২০২৬ ও ২০২৭ সাল—দুই বছরে বাংলাদেশ প্রায় ১৮ টেস্ট খেলবে, ৪০টার বেশি ওয়ানডে খেলবে, ২০-২৫ টি-টোয়েন্টি খেলবে। অনেক ক্রিকেট থাকছে নতুন বছরে। এত খেলায় ধারাবাহিক ভালো করতে আমাদের সুস্থ এবং ফিট থাকা খুব জরুরি; বিশেষ করে বোলিং ইউনিটের। ২০২৬ সালে আমাদের দেশে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ খেলতে আসবে। আমরাও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলতে যাব (২০২৭ সালে)। তো চ্যালেঞ্জিং হবে। সবাই ফিট থাকলে ভালো কিছু আশা করা যেতে পারে।
দেশে-বিদেশে শক্তিশালী দলগুলোর সঙ্গে বেশির ভাগ খেলা। ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে হলে ২০২৬ সালের ওয়ানডে সিরিজগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ; বিশেষ করে আমাদের হোম সিরিজগুলো যে খেলব, ভালো করতেই হবে। আর বছরের শুরুর দিকে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় আছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। টুর্নামেন্টে আমাদের সম্ভাবনা তো আছেই, ভালো কিছুর আশা করি আমরা।
আমি মনে করি, আমাদের টেস্ট দল খুব অভিজ্ঞ। আর টি-টোয়েন্টিতেও আমরা ভালো করছি। ওয়ানডেতে আমাদের একটু নতুন করে জেগে উঠতে হবে।
লেখক: সাবেক অধিনায়ক, বাংলাদেশ ক্রিকেট দল
Reporter Name 
























