ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০৪ বছর বয়সে হজ করে নজির গড়লেন বৃদ্ধা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
  • ১২ বার

ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভার কেদিরি এলাকার বাসিন্দা এমবাহ মারসিয়াহ। তিনি ২০২৬ সালে হজ পালনকারী সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ হিসেবে পরিচিত হন। ১০৪ বছর বয়সী এই নারী ছিলেন সেই ২ লাখ ২১ হাজার ইন্দোনেশীয় হাজির একজন, যারা ২০২৬ সালের হজ পালনের জন্য দেশটির সরকারি প্রতিনিধিদলের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে যাওয়ার অনুমতি পান।

মারসিয়াহ প্রথম হজের জন্য নিবন্ধন করেন ২০২১ সালে। বহু বছর ধরে সঞ্চয় করে সৌদি আরবে গিয়ে হজ পালনের স্বপ্ন পূরণ করার চেষ্টা করেন।

হজ মিডিয়া সেন্টারের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মারসিয়াহ বলেন, আমি ঐতিহ্যবাহী পোরিজ (জাউ) বিক্রি করি। অল্প অল্প করে টাকা জমিয়েছি। একটি কৌটায় টাকা রেখে সঞ্চয় করতাম। কোথাও ঘাটতি হলে আমার ছেলে সাহায্য করতো।

এভাবে বছরের পর বছর সামান্য সামান্য করে টাকা জমিয়ে তিনি অবশেষে হজের জন্য নিবন্ধনের মতো অর্থ সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। শুরুতে তিনি তার এই স্বপ্নের কথা কাউকে বলেননি।

তিনি বলেন, আমি কাউকেই বলিনি যে আমি হজের জন্য টাকা জমাচ্ছি।

এমনকি তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরাও বিষয়টি জানতেন না। তবে সঞ্চয়ের পরিমাণ যথেষ্ট হলে তিনি আশপাশের মানুষদের জানাতে শুরু করেন।

১৯২১ সালের ১ জুলাই জন্মগ্রহণকারী মারসিয়াহ এখনও লাঠির সাহায্যে ধীরে ধীরে হাঁটতে পারেন। তবে হজের অধিকাংশ সময় তিনি হুইলচেয়ার ব্যবহার করেছেন। তিনি তার ৬৭ বছর বয়সী মেয়ে মুইদাহকে সঙ্গে নিয়ে গত ২২ মে সকালে মক্কায় পৌঁছান।

ইন্দোনেশিয়ার ১১২তম সুরাবায়া এমবারকেশন গ্রুপের প্রধান আবিসওয়াতুন নাধিরোহ হজের দ্বিতীয় দিনে জানিয়েছিলেন, মারসিয়াহ সুস্থ আছেন এবং হজের সব কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত।- তথ্যসূত্র : আরব নিউজ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১০৪ বছর বয়সে হজ করে নজির গড়লেন বৃদ্ধা

আপডেট টাইম : ১২:১৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভার কেদিরি এলাকার বাসিন্দা এমবাহ মারসিয়াহ। তিনি ২০২৬ সালে হজ পালনকারী সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ হিসেবে পরিচিত হন। ১০৪ বছর বয়সী এই নারী ছিলেন সেই ২ লাখ ২১ হাজার ইন্দোনেশীয় হাজির একজন, যারা ২০২৬ সালের হজ পালনের জন্য দেশটির সরকারি প্রতিনিধিদলের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে যাওয়ার অনুমতি পান।

মারসিয়াহ প্রথম হজের জন্য নিবন্ধন করেন ২০২১ সালে। বহু বছর ধরে সঞ্চয় করে সৌদি আরবে গিয়ে হজ পালনের স্বপ্ন পূরণ করার চেষ্টা করেন।

হজ মিডিয়া সেন্টারের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মারসিয়াহ বলেন, আমি ঐতিহ্যবাহী পোরিজ (জাউ) বিক্রি করি। অল্প অল্প করে টাকা জমিয়েছি। একটি কৌটায় টাকা রেখে সঞ্চয় করতাম। কোথাও ঘাটতি হলে আমার ছেলে সাহায্য করতো।

এভাবে বছরের পর বছর সামান্য সামান্য করে টাকা জমিয়ে তিনি অবশেষে হজের জন্য নিবন্ধনের মতো অর্থ সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। শুরুতে তিনি তার এই স্বপ্নের কথা কাউকে বলেননি।

তিনি বলেন, আমি কাউকেই বলিনি যে আমি হজের জন্য টাকা জমাচ্ছি।

এমনকি তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরাও বিষয়টি জানতেন না। তবে সঞ্চয়ের পরিমাণ যথেষ্ট হলে তিনি আশপাশের মানুষদের জানাতে শুরু করেন।

১৯২১ সালের ১ জুলাই জন্মগ্রহণকারী মারসিয়াহ এখনও লাঠির সাহায্যে ধীরে ধীরে হাঁটতে পারেন। তবে হজের অধিকাংশ সময় তিনি হুইলচেয়ার ব্যবহার করেছেন। তিনি তার ৬৭ বছর বয়সী মেয়ে মুইদাহকে সঙ্গে নিয়ে গত ২২ মে সকালে মক্কায় পৌঁছান।

ইন্দোনেশিয়ার ১১২তম সুরাবায়া এমবারকেশন গ্রুপের প্রধান আবিসওয়াতুন নাধিরোহ হজের দ্বিতীয় দিনে জানিয়েছিলেন, মারসিয়াহ সুস্থ আছেন এবং হজের সব কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত।- তথ্যসূত্র : আরব নিউজ।