস্থা নির্ধারিত হবে

সার্বিক বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার ঢাকা পোস্ট-কে বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বা হেলথ কার্ড একটি সরকারের খুবই ক্ষুদ্র সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগ। সরকারের আসল সফলতা বা ব্যর্থতা নির্ভর করবে মূলত বিদ্যুৎ সংকট সমাধান, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সংস্কার এবং চাঁদাবাজি বন্ধ করার ওপর।’

তিনি আরও বলেন, ‘সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আগে থেকেই শতাধিক স্কিম চালু রয়েছে, নতুন উদ্যোগগুলো তার সঙ্গে যুক্ত হলো মাত্র। তবে, এসব বিচ্ছিন্ন কার্ড দেওয়ার চেয়ে সব প্রকল্পকে একত্রিত ও সুসংহত (কনসোলিডেট) করে একটি স্থায়ী রূপ দেওয়াই বেশি প্রয়োজন ছিল।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

অবৈধ হাসপাতালের ছড়াছড়ি

জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিতে কতটা সফল বিএনপি

আপডেট টাইম : ০৩:১২:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন বন্যা ও শীতের সময়ে ত্রাণ বিতরণ, চিকিৎসাসেবা, খাদ্য সহায়তা এবং স্থানীয় পর্যায়ে নানা সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন দলটির নেতাকর্মীরা। তবে প্রশ্ন উঠেছে— এসব কর্মসূচি বাস্তবে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কতটা ভূমিকা রাখছে, আর বিএনপি সরকারই-বা রাজনৈতিকভাবে এর সুফল কতটুকু পাচ্ছে?

দলটির নেতাদের ভাষ্য, সরকারের এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই নির্বাচনকালীন ইশতেহার অনুযায়ী কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড ও হেলথ কার্ড বিতরণের কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঠপর্যায়ে সক্রিয় রেখে কর্মসূচিগুলো পরিচালনার মাধ্যমে তৃণমূলে দলীয় সাংগঠনিক যোগাযোগ জোরদারের চেষ্টাও চলছে।

ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েই জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড বিতরণ ও খাল খননের মতো জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে বিএনপি সরকার। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সংকটে ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদানসহ ইশতেহার অনুযায়ী প্রান্তিক জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে সম্পর্ক সুদৃঢ় করা এবং তৃণমূলে সাংগঠনিক যোগাযোগ বাড়ানোকে দলটির নেতারা বড় অর্জন বলে দাবি করছেন
ক্ষমতায় এসেই জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড বিতরণ ও খাল খননের মতো জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে বিএনপি সরকার / ছবি- সংগৃহীত

বিএনপির একাধিক মধ্যম সারির নেতা জানান, সংকটকালে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া বিএনপির জন্য নতুন কিছু নয়। অসহায় মানুষকে খাদ্য ও ত্রাণ দেওয়া, শীতবস্ত্র বিতরণ, চিকিৎসা সহায়তা ও দুর্যোগকবলিত এলাকায় পাশে দাঁড়ানো দলটির নিয়মিত কর্মসূচির অংশ। এসব উদ্যোগের ইতিবাচক দিক হলো— রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হয়, যা দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিভাজন দূর করতে সহায়ক।

তবে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা সতর্ক করে জানান, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বা হেলথ কার্ডের মতো উদ্যোগগুলো ইতিবাচক হলেও অতিরিক্ত রাজনৈতিকীকরণ এর গ্রহণযোগ্যতা কমিয়ে দিতে পারে। সাধারণ মানুষ যদি মনে করে এগুলো কেবলই রাজনৈতিক প্রচারণা, তবে কাঙ্ক্ষিত জনসম্পৃক্ততা নাও আসতে পারে। এছাড়া, সাময়িক সহায়তার চেয়ে নিয়মিতভাবে স্থানীয় চাহিদা চিহ্নিত করে কাজ করাই সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে সরকার দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু করেছে / ছবি- সংগৃহীত 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড কিংবা হেলথ কার্ড দেওয়ার কার্যক্রমগুলো একদম শুরুর পর্যায়ে রয়েছে। এগুলো মূলত সরকারের জনবান্ধব কর্মসূচির অংশ। আগামী এক বা দেড় বছরের মধ্যে এসব উদ্যোগ পূর্ণাঙ্গ রূপ নেবে। তবে, দায়িত্ব নেওয়ার ছয়-সাত মাসের মধ্যে যতটুকু অগ্রগতি হয়েছে, তাতে আমরা বেশ আশাবাদী।’

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যেকোনো উদ্যোগ কেবল দলীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ও প্রচারণায় সীমাবদ্ধ থাকলে তা দীর্ঘমেয়াদে জনআস্থা তৈরিতে ব্যর্থ হতে পারে। স্বচ্ছতা, ধারাবাহিকতা এবং মানুষের প্রকৃত প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলেই এর সুফল দৃশ্যমান হবে। তাদের মতে, আয়োজনের সংখ্যার চেয়ে কতজন মানুষ প্রকৃত সহায়তা পেলেন এবং সহায়তার ধারাবাহিকতা কতটা ছিল— সেটাই সাফল্যের মূল মাপকাঠি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে ‘কৃষক কার্ড’ নিচ্ছেন এক কৃষক / ছবি: বিএনপি মিডিয়া সেল
এসব উদ্যোগ কেবল দলীয় প্রচারণায় সীমাবদ্ধ থাকলে বা অতিরিক্ত রাজনৈতিকীকরণ হলে সুফল বিঘ্নিত হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, বিচ্ছিন্ন কার্ড স্কিমগুলোর স্থায়ী সমন্বয়ের পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংকট সমাধান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি বন্ধ এবং রাষ্ট্রীয় সংস্কারের মাধ্যমেই সরকারের মূল সাফল্য ও জনআস্থা নির্ধারিত হবে

সার্বিক বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার ঢাকা পোস্ট-কে বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বা হেলথ কার্ড একটি সরকারের খুবই ক্ষুদ্র সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগ। সরকারের আসল সফলতা বা ব্যর্থতা নির্ভর করবে মূলত বিদ্যুৎ সংকট সমাধান, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সংস্কার এবং চাঁদাবাজি বন্ধ করার ওপর।’

তিনি আরও বলেন, ‘সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আগে থেকেই শতাধিক স্কিম চালু রয়েছে, নতুন উদ্যোগগুলো তার সঙ্গে যুক্ত হলো মাত্র। তবে, এসব বিচ্ছিন্ন কার্ড দেওয়ার চেয়ে সব প্রকল্পকে একত্রিত ও সুসংহত (কনসোলিডেট) করে একটি স্থায়ী রূপ দেওয়াই বেশি প্রয়োজন ছিল।’