ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

বান্দরবানে গহিন অরণ্যে ৪৩ একর পপিখেত ধ্বংস‎

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭২ বার

দুর্গম পাহাড় আর সীমান্তঘেঁষা জনশূন্য এলাকায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য পপি চাষ। অবশেষে সেই চক্রের ওপর আঘাত হেনেছে যৌথ বাহিনী। বান্দরবানের থানচি গহিন পাহাড়ি অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪৩ একর পপিখেত ধ্বংস করা হয়েছে, যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা।

‎গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রোববার থেকে আজ মঙ্গলবার তিন দিন সেনাবাহিনী ও বিজিবির সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ দল পাহাড়ি দুর্গম পথ অতিক্রম করে অন্তত ১২টি স্থানে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে পপিগাছ উপড়ে ফেলে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়, যাতে পুনরায় তা ব্যবহার করা না যায়।

যৌথ বাহিনীর সূত্র জানায়, ধ্বংস করা খেত থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে প্রায় ১ হাজার ৪৫০ কেজি আফিম উৎপাদনের সম্ভাবনা ছিল। উদ্ধার ও ধ্বংসকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ১০ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল বিশেষ করে ডিম পাহাড় ও সাঙ্গু নদীসংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় গোপনে পপি চাষের বিস্তার ঘটেছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব এলাকায় এখনো শতাধিক একরের বেশি জমিতে নিষিদ্ধ এ চাষাবাদ চলছে, যার পেছনে সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয়।

‎আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, পার্বত্য অঞ্চলে মাদক চক্রের বিস্তার ঠেকাতে সীমান্ত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাদের মতে, পাহাড়ে মাদক উৎপাদনের উৎস ধ্বংস করা গেলে চোরাচালানও অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

‎স্থানীয় সচেতন মহল মতে, এমন ধারাবাহিক অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো গেলে পার্বত্য এলাকায় মাদক চক্রের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া সম্ভব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

বান্দরবানে গহিন অরণ্যে ৪৩ একর পপিখেত ধ্বংস‎

আপডেট টাইম : ১১:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দুর্গম পাহাড় আর সীমান্তঘেঁষা জনশূন্য এলাকায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য পপি চাষ। অবশেষে সেই চক্রের ওপর আঘাত হেনেছে যৌথ বাহিনী। বান্দরবানের থানচি গহিন পাহাড়ি অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪৩ একর পপিখেত ধ্বংস করা হয়েছে, যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা।

‎গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রোববার থেকে আজ মঙ্গলবার তিন দিন সেনাবাহিনী ও বিজিবির সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ দল পাহাড়ি দুর্গম পথ অতিক্রম করে অন্তত ১২টি স্থানে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে পপিগাছ উপড়ে ফেলে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়, যাতে পুনরায় তা ব্যবহার করা না যায়।

যৌথ বাহিনীর সূত্র জানায়, ধ্বংস করা খেত থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে প্রায় ১ হাজার ৪৫০ কেজি আফিম উৎপাদনের সম্ভাবনা ছিল। উদ্ধার ও ধ্বংসকৃত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ১০ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল বিশেষ করে ডিম পাহাড় ও সাঙ্গু নদীসংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় গোপনে পপি চাষের বিস্তার ঘটেছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব এলাকায় এখনো শতাধিক একরের বেশি জমিতে নিষিদ্ধ এ চাষাবাদ চলছে, যার পেছনে সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয়।

‎আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, পার্বত্য অঞ্চলে মাদক চক্রের বিস্তার ঠেকাতে সীমান্ত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাদের মতে, পাহাড়ে মাদক উৎপাদনের উৎস ধ্বংস করা গেলে চোরাচালানও অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

‎স্থানীয় সচেতন মহল মতে, এমন ধারাবাহিক অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো গেলে পার্বত্য এলাকায় মাদক চক্রের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া সম্ভব।