ঢাকা ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

ধর্ষণের পর কিশোরীকে তুলে নিয়ে হত্যা, বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ৪

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৬:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭৩ বার

নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগী কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে তুলে নিয়ে হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপির এক নেতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিহত কিশোরীর মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে মাধবদী থানায় মামলাটি করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় ১৫ দিন আগে নূরার নেতৃত্বে ছয়জন তরুণ কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় স্থানীয় মেম্বার ও মহিষাসুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান বিচার করার দায়িত্ব নেন।

তবে অভিযোগ রয়েছে, তিনি অভিযুক্তদের সঙ্গে আপস করে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে গ্রাম ছাড়তে চাপ দেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার বিচার না হওয়ায় অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ১৫ দিন পর কিশোরীকে তার বাবার সামনে থেকেই জোর করে তুলে নিয়ে যায় তারা। পরে পুনরায় ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করে মহিষাসুর ইউনিয়নের কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষাখেতে মরদেহ ফেলে রাখা হয়।

স্বজনদের ভাষ্য, বুধবার কিশোরীর বাবা মেয়েকে নিয়ে খালার বাড়ি যাচ্ছিলেন। বড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন যুবক মেয়েটিকে তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়। খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে পরিবার বাড়ি ফিরে আসে। পরদিন সকালে পুলিশ সরিষাখেত থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, ধর্ষণের ঘটনায় ৯ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। এ পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন আহম্মদ আলী দেওয়ান, তার ছেলে ইমরান দেওয়ান, মোহাম্মদ আইয়ুব ও এবায়দুল্লাহ। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

ধর্ষণের পর কিশোরীকে তুলে নিয়ে হত্যা, বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ৪

আপডেট টাইম : ১১:৪৬:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগী কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে তুলে নিয়ে হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপির এক নেতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিহত কিশোরীর মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে মাধবদী থানায় মামলাটি করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় ১৫ দিন আগে নূরার নেতৃত্বে ছয়জন তরুণ কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় স্থানীয় মেম্বার ও মহিষাসুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান বিচার করার দায়িত্ব নেন।

তবে অভিযোগ রয়েছে, তিনি অভিযুক্তদের সঙ্গে আপস করে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে গ্রাম ছাড়তে চাপ দেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার বিচার না হওয়ায় অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ১৫ দিন পর কিশোরীকে তার বাবার সামনে থেকেই জোর করে তুলে নিয়ে যায় তারা। পরে পুনরায় ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করে মহিষাসুর ইউনিয়নের কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষাখেতে মরদেহ ফেলে রাখা হয়।

স্বজনদের ভাষ্য, বুধবার কিশোরীর বাবা মেয়েকে নিয়ে খালার বাড়ি যাচ্ছিলেন। বড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন যুবক মেয়েটিকে তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়। খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে পরিবার বাড়ি ফিরে আসে। পরদিন সকালে পুলিশ সরিষাখেত থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, ধর্ষণের ঘটনায় ৯ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। এ পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন আহম্মদ আলী দেওয়ান, তার ছেলে ইমরান দেওয়ান, মোহাম্মদ আইয়ুব ও এবায়দুল্লাহ। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।