মুছা আরো জানান, দুলালীর চিকিৎসা যেন হয়, সে জন্য ‘দুলালিকে বাঁচাতে চাই’—এমন লেখা সংবলিত একটি প্ল্যাকার্ড নিয়ে গুলশানে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনেও দাঁড়িয়ে আকুতি জানিয়েছি।
তিনি বলেন, সব হাসপাতালেই ওই নারীর এনআইডি ও লিগ্যাল গার্ডিয়ান দেখতে চেয়েছে। এ ছাড়া টাকা-পয়সার বিষয় তো আছেই। সব ম্যানেজ করার পরও কোনো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য আইনটি পড়েছি। সেখানে দেখেছি, অনিচ্ছুক রোগী যারা, তাদের ভর্তির ক্ষেত্রে এনআইডি লাগবে, লিগ্যাল গার্ডিয়ান লাগবে—এ রকম কোনো বাধ্যবাতা নেই। মেডিক্যাল অফিসার রোগীর অবস্থা দেখে নিজেই ভর্তি করতে পারে। এ জন্য তাদের সদিচ্ছা থাকতে হবে। কিন্তু ওনারা নানা অজুহাতে আটকিয়েছেন। এটা অনেক বড় একটা হিউম্যান রাইট মানে ভায়োলেশন। কারণ, একটা মানুষ পাগল হোক বা অন্য কিছু তার চিকিৎসার অধিকার আছে।
মুসা আরো বলেন, যেকোনো সময় ওই নারী মারা যেতে পারেন। রাষ্ট্রের উচিত দুলালীকে বাঁচাতে সব পদক্ষেপ নেওয়া।
Reporter Name 






















