ঢাকা ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুর্বল ব্যাংকের মালিকানায় পুরনোদের ফেরার ধারা বাতিল হচ্ছে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:১৭:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • ২২ বার

একীভূত হওয়া দুর্বল ব্যাংকগুলোর মালিকানায় পুরনো মালিকদের ফেরত আসার সুযোগ রেখে বর্তমান সরকারের আনা বহুল আলোচিত ‘ব্যাংক রেজ্যুলেশন আইন, ২০২৬’-এ যুক্ত করা ১৮(ক) ধারা বিলোপ হতে যাচ্ছে। নানা সমালোচনা ও দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার আপত্তির মুখে অবশেষে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সরকার।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিভিন্ন অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে সরকার এই ১৮(ক) ধারাটি বিলোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  এর ফলে একীভূত হওয়া কোনো দুর্বল ব্যাংকের পূর্বতন মালিকরা পুনরায় মালিকানায় ফিরে আসার আর কোনো সুযোগ পাবেন না।

এর আগে, অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় প্রণীত ‘ব্যাংক রেজ্যুলেশন অর্ডিনেন্স’ সংশোধনের মাধ্যমে বর্তমানে পুনর্গঠিত সংকটাপন্ন ব্যাংকগুলোর (এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক) ওপর সাবেক মালিকদের নিয়ন্ত্রণ পুনরায় ফিরে পাওয়ার একটি আইনি পথ তৈরি হয়েছিল।

এই পাঁচ সংকটাপন্ন ব্যাংকের মধ্যে এক্সিম ব্যাংক ছাড়া বাকি চার ব্যাংক বিতর্কিত বণিক গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে ছিল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্বল ব্যাংকের মালিকানায় পুরনোদের ফেরার ধারা বাতিল হচ্ছে

আপডেট টাইম : ১০:১৭:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

একীভূত হওয়া দুর্বল ব্যাংকগুলোর মালিকানায় পুরনো মালিকদের ফেরত আসার সুযোগ রেখে বর্তমান সরকারের আনা বহুল আলোচিত ‘ব্যাংক রেজ্যুলেশন আইন, ২০২৬’-এ যুক্ত করা ১৮(ক) ধারা বিলোপ হতে যাচ্ছে। নানা সমালোচনা ও দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার আপত্তির মুখে অবশেষে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সরকার।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিভিন্ন অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে সরকার এই ১৮(ক) ধারাটি বিলোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  এর ফলে একীভূত হওয়া কোনো দুর্বল ব্যাংকের পূর্বতন মালিকরা পুনরায় মালিকানায় ফিরে আসার আর কোনো সুযোগ পাবেন না।

এর আগে, অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় প্রণীত ‘ব্যাংক রেজ্যুলেশন অর্ডিনেন্স’ সংশোধনের মাধ্যমে বর্তমানে পুনর্গঠিত সংকটাপন্ন ব্যাংকগুলোর (এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক) ওপর সাবেক মালিকদের নিয়ন্ত্রণ পুনরায় ফিরে পাওয়ার একটি আইনি পথ তৈরি হয়েছিল।

এই পাঁচ সংকটাপন্ন ব্যাংকের মধ্যে এক্সিম ব্যাংক ছাড়া বাকি চার ব্যাংক বিতর্কিত বণিক গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে ছিল।