ঢাকা ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

অধ্যাদেশ জারি : অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ব্যাংক গ্যারান্টি ১ কোটি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯৩ বার

দেশে ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় সুশাসন নিশ্চিত, টিকিটের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং অভিবাসী কর্মীদের হয়রানি বন্ধে ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’ সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এই অধ্যাদেশ জারি করেন। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে বলে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

নতুন অধ্যাদেশে অনলাইন ও অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংক গ্যারান্টির বিধান রাখা হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে ব্যাংক গ্যারান্টির পরিমাণ হবে ১০ লাখ টাকা। তবে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে এই গ্যারান্টির পরিমাণ ১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অধ্যাদেশে ‘ফলস বুকিং’ বা বানোয়াট আসন সংরক্ষণের মাধ্যমে টিকিটের কৃত্রিম সংকট তৈরি করাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া কোনো ট্রাভেল এজেন্সি অন্য কোনো এজেন্সির কাছ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় (বিটুবি) করতে পারবে না এবং টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত আর্থিক মাধ্যম ছাড়া লেনদেন করা যাবে না।

গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় অধ্যাদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো ট্রাভেল এজেন্সি মিথ্যা প্রলোভন, প্রতারণা বা চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অগ্রিম অর্থ আদায় করতে পারবে না। অভিবাসী কর্মীদের ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো দেশ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় এবং টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পর যাত্রীর তথ্য পরিবর্তন করাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

সংশোধিত আইনে শাস্তির বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা এজেন্সি এই আইনের বিধান লঙ্ঘন করলে তাকে অনধিক ১ বৎসরের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষেত্রে প্রতারণা বা দুর্নীতি রোধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষমতাও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে।

নিবন্ধন নবায়নের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, প্রতি ৩ বছর অন্তর সনদ নবায়ন করতে হবে এবং প্রতি বছর সরকারকে আর্থিক বিবরণীসহ সার্বিক কার্যক্রমের প্রতিবেদন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া কোনো ঋণ খেলাপি ব্যক্তি ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

অধ্যাদেশ জারি : অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ব্যাংক গ্যারান্টি ১ কোটি

আপডেট টাইম : ১১:৫৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

দেশে ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় সুশাসন নিশ্চিত, টিকিটের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং অভিবাসী কর্মীদের হয়রানি বন্ধে ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’ সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এই অধ্যাদেশ জারি করেন। লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে বলে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

নতুন অধ্যাদেশে অনলাইন ও অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংক গ্যারান্টির বিধান রাখা হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে ব্যাংক গ্যারান্টির পরিমাণ হবে ১০ লাখ টাকা। তবে অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে এই গ্যারান্টির পরিমাণ ১ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অধ্যাদেশে ‘ফলস বুকিং’ বা বানোয়াট আসন সংরক্ষণের মাধ্যমে টিকিটের কৃত্রিম সংকট তৈরি করাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া কোনো ট্রাভেল এজেন্সি অন্য কোনো এজেন্সির কাছ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় (বিটুবি) করতে পারবে না এবং টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত আর্থিক মাধ্যম ছাড়া লেনদেন করা যাবে না।

গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় অধ্যাদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো ট্রাভেল এজেন্সি মিথ্যা প্রলোভন, প্রতারণা বা চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অগ্রিম অর্থ আদায় করতে পারবে না। অভিবাসী কর্মীদের ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো দেশ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় এবং টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পর যাত্রীর তথ্য পরিবর্তন করাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

সংশোধিত আইনে শাস্তির বিধান আরও কঠোর করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা এজেন্সি এই আইনের বিধান লঙ্ঘন করলে তাকে অনধিক ১ বৎসরের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষেত্রে প্রতারণা বা দুর্নীতি রোধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষমতাও নিবন্ধন কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে।

নিবন্ধন নবায়নের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, প্রতি ৩ বছর অন্তর সনদ নবায়ন করতে হবে এবং প্রতি বছর সরকারকে আর্থিক বিবরণীসহ সার্বিক কার্যক্রমের প্রতিবেদন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া কোনো ঋণ খেলাপি ব্যক্তি ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।