ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এক মঞ্চে ১১ প্রার্থীর ইশতেহার ঘোষণা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৪ বার

এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলেন ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীরা। প্রত্যেক প্রার্থী বলেছেন, নির্বাচিত হওয়ার পর সবাইকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করবেন। তাদের প্রতিশ্রুতির মধ্যে প্রাধান্য পেয়েছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জননিরাপত্তা।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রার্থীদের আচরণবিধি প্রতিপালনে অঙ্গীকারনামা পাঠ করানো হয়।

রাজধানীর মুগদা, বাসাবো ও খিলগাঁও এলাকা নিয়ে ঢাকা-৯ আসন। ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সারা দেশের মতো এই আসনেও চলছে জোর প্রচারণা। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১১ জন প্রার্থী। তারা দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।

এই আসনের প্রার্থীদের আচরণবিধি প্রতিপালন ও ইশতেহার ঘোষণার আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন। প্রথমেই তাদের অঙ্গীকারনামা পাঠ করানো হয়। নির্বাচনে জয়ী হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জননিরাপত্তাকে প্রাধান্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন প্রার্থীরা।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী কাজী আবুল খায়ের বলেন, ‘যদি আমি নির্বাচিত হতে পারি, জনগণের মাঝে সুশৃঙ্খল সুশাসনের ব্যবস্থা করব। তাই আমি বলব, দক্ষ বুঝে পক্ষ নেবেন; জাতীয় পার্টির লাঙ্গলে ভোট দেবেন।’

স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা বলেন, ‘সরকারি খরচে কমিউনিটি ডে কেয়ার সেন্টার চালু করব, যাতে মায়েরা নিশ্চিন্তে কাজে যেতে পারেন। শ্রমিকের মর্যাদা নিশ্চিত করতে গৃহকর্মী থেকে শুরু করে অনানুষ্ঠানিক খাতের যত শ্রমিক আছেন, তাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমি কথা বলব; যাতে কেউ তাদের দুর্বলতার সুযোগ নিতে না পারে।’

প্রার্থীরা আরও প্রতিশ্রুতি দেন, নির্বাচিত হলে এই এলাকাকে মাদক ও চাঁদাবাজমুক্ত করবেন। জোর দেন যানজট নিরসনের ওপরও।

এনসিপির প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া (জাবেদ রাসিন) বলেন, ‘কিশোর গ্যাং ও মাদক প্রতিরোধে স্কিল ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে কিশোরদের ইতিবাচক কাজে যুক্ত করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ কিশোরদের জন্য বিশেষ মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। মাদকের চেইন ভেঙে দেওয়া হবে।’

আর বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশীদ বলেন, ‘আমরা সবাই এই এলাকার ভালো চাই, তাই এই এলাকার প্রার্থী হয়েছি। আমরা যে-ই জয়ী হই, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এলাকার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই।’

ঢাকা-৯ আসনে এবার মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৩৬০। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৩ ও নারী ২ লাখ ৩১ হাজার ৬৮২ জন। এ ছাড়া হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৫ জন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

এক মঞ্চে ১১ প্রার্থীর ইশতেহার ঘোষণা

আপডেট টাইম : ১১:১৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলেন ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীরা। প্রত্যেক প্রার্থী বলেছেন, নির্বাচিত হওয়ার পর সবাইকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করবেন। তাদের প্রতিশ্রুতির মধ্যে প্রাধান্য পেয়েছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জননিরাপত্তা।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রার্থীদের আচরণবিধি প্রতিপালনে অঙ্গীকারনামা পাঠ করানো হয়।

রাজধানীর মুগদা, বাসাবো ও খিলগাঁও এলাকা নিয়ে ঢাকা-৯ আসন। ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সারা দেশের মতো এই আসনেও চলছে জোর প্রচারণা। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১১ জন প্রার্থী। তারা দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।

এই আসনের প্রার্থীদের আচরণবিধি প্রতিপালন ও ইশতেহার ঘোষণার আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন। প্রথমেই তাদের অঙ্গীকারনামা পাঠ করানো হয়। নির্বাচনে জয়ী হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জননিরাপত্তাকে প্রাধান্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন প্রার্থীরা।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী কাজী আবুল খায়ের বলেন, ‘যদি আমি নির্বাচিত হতে পারি, জনগণের মাঝে সুশৃঙ্খল সুশাসনের ব্যবস্থা করব। তাই আমি বলব, দক্ষ বুঝে পক্ষ নেবেন; জাতীয় পার্টির লাঙ্গলে ভোট দেবেন।’

স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা বলেন, ‘সরকারি খরচে কমিউনিটি ডে কেয়ার সেন্টার চালু করব, যাতে মায়েরা নিশ্চিন্তে কাজে যেতে পারেন। শ্রমিকের মর্যাদা নিশ্চিত করতে গৃহকর্মী থেকে শুরু করে অনানুষ্ঠানিক খাতের যত শ্রমিক আছেন, তাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমি কথা বলব; যাতে কেউ তাদের দুর্বলতার সুযোগ নিতে না পারে।’

প্রার্থীরা আরও প্রতিশ্রুতি দেন, নির্বাচিত হলে এই এলাকাকে মাদক ও চাঁদাবাজমুক্ত করবেন। জোর দেন যানজট নিরসনের ওপরও।

এনসিপির প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া (জাবেদ রাসিন) বলেন, ‘কিশোর গ্যাং ও মাদক প্রতিরোধে স্কিল ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে কিশোরদের ইতিবাচক কাজে যুক্ত করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ কিশোরদের জন্য বিশেষ মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। মাদকের চেইন ভেঙে দেওয়া হবে।’

আর বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশীদ বলেন, ‘আমরা সবাই এই এলাকার ভালো চাই, তাই এই এলাকার প্রার্থী হয়েছি। আমরা যে-ই জয়ী হই, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এলাকার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই।’

ঢাকা-৯ আসনে এবার মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৩৬০। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৩ ও নারী ২ লাখ ৩১ হাজার ৬৮২ জন। এ ছাড়া হিজড়া ভোটার রয়েছেন ৫ জন।