রবিবার বাংলাদেশের আকাশে দেখা মিলবে ‘ব্লু মুন’ বা বিশেষ পূর্ণিমার। চলতি মাসের ১ মে একটি পূর্ণিমা হয়েছিল। আজ একই মাসে দ্বিতীয়বার পূর্ণিমা হচ্ছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় এ ধরনের পূর্ণিমাকে ‘ব্লু মুন’ বলা হয়। তবে ‘ব্লু মুন’ নামের সঙ্গে চাঁদের রঙের কোনো সম্পর্ক নেই। চাঁদ নীল রঙের দেখাবে না। এটি শুধু একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পরিভাষা।
সাধারণত প্রতি মাসে একটি করে পূর্ণিমা হয়। কিন্তু চাঁদের কক্ষপথের চক্র এবং আমাদের প্রচলিত ক্যালেন্ডারের সময়ের হিসাব পুরোপুরি এক নয়। এ কারণে কয়েক বছর পরপর একই মাসে দুটি পূর্ণিমা দেখা যায়।
চাঁদের ১২টি পূর্ণ চক্রের সময়কাল একটি সাধারণ বছরের তুলনায় প্রায় ১১ দিন কম। এই পার্থক্য জমতে জমতে একসময় অতিরিক্ত একটি পূর্ণিমা যুক্ত হয়। ফলে কোনো কোনো বছরে ১২টির পরিবর্তে ১৩টি পূর্ণিমা দেখা যায়। এ বছরের অতিরিক্ত পূর্ণিমাটিই ব্লু মুন।
বছরের বিভিন্ন পূর্ণিমার আলাদা নামও রয়েছে। যেমন ফেব্রুয়ারির পূর্ণিমাকে বলা হয় ‘স্নো মুন’, জুনের পূর্ণিমাকে ‘স্ট্রবেরি মুন’ এবং ডিসেম্বরের পূর্ণিমাকে ‘কোল্ড মুন’।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার রাতে ব্লু মুন পূর্ব আকাশে উদিত হবে। এটি সাধারণ পূর্ণিমার তুলনায় দিগন্তের কিছুটা কাছাকাছি অবস্থানে দেখা যেতে পারে। আকাশে চাঁদটি ‘ভার্গো’ নক্ষত্রমণ্ডলের ডান পাশে অবস্থান করবে। আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই এই বিরল পূর্ণিমা উপভোগ করা যাবে।
Reporter Name 


















