ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

২০২৬ সালে ১০০ উইকেট বানাতে চায় বিসিবি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৫ বার

মিরপুর, সিলেট এবং চট্টগ্রামের বাইরে দেশের বেশিরভাগ স্টেডিয়ামেরই জরাজীর্ণ দশা। একইসঙ্গে উইকেট নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে বেশ। হাতেগোনা কয়েকটা মাঠ ছাড়া বাকিগুলো ব্যবহার যোগ্য নয়। তাতে জাতীয় দলের বাইরের ম্যাচগুলো ঢাকার বাইরে আয়োজনে হিমশিম খায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেই সমস্যা দূরীকরণে ‘হান্ড্রেড উইকেটস ইন ২০২৬’ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বোর্ড।

বুধবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভা শেষে বিসিবি পরিচালক ও গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাসুদ পাইলট জানিয়েছেন, ২০২৬ সালে ১০০টি উইকেট বানাতে চায় বোর্ড।

খালেদ মাসুদ বলেছেন, ‘আমার মনে হয় বাংলাদেশের ক্রিকেটকে যদি ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে চাই, মাঠ খুব গুরুত্বপূর্ণ। মাঠ ছাড়া ক্রিকেটে অগ্রসর হওয়া খুব কঠিন। আপনারা জানেন অনেকগুলো মাঠ কিন্তু খুবই বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। ফতুল্লার আউটারের কথা যদি বলেন… সঙ্গে সঙ্গে পূর্বাচলের যে মাঠটা আছে দীর্ঘদিন ধরে সেটা আমাদের তালিকাভুক্ত। কিন্তু মাঠের কোনো ধরনের উন্নতি হয়নি। আমরা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করেছি কিন্তু দ্রুতই আমরা চাচ্ছি যে এই মৌসুমের মধ্যে একশর বেশি উইকেট বানানোর জন্য চেষ্টা করছি।’

১০০ উইকেট বানানোর পরিকল্পনা হাতে নিলেও নতুন কোনো মাঠ কিনছে না বিসিবি। খালেদ মাসুদ বলেছেন, ‘ছোট ছোট কিছু কাজ হচ্ছে, যার জন্য হয়তো মাঠে খেলা হচ্ছে না। আপনি যদি ফতুল্লার আউটার খেয়াল করেন, দেখেন- সেখানে সমস্ত কিছু ফেলা আছে হয়তো ২০ শতাংশ কাজ আছে যার জন্য হয়তো খেলাই হচ্ছে না। ওটার যদি উন্নতি করা যায়, ওখানে প্রায় ৯টার মতো উইকেট হবে। পূর্বাচলে আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি, আজকে অনেক কথা বলেছি অনেকটা এগিয়েছে এটা। আশা করছি এখানেও ১০টা করে মোট ২০টা উইকেট হবে।’

‘আমার যতটুকু অভিজ্ঞতা আছে আমাদের বিভাগীয় ভেন্যুগুলো- বগুড়া, খুলনা, রাজশাহীর কথা বলেন, এখানে কিন্তু ২০ বছর আগের পাঁচটা করে সেন্টার উইকেট আছে। দুই পাশে দুটা করে চারটা উইকেট আছে। এই মাঠগুলোতে যখন বয়সভিত্তিক কিংবা প্রথম শ্রেণির খেলা হয় তখন ওই পাঁচটা উইকেটেই খেলা হয়। এর ফলে একটা সময় পর উইকেটের আর ঘাস থাকে না। ওই সেন্টার উইকেটগুলোতে আমরা যদি আরও দুই পাশে দুইটা করে চারটা উইকেট বাড়াই…। ড্রেসিংরুমের সামনেও দুইটা করে চারটা উইকেট আছে। বিপরীত পাশেও যদি আমরা দুইটা করে উইকেট বানাই তাহলে ভবিষ্যতে প্রত্যেকটা ভেন্যুতে আমরা ভালো উইকেট দিতে পারব’-যোগ করেন তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

২০২৬ সালে ১০০ উইকেট বানাতে চায় বিসিবি

আপডেট টাইম : ১২:৩৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

মিরপুর, সিলেট এবং চট্টগ্রামের বাইরে দেশের বেশিরভাগ স্টেডিয়ামেরই জরাজীর্ণ দশা। একইসঙ্গে উইকেট নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে বেশ। হাতেগোনা কয়েকটা মাঠ ছাড়া বাকিগুলো ব্যবহার যোগ্য নয়। তাতে জাতীয় দলের বাইরের ম্যাচগুলো ঢাকার বাইরে আয়োজনে হিমশিম খায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেই সমস্যা দূরীকরণে ‘হান্ড্রেড উইকেটস ইন ২০২৬’ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বোর্ড।

বুধবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভা শেষে বিসিবি পরিচালক ও গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাসুদ পাইলট জানিয়েছেন, ২০২৬ সালে ১০০টি উইকেট বানাতে চায় বোর্ড।

খালেদ মাসুদ বলেছেন, ‘আমার মনে হয় বাংলাদেশের ক্রিকেটকে যদি ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে চাই, মাঠ খুব গুরুত্বপূর্ণ। মাঠ ছাড়া ক্রিকেটে অগ্রসর হওয়া খুব কঠিন। আপনারা জানেন অনেকগুলো মাঠ কিন্তু খুবই বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। ফতুল্লার আউটারের কথা যদি বলেন… সঙ্গে সঙ্গে পূর্বাচলের যে মাঠটা আছে দীর্ঘদিন ধরে সেটা আমাদের তালিকাভুক্ত। কিন্তু মাঠের কোনো ধরনের উন্নতি হয়নি। আমরা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করেছি কিন্তু দ্রুতই আমরা চাচ্ছি যে এই মৌসুমের মধ্যে একশর বেশি উইকেট বানানোর জন্য চেষ্টা করছি।’

১০০ উইকেট বানানোর পরিকল্পনা হাতে নিলেও নতুন কোনো মাঠ কিনছে না বিসিবি। খালেদ মাসুদ বলেছেন, ‘ছোট ছোট কিছু কাজ হচ্ছে, যার জন্য হয়তো মাঠে খেলা হচ্ছে না। আপনি যদি ফতুল্লার আউটার খেয়াল করেন, দেখেন- সেখানে সমস্ত কিছু ফেলা আছে হয়তো ২০ শতাংশ কাজ আছে যার জন্য হয়তো খেলাই হচ্ছে না। ওটার যদি উন্নতি করা যায়, ওখানে প্রায় ৯টার মতো উইকেট হবে। পূর্বাচলে আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি, আজকে অনেক কথা বলেছি অনেকটা এগিয়েছে এটা। আশা করছি এখানেও ১০টা করে মোট ২০টা উইকেট হবে।’

‘আমার যতটুকু অভিজ্ঞতা আছে আমাদের বিভাগীয় ভেন্যুগুলো- বগুড়া, খুলনা, রাজশাহীর কথা বলেন, এখানে কিন্তু ২০ বছর আগের পাঁচটা করে সেন্টার উইকেট আছে। দুই পাশে দুটা করে চারটা উইকেট আছে। এই মাঠগুলোতে যখন বয়সভিত্তিক কিংবা প্রথম শ্রেণির খেলা হয় তখন ওই পাঁচটা উইকেটেই খেলা হয়। এর ফলে একটা সময় পর উইকেটের আর ঘাস থাকে না। ওই সেন্টার উইকেটগুলোতে আমরা যদি আরও দুই পাশে দুইটা করে চারটা উইকেট বাড়াই…। ড্রেসিংরুমের সামনেও দুইটা করে চারটা উইকেট আছে। বিপরীত পাশেও যদি আমরা দুইটা করে উইকেট বানাই তাহলে ভবিষ্যতে প্রত্যেকটা ভেন্যুতে আমরা ভালো উইকেট দিতে পারব’-যোগ করেন তিনি।