ঢাকা ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

নতুন বছরে মেসির সামনে যত রেকর্ড ও মাইলফলক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৯:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬০ বার

রেকর্ড বা মাইলফলকের পেছনে কখনই ছোটেন না লিওনেল মেসি। একথা তিনি বলেছেন বহুবার। তবে মাঠে জাদুকরী পারফরম্যান্সে ঠিকই চুরমার করেন সব রেকর্ড। ধরা দেয় অনন্য সব মাইলফলক। নকুন বছরেও বেশ কয়েকটি রেকর্ড ও মাইলফলক হাতছানি দিচ্ছে সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ফুটবলারের সামনে।

ক্যারিয়ারের ৯০০তম গোল থেকে স্রেফ ৪ গোল দূরে থাকতে নতুন বছর শুরু করবেন রেকর্ড আটবারের বর্ষসেরা। তার ক্যারিয়ারে গোলসংখ্যা এখন ৮৯৬।

আর্জেন্টিনা, বার্সেলোনা, প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) ও বর্তমান ক্লাব ইন্টার মায়ামির হয়ে এই গোলগুলো করেছেন মেসি। ২০২৫ সালের শেষ ম্যাচে গত ৫ ডিসেম্বর ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসকে হারিয়ে এমএলএস কাপ জয়ের পর এই সংখ্যায় পৌঁছান তিনি।

২০২৬ সালের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) মৌসুম শুরু হবে আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি। এদিকে আর্জেন্টিনাও আবার মাঠে নামবে ২৭ মার্চ, দোহায় স্পেনের বিপক্ষে ফিনালিসিমায়। ফলে মেসির ৯০০তম গোল দেখতে আমাদের কিছুটা অপেক্ষা করতে হবে। তবে ৩৮ বছর বয়সী এই তারকা প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে ফিরলেই প্রয়োজনীয় চার গোল করতে খুব বেশি দেরি করবেন না বলেই অনুমেয়।

বর্তমানে মেসির দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো একমাত্র সক্রিয় ফুটবলার, যিনি পেশাদার ক্যারিয়ারে ৯০০’র বেশি গোল করেছেন। তিনি এই কীর্তি গড়েন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। পেশাদার ফুটবলারদের মধ্যে পরের সর্বোচ্চ গোলদাতা রবার্ট লেভানোদস্কি (৬৮৫ গোল)। আধুনিক ফুটবলের এই দুই মহাতারকার সঙ্গে ‘৯০০ ক্লাব’-এ অন্য কারও যোগ দেবার সম্ভাবনা আপাতত নেই।

মেসির গোলযাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০৫ সালের মে মাসে। বার্সেলোনার হয়ে আলবাসেতের বিপক্ষে লিগ ম্যাচে শেষ দুই মিনিটে বদলি হিসেবে নেমে ২-০ গোলে জয়ের পথে নিজের প্রথম পেশাদার গোলটি করেন তিনি।

উন্নতির প্রতিটি ধাপে মেসির ওপর প্রত্যাশা ছিল আকাশছোঁয়া। তবু সেই প্রথম গোলের পর যে অবিশ্বাস্য সাফল্য আসবে, তা কেউই কল্পনা করতে পারেনি। ২১ বছর পরও মেসি এমন ধারাবাহিকতায় গোল করে চলেছেন যে, তিনি আর কতদূর যেতে পারবেন তা বলা কঠিন।

রোনালদোর হাজার গোলের লক্ষ্যে পৌঁছানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে অনেক। ৪০ বছর বয়সী পর্তুগিজ  তারকা এখন সেই লক্ষ্য থেকে মাত্র ৪৩ গোল দূরে।

মেসি যখন ৯০০’র কাছাকাছি, তখন প্রশ্নটা এসেই যায়, তিনিও কি হাজার গোলের স্বপ্নও দেখছেন? আর পর্তূগীজ তারকার চেয়ে প্রায় আড়াই বছর ছোট হওয়ায়, অবসরে যাওয়ার সময় কি তাঁর গোলসংখ্যা রোনালদোর চেয়েও বেশি হতে পারে?

মেসির অধিকাংশ গোল এসেছে বার্সেলোনায়, যেখানে তিনি ক্যারিয়ারের সেরা সময় কাটিয়েছেন। ১৭ মৌসুমে কাতালান ক্লাবটির হয়ে ৭৭৮ ম্যাচে তিনি করেছেন ৬৭২ গোল, যা তাঁর মোট গোলের প্রায় ৭৫ শতাংশ।

পিএসজিতে দুই মৌসুমে ৭৫ ম্যাচে ৩২ গোল করেন মেসি। এরপর ইন্টার মায়ামির হয়ে এখন পর্যন্ত ৮৮ ম্যাচে করেছেন ৭৭ গোল।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আর্জেন্টিনার হয়ে ১৯৬ ম্যাচে তাঁর গোল ১১৫টি। এর মধ্যে সবচেয়ে স্মরণীয় ছিল ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে করা দুটি গোল (এছাড়া টাইব্রেকারে একটি পেনাল্টি)। সব মিলিয়ে ক্যারিয়ারে ১১৩৭ ম্যাচে মেসির গোলসংখ্যা ৮৯৬।

২০০৪-০৫ মৌসুমে ১৭ বছর বয়সে ফ্র্যাঙ্ক রাইকার্ডের অধীনে বার্সেলোনার সিনিয়র দলে অভিষেক হয় মেসির। সেই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৯ ম্যাচে তিনি মাত্র এক গোল করেন, যেটি ছিল তাঁর প্রথম পেশাদার গোল।

২০০৬ সালের মার্চে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে এক প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনার হয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক গোল করেন তিনি। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ২০০৫-০৬ মৌসুমে (১০ গোল) তিনি প্রথমবার দুই অঙ্কের গোলসংখ্যায় পৌঁছান এবং পরবর্তী টানা ২০ মৌসুমেও সেই ধারা বজায় রাখেন।

২০১১-১২ মৌসুম ছিল মেসির একক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের বছর। ক্লাব ও দেশ মিলিয়ে করে রেকর্ড ৮৪ গোল। একই মৌসুমে ২৪ বছর বয়সে তিনি বার্সেলোনার ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন।

২০১৪-১৫ মৌসুমে লা লিগার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হন মেসি। এরপরও গোলের বন্যা থামেনি।

সব মিলিয়ে বলতে গেলে, পেশাদার ফুটবলার হিসেবে ২২ মৌসুমে তিনি একবার ৮০’র বেশি, তিনবার ৬০’র বেশি, আটবার ৫০’র বেশি এবং ১৪ বার ৪০’র বেশি গোল করেছেন।

২০০৮-০৯ থেকে ২০২০-২১ পর্যন্ত টানা ১৩ মৌসুমে ক্লাব ও দেশ মিলিয়ে অন্তঃত ৩০ গোল করেছেন তিনি।

পিএসজিতে প্রথম মৌসুমে গোলসংখ্যা কিছুটা কমে ২২ হলেও, দ্বিতীয় মৌসুমে তিনি করেন ৩৭ গোল। ২০২৩ সালে নিসের বিপক্ষে গোল করে ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলে সর্বোচ্চ ক্যারিয়ার গোলদাতার রেকর্ডও ভাঙেন তিনি।

রেকর্ড ও মাইলফলক:

-এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ ৯১ গোল (২০১২) করার বিশ্বরেকর্ড মেসির।

-২০১৬ সালে ক্যারিয়ারের ৫০০তম গোল করেন তিনি।

-চ্যাম্পিয়নস লিগে দ্রুততম ১০০ গোলের মালিক হিসেবেও তাঁর নাম ইতিহাসে লেখা।

এমএলএসে ইন্টার মায়ামির হয়ে রেকর্ড গড়াও অব্যাহত রয়েছে। ২০২৫ মৌসুমে ২৮ লিগ ম্যাচে ২৯ গোল করে জেতেন এমএলএস গোল্ডেন বুট। একই সঙ্গে এমএলএস ইতিহাসে দ্রুততম ৫০ গোলের রেকর্ডও গড়েন তিনি।

১,০০০ গোলের মাইলফলক ছুঁতে এখনও তাঁর প্রয়োজন ১০০’র বেশি গোল। তবে সেই সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।২০২৫ সালের অক্টোবরে ইন্টার মায়ামির সঙ্গে চুক্তি বাড়িয়েছেন মেসি, যা চলবে ২০২৮ এমএলএস মৌসুম পর্যন্ত। তখন তাঁর বয়স হবে ৪১। এমএলএসে যোগ দেওয়ার পর থেকে তিনি ক্লাব ও দেশ মিলিয়ে গড়ে প্রতি মৌসুমে ৩৬ গোল করেছেন। যদি এই গড় ধরে রাখতে পারেন, তবে ২০২৮ মৌসুমের শেষ দিকে তিনি হাজার গোলের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

নতুন বছরে মেসির সামনে যত রেকর্ড ও মাইলফলক

আপডেট টাইম : ১১:০৯:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

রেকর্ড বা মাইলফলকের পেছনে কখনই ছোটেন না লিওনেল মেসি। একথা তিনি বলেছেন বহুবার। তবে মাঠে জাদুকরী পারফরম্যান্সে ঠিকই চুরমার করেন সব রেকর্ড। ধরা দেয় অনন্য সব মাইলফলক। নকুন বছরেও বেশ কয়েকটি রেকর্ড ও মাইলফলক হাতছানি দিচ্ছে সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ফুটবলারের সামনে।

ক্যারিয়ারের ৯০০তম গোল থেকে স্রেফ ৪ গোল দূরে থাকতে নতুন বছর শুরু করবেন রেকর্ড আটবারের বর্ষসেরা। তার ক্যারিয়ারে গোলসংখ্যা এখন ৮৯৬।

আর্জেন্টিনা, বার্সেলোনা, প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) ও বর্তমান ক্লাব ইন্টার মায়ামির হয়ে এই গোলগুলো করেছেন মেসি। ২০২৫ সালের শেষ ম্যাচে গত ৫ ডিসেম্বর ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসকে হারিয়ে এমএলএস কাপ জয়ের পর এই সংখ্যায় পৌঁছান তিনি।

২০২৬ সালের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) মৌসুম শুরু হবে আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি। এদিকে আর্জেন্টিনাও আবার মাঠে নামবে ২৭ মার্চ, দোহায় স্পেনের বিপক্ষে ফিনালিসিমায়। ফলে মেসির ৯০০তম গোল দেখতে আমাদের কিছুটা অপেক্ষা করতে হবে। তবে ৩৮ বছর বয়সী এই তারকা প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে ফিরলেই প্রয়োজনীয় চার গোল করতে খুব বেশি দেরি করবেন না বলেই অনুমেয়।

বর্তমানে মেসির দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো একমাত্র সক্রিয় ফুটবলার, যিনি পেশাদার ক্যারিয়ারে ৯০০’র বেশি গোল করেছেন। তিনি এই কীর্তি গড়েন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। পেশাদার ফুটবলারদের মধ্যে পরের সর্বোচ্চ গোলদাতা রবার্ট লেভানোদস্কি (৬৮৫ গোল)। আধুনিক ফুটবলের এই দুই মহাতারকার সঙ্গে ‘৯০০ ক্লাব’-এ অন্য কারও যোগ দেবার সম্ভাবনা আপাতত নেই।

মেসির গোলযাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০৫ সালের মে মাসে। বার্সেলোনার হয়ে আলবাসেতের বিপক্ষে লিগ ম্যাচে শেষ দুই মিনিটে বদলি হিসেবে নেমে ২-০ গোলে জয়ের পথে নিজের প্রথম পেশাদার গোলটি করেন তিনি।

উন্নতির প্রতিটি ধাপে মেসির ওপর প্রত্যাশা ছিল আকাশছোঁয়া। তবু সেই প্রথম গোলের পর যে অবিশ্বাস্য সাফল্য আসবে, তা কেউই কল্পনা করতে পারেনি। ২১ বছর পরও মেসি এমন ধারাবাহিকতায় গোল করে চলেছেন যে, তিনি আর কতদূর যেতে পারবেন তা বলা কঠিন।

রোনালদোর হাজার গোলের লক্ষ্যে পৌঁছানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে অনেক। ৪০ বছর বয়সী পর্তুগিজ  তারকা এখন সেই লক্ষ্য থেকে মাত্র ৪৩ গোল দূরে।

মেসি যখন ৯০০’র কাছাকাছি, তখন প্রশ্নটা এসেই যায়, তিনিও কি হাজার গোলের স্বপ্নও দেখছেন? আর পর্তূগীজ তারকার চেয়ে প্রায় আড়াই বছর ছোট হওয়ায়, অবসরে যাওয়ার সময় কি তাঁর গোলসংখ্যা রোনালদোর চেয়েও বেশি হতে পারে?

মেসির অধিকাংশ গোল এসেছে বার্সেলোনায়, যেখানে তিনি ক্যারিয়ারের সেরা সময় কাটিয়েছেন। ১৭ মৌসুমে কাতালান ক্লাবটির হয়ে ৭৭৮ ম্যাচে তিনি করেছেন ৬৭২ গোল, যা তাঁর মোট গোলের প্রায় ৭৫ শতাংশ।

পিএসজিতে দুই মৌসুমে ৭৫ ম্যাচে ৩২ গোল করেন মেসি। এরপর ইন্টার মায়ামির হয়ে এখন পর্যন্ত ৮৮ ম্যাচে করেছেন ৭৭ গোল।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আর্জেন্টিনার হয়ে ১৯৬ ম্যাচে তাঁর গোল ১১৫টি। এর মধ্যে সবচেয়ে স্মরণীয় ছিল ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে করা দুটি গোল (এছাড়া টাইব্রেকারে একটি পেনাল্টি)। সব মিলিয়ে ক্যারিয়ারে ১১৩৭ ম্যাচে মেসির গোলসংখ্যা ৮৯৬।

২০০৪-০৫ মৌসুমে ১৭ বছর বয়সে ফ্র্যাঙ্ক রাইকার্ডের অধীনে বার্সেলোনার সিনিয়র দলে অভিষেক হয় মেসির। সেই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৯ ম্যাচে তিনি মাত্র এক গোল করেন, যেটি ছিল তাঁর প্রথম পেশাদার গোল।

২০০৬ সালের মার্চে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে এক প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনার হয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক গোল করেন তিনি। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ২০০৫-০৬ মৌসুমে (১০ গোল) তিনি প্রথমবার দুই অঙ্কের গোলসংখ্যায় পৌঁছান এবং পরবর্তী টানা ২০ মৌসুমেও সেই ধারা বজায় রাখেন।

২০১১-১২ মৌসুম ছিল মেসির একক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের বছর। ক্লাব ও দেশ মিলিয়ে করে রেকর্ড ৮৪ গোল। একই মৌসুমে ২৪ বছর বয়সে তিনি বার্সেলোনার ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন।

২০১৪-১৫ মৌসুমে লা লিগার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হন মেসি। এরপরও গোলের বন্যা থামেনি।

সব মিলিয়ে বলতে গেলে, পেশাদার ফুটবলার হিসেবে ২২ মৌসুমে তিনি একবার ৮০’র বেশি, তিনবার ৬০’র বেশি, আটবার ৫০’র বেশি এবং ১৪ বার ৪০’র বেশি গোল করেছেন।

২০০৮-০৯ থেকে ২০২০-২১ পর্যন্ত টানা ১৩ মৌসুমে ক্লাব ও দেশ মিলিয়ে অন্তঃত ৩০ গোল করেছেন তিনি।

পিএসজিতে প্রথম মৌসুমে গোলসংখ্যা কিছুটা কমে ২২ হলেও, দ্বিতীয় মৌসুমে তিনি করেন ৩৭ গোল। ২০২৩ সালে নিসের বিপক্ষে গোল করে ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলে সর্বোচ্চ ক্যারিয়ার গোলদাতার রেকর্ডও ভাঙেন তিনি।

রেকর্ড ও মাইলফলক:

-এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ ৯১ গোল (২০১২) করার বিশ্বরেকর্ড মেসির।

-২০১৬ সালে ক্যারিয়ারের ৫০০তম গোল করেন তিনি।

-চ্যাম্পিয়নস লিগে দ্রুততম ১০০ গোলের মালিক হিসেবেও তাঁর নাম ইতিহাসে লেখা।

এমএলএসে ইন্টার মায়ামির হয়ে রেকর্ড গড়াও অব্যাহত রয়েছে। ২০২৫ মৌসুমে ২৮ লিগ ম্যাচে ২৯ গোল করে জেতেন এমএলএস গোল্ডেন বুট। একই সঙ্গে এমএলএস ইতিহাসে দ্রুততম ৫০ গোলের রেকর্ডও গড়েন তিনি।

১,০০০ গোলের মাইলফলক ছুঁতে এখনও তাঁর প্রয়োজন ১০০’র বেশি গোল। তবে সেই সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।২০২৫ সালের অক্টোবরে ইন্টার মায়ামির সঙ্গে চুক্তি বাড়িয়েছেন মেসি, যা চলবে ২০২৮ এমএলএস মৌসুম পর্যন্ত। তখন তাঁর বয়স হবে ৪১। এমএলএসে যোগ দেওয়ার পর থেকে তিনি ক্লাব ও দেশ মিলিয়ে গড়ে প্রতি মৌসুমে ৩৬ গোল করেছেন। যদি এই গড় ধরে রাখতে পারেন, তবে ২০২৮ মৌসুমের শেষ দিকে তিনি হাজার গোলের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারেন।