ঢাকা ০৯:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

বাবার দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে ছেলে, পেলেন ধানের শীষ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:১৮:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১০৪ বার

Oplus_16908288

বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক বাংলাদেশ জাতীয় দল-এর চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা নিজ দল বিলুপ্ত ঘোষণা করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগ দিয়েছেন। যোগদানের পরদিনই কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর–নিকলী) আসনে তাকে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ-এর প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

এর আগে ওই আসনে বিএনপির পূর্বঘোষিত প্রার্থী ছিলেন শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। তবে শেষ মুহূর্তে প্রার্থী পরিবর্তন করে সৈয়দ এহসানুল হুদাকে মনোনয়ন দেয় বিএনপি। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বিএনপির মনোনয়ন ফরম হাতে একটি ছবি পোস্ট করার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২২ ডিসেম্বর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন সৈয়দ এহসানুল হুদা। একই সঙ্গে তিনি নিজের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয় দল বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সৈয়দ এহসানুল হুদার বাবা সৈয়দ সিরাজুল হুদা বাংলাদেশ জাতীয় দল-এর প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও পরাজিত হন। সৈয়দ এহসানুল হুদা এর আগে ১২-দলীয় জোটের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন।
উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে প্রথমে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মজিবুর রহমানকে। তিনি এর আগে ধানের শীষ প্রতীকে দু’বার নির্বাচন করেও পরাজিত হন।
স্থানীয় নেতাদের একটি অংশের দাবি, মূলত ধানের শীষের চূড়ান্ত মনোনয়ন নিশ্চিত করতেই সৈয়দ এহসানুল হুদা বাবার দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দেন।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন,
“আজ সকালে বিএনপির মনোনয়নপত্র হাতে পেয়েছি। আমি ধানের শীষ প্রতীকেই নির্বাচন করছি।”
অন্যদিকে, মনোনয়ন বঞ্চিত শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান বলেন,
“নিকলী–বাজিতপুর এলাকার মানুষ ইকবাল ভাইকেই প্রার্থী হিসেবে চায়। এর বাইরে কাউকে মেনে নেওয়া হবে না।”
নিকলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি বদরুল মোমেন মিঠু বলেন,
“আমি নিজেও প্রার্থী ছিলাম। দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে, তার পক্ষেই আমি ও আমার সমর্থকরা কাজ করবো।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

বাবার দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে ছেলে, পেলেন ধানের শীষ

আপডেট টাইম : ০৩:১৮:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক বাংলাদেশ জাতীয় দল-এর চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা নিজ দল বিলুপ্ত ঘোষণা করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগ দিয়েছেন। যোগদানের পরদিনই কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর–নিকলী) আসনে তাকে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ-এর প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

এর আগে ওই আসনে বিএনপির পূর্বঘোষিত প্রার্থী ছিলেন শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। তবে শেষ মুহূর্তে প্রার্থী পরিবর্তন করে সৈয়দ এহসানুল হুদাকে মনোনয়ন দেয় বিএনপি। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বিএনপির মনোনয়ন ফরম হাতে একটি ছবি পোস্ট করার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২২ ডিসেম্বর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন সৈয়দ এহসানুল হুদা। একই সঙ্গে তিনি নিজের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয় দল বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সৈয়দ এহসানুল হুদার বাবা সৈয়দ সিরাজুল হুদা বাংলাদেশ জাতীয় দল-এর প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও পরাজিত হন। সৈয়দ এহসানুল হুদা এর আগে ১২-দলীয় জোটের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন।
উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে প্রথমে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মজিবুর রহমানকে। তিনি এর আগে ধানের শীষ প্রতীকে দু’বার নির্বাচন করেও পরাজিত হন।
স্থানীয় নেতাদের একটি অংশের দাবি, মূলত ধানের শীষের চূড়ান্ত মনোনয়ন নিশ্চিত করতেই সৈয়দ এহসানুল হুদা বাবার দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দেন।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন,
“আজ সকালে বিএনপির মনোনয়নপত্র হাতে পেয়েছি। আমি ধানের শীষ প্রতীকেই নির্বাচন করছি।”
অন্যদিকে, মনোনয়ন বঞ্চিত শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান বলেন,
“নিকলী–বাজিতপুর এলাকার মানুষ ইকবাল ভাইকেই প্রার্থী হিসেবে চায়। এর বাইরে কাউকে মেনে নেওয়া হবে না।”
নিকলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি বদরুল মোমেন মিঠু বলেন,
“আমি নিজেও প্রার্থী ছিলাম। দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে, তার পক্ষেই আমি ও আমার সমর্থকরা কাজ করবো।”