হরমুজপ্রণালীর অচলাবস্থা কাটাতে এবং নৌ-চলাচল স্বাভাবিক করতে এবার সরাসরি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপ চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে এবং প্রণালীতে মাইন অপসারণসহ বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে একটি খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। তবে চীন ও রাশিয়ার ভেটো ক্ষমতার মুখে এই প্রস্তাবের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় কাটছে না।
আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মে মাসে হরমুজপ্রণালীতে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন, বাহরাইন, সউদী আরব ও কাতারসহ মিত্র দেশগুলোকে নিয়ে এই প্রস্তাব তৈরি করেছে। প্রস্তাবে ইরানের ওপর সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা এবং প্রয়োজনে বল প্রয়োগের প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত থাকলেও সরাসরি ‘সামরিক শক্তি’র ভাষা ব্যবহার করা হয়নি।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও একে ‘জাতিসংঘের কার্যকারিতার পরীক্ষা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যদি এই সাধারণ সমস্যার সমাধান করতে না পারে, তবে জাতিসংঘের উপযোগিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজপ্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। দীর্ঘদিনের এই অচলাবস্থার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের মন্দার আশঙ্কা তৈরি করেছে। এর আগে এপ্রিলে অনুরূপ একটি প্রস্তাব চীন ও রাশিয়ার ভেটোর কারণে বাতিল হয়ে গিয়েছিল। এখন দেখার বিষয়, সংশোধিত এই প্রস্তাবে বেইজিং ও মস্কো শেষ পর্যন্ত সায় দেয় কি না।
Reporter Name 
























