ঢাকা ১১:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে উন্নীতকরণের কাজ চলমান পুলিশে বড় নিয়োগ, কোন জেলায় পদসংখ্যা কত জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে এসেছে আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ২ আসামির ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন ইহুদিদের জীবনে কিয়ামতের প্রলয়! তেল আবিব-জেরুজালেম জ্বালিয়ে দেওয়ার শপথ হিজবুল্লাহর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: বিশ্বের নজর এখন ইসলামাবাদে বাণিজ্য ঘাটতি ৮ মাসে দুই লাখ কোটি টাকা অতিক্রম শ্রমিক নিয়োগে ‘জিরো কস্ট’ নীতি, মালয়েশিয়ার বাজারে ফিরছে বাংলাদেশ কুড়িগ্রামে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন, আশার আলো দেখছেন কৃষকেরা বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার শেষ দুই ম্যাচের সূচি ঘোষণা

ধর্ষণের পর কিশোরীকে তুলে নিয়ে হত্যা, বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ৪

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৬:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৭ বার

নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগী কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে তুলে নিয়ে হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপির এক নেতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিহত কিশোরীর মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে মাধবদী থানায় মামলাটি করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় ১৫ দিন আগে নূরার নেতৃত্বে ছয়জন তরুণ কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় স্থানীয় মেম্বার ও মহিষাসুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান বিচার করার দায়িত্ব নেন।

তবে অভিযোগ রয়েছে, তিনি অভিযুক্তদের সঙ্গে আপস করে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে গ্রাম ছাড়তে চাপ দেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার বিচার না হওয়ায় অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ১৫ দিন পর কিশোরীকে তার বাবার সামনে থেকেই জোর করে তুলে নিয়ে যায় তারা। পরে পুনরায় ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করে মহিষাসুর ইউনিয়নের কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষাখেতে মরদেহ ফেলে রাখা হয়।

স্বজনদের ভাষ্য, বুধবার কিশোরীর বাবা মেয়েকে নিয়ে খালার বাড়ি যাচ্ছিলেন। বড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন যুবক মেয়েটিকে তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়। খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে পরিবার বাড়ি ফিরে আসে। পরদিন সকালে পুলিশ সরিষাখেত থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, ধর্ষণের ঘটনায় ৯ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। এ পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন আহম্মদ আলী দেওয়ান, তার ছেলে ইমরান দেওয়ান, মোহাম্মদ আইয়ুব ও এবায়দুল্লাহ। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে উন্নীতকরণের কাজ চলমান

ধর্ষণের পর কিশোরীকে তুলে নিয়ে হত্যা, বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ৪

আপডেট টাইম : ১১:৪৬:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগী কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে তুলে নিয়ে হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপির এক নেতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিহত কিশোরীর মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে মাধবদী থানায় মামলাটি করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় ১৫ দিন আগে নূরার নেতৃত্বে ছয়জন তরুণ কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় স্থানীয় মেম্বার ও মহিষাসুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান বিচার করার দায়িত্ব নেন।

তবে অভিযোগ রয়েছে, তিনি অভিযুক্তদের সঙ্গে আপস করে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে গ্রাম ছাড়তে চাপ দেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার বিচার না হওয়ায় অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ১৫ দিন পর কিশোরীকে তার বাবার সামনে থেকেই জোর করে তুলে নিয়ে যায় তারা। পরে পুনরায় ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করে মহিষাসুর ইউনিয়নের কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষাখেতে মরদেহ ফেলে রাখা হয়।

স্বজনদের ভাষ্য, বুধবার কিশোরীর বাবা মেয়েকে নিয়ে খালার বাড়ি যাচ্ছিলেন। বড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন যুবক মেয়েটিকে তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়। খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে পরিবার বাড়ি ফিরে আসে। পরদিন সকালে পুলিশ সরিষাখেত থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, ধর্ষণের ঘটনায় ৯ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। এ পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন আহম্মদ আলী দেওয়ান, তার ছেলে ইমরান দেওয়ান, মোহাম্মদ আইয়ুব ও এবায়দুল্লাহ। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।