ঢাকা ১১:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে যা খাবেন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:১৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
  • ৪৯ বার
ঈদের সকাল মানেই ঘরে ঘরে ফিরনি, সেমাই, জর্দা আর মাংসের ম ম ঘ্রাণ। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর মুখরোচক সব খাবারের আয়োজনে মেতে ওঠে সবাই। তবে এই খুশির আমেজে অনেকেই হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে একবারে বেশি খেয়ে ফেলেন, যার ফলে ঈদের আনন্দ ম্লান করে দিতে পারে গ্যাস্ট্রিক, বুক জ্বালাপোড়া বা হজমের সমস্যা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর হঠাৎ করে অতিরিক্ত মিষ্টি ও চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া শরীরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
তাই ঈদের দিনটি সুস্থ ও প্রাণবন্ত রাখতে খাবারের ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।
শুরুটা হোক হালকা খাবারে
ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে একবারে পেট ভরে না খেয়ে হালকা কিছু দিয়ে দিন শুরু করা ভালো। যেমন—একটি বা দুটি খেজুর, ফল বা এক গ্লাস পানি। এটি পাকস্থলীকে পরবর্তী ভারী খাবারের জন্য প্রস্তুত করে এবং রক্তে শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখে।
মিষ্টি খাবারে সতর্ক হতে হবে
সেমাই বা মিষ্টি খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ খুব গুরুত্বপূর্ণ। একাধিক মিষ্টি বা ঘন দুধে তৈরি সেমাই একসঙ্গে না খেয়ে অল্প পরিমাণে খাওয়াই ভালো। চাইলে চিনি কম দিয়ে বা বিকল্প মিষ্টতা ব্যবহার করে তৈরি সেমাই বেছে নেওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এই বিষয়ে খেয়াল রাখা খুব জরুরি।
প্রোটিনের ভারসাম্য
সকালের নাস্তায় প্রোটিন যেমন—ডিম, দই বা হালকা মাংস রাখা যেতে পারে। এটি দীর্ঘ সময় শরীরকে শক্তি জোগায়। তবে রেড মিট বা গরুর মাংস খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে, কারণ এটি হজম হতে প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়।
সবজির উপস্থিতিও সমান জরুরি
সালাদ বা হালকা সবজি রাখলে তা হজমে সহায়তা করে এবং শরীরকে ভারী লাগা থেকে বাঁচায়। অনেকেই এই অংশটি এড়িয়ে যান, কিন্তু এটি পুরো খাবারের ভারসাম্য রক্ষা করে।
পর্যাপ্ত পানি পান
পানি পানের বিষয়টিও অবহেলা করা ঠিক নয়। সকালে পর্যাপ্ত পানি না খেলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, বিশেষ করে গরমের দিনে। তাই খাবারের ফাঁকে ফাঁকে পানি বা লেবুর শরবত রাখা ভালো।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ
একবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে কয়েকবারে খাওয়ার অভ্যাস করলে হজম ভালো থাকে। এতে শরীরও হালকা থাকে, আর সারাদিন উৎসব উপভোগ করা যায়। ( সূত্র : হার্ভার্ড টি.এইচ. চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথ, ওয়েবএমডি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।)
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে যা খাবেন

আপডেট টাইম : ০৭:১৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
ঈদের সকাল মানেই ঘরে ঘরে ফিরনি, সেমাই, জর্দা আর মাংসের ম ম ঘ্রাণ। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর মুখরোচক সব খাবারের আয়োজনে মেতে ওঠে সবাই। তবে এই খুশির আমেজে অনেকেই হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে একবারে বেশি খেয়ে ফেলেন, যার ফলে ঈদের আনন্দ ম্লান করে দিতে পারে গ্যাস্ট্রিক, বুক জ্বালাপোড়া বা হজমের সমস্যা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর হঠাৎ করে অতিরিক্ত মিষ্টি ও চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া শরীরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
তাই ঈদের দিনটি সুস্থ ও প্রাণবন্ত রাখতে খাবারের ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।
শুরুটা হোক হালকা খাবারে
ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে একবারে পেট ভরে না খেয়ে হালকা কিছু দিয়ে দিন শুরু করা ভালো। যেমন—একটি বা দুটি খেজুর, ফল বা এক গ্লাস পানি। এটি পাকস্থলীকে পরবর্তী ভারী খাবারের জন্য প্রস্তুত করে এবং রক্তে শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখে।
মিষ্টি খাবারে সতর্ক হতে হবে
সেমাই বা মিষ্টি খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ খুব গুরুত্বপূর্ণ। একাধিক মিষ্টি বা ঘন দুধে তৈরি সেমাই একসঙ্গে না খেয়ে অল্প পরিমাণে খাওয়াই ভালো। চাইলে চিনি কম দিয়ে বা বিকল্প মিষ্টতা ব্যবহার করে তৈরি সেমাই বেছে নেওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এই বিষয়ে খেয়াল রাখা খুব জরুরি।
প্রোটিনের ভারসাম্য
সকালের নাস্তায় প্রোটিন যেমন—ডিম, দই বা হালকা মাংস রাখা যেতে পারে। এটি দীর্ঘ সময় শরীরকে শক্তি জোগায়। তবে রেড মিট বা গরুর মাংস খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে, কারণ এটি হজম হতে প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়।
সবজির উপস্থিতিও সমান জরুরি
সালাদ বা হালকা সবজি রাখলে তা হজমে সহায়তা করে এবং শরীরকে ভারী লাগা থেকে বাঁচায়। অনেকেই এই অংশটি এড়িয়ে যান, কিন্তু এটি পুরো খাবারের ভারসাম্য রক্ষা করে।
পর্যাপ্ত পানি পান
পানি পানের বিষয়টিও অবহেলা করা ঠিক নয়। সকালে পর্যাপ্ত পানি না খেলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, বিশেষ করে গরমের দিনে। তাই খাবারের ফাঁকে ফাঁকে পানি বা লেবুর শরবত রাখা ভালো।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ
একবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে কয়েকবারে খাওয়ার অভ্যাস করলে হজম ভালো থাকে। এতে শরীরও হালকা থাকে, আর সারাদিন উৎসব উপভোগ করা যায়। ( সূত্র : হার্ভার্ড টি.এইচ. চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথ, ওয়েবএমডি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।)