দীর্ঘ ২২ বছর পর ভারতকে হারানোর খুশিতে জাতীয় ফুটবল দলের জন্য ২ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা দিয়েছিলেন সদ্য বিদায়ী যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। পদত্যাগের আগে শেষ কার্যদিবসে প্রতিশ্রুত সেই পুরস্কার ভারতকে হারানো দলকে বুঝিয়ে দিয়ে গেছেন তিনি। তবে ঐতিহাসিক এ বিজয়ে ভূমিকা থাকার পরও বঞ্চিত হয়েছেন অতিপরিচিত মুখ দলীয় অ্যাটেন্ডেন্ট মোহাম্মদ মহসীন। তিনিসহ দলের সঙ্গে থাকা আরও তিন অফিশিয়াল এবং ২৩ সদস্যের দলের বাইরে থাকা ৬ ফুটবলারও পাননি উপদেষ্টার পুরস্কার।
১৬ মাস দায়িত্ব পালনকালে ফুটবল উন্নয়নে নানামুখী সহায়তা করেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূ্ইয়া। তারুণ্যের উৎসবের ব্যানারে সর্বোচ্চ বরাদ্দ ফুটবলকে দিয়েছেন। এছাড়া দেশের বেশ কয়েকটি ভেন্যুতে শুধুমাত্র ফুটবলের জন্য বরাদ্দ দিয়েছেন। এর পাশাপাশি উৎসাহবর্ধক বোনাস পুরস্কার তো ছিলই। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল গত বছর অক্টোবরে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ শিরোপা জয় এবং এশিয়ান কাপের মূল পর্বে পা রাখার পর অর্থ পুরস্কার দিয়েছিলেন আসিফ মাহমুদ।
১৮ নভেম্বর জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতকে ১-০ গোলে হারায় বাংলাদেশ। সে ম্যাচ মাঠে থেকে দেখেছেন এবং ম্যাচ শেষে ড্রেসিং রুমে গিয়ে খেলোয়াড়দের সঙ্গে জয় উদযাপন করেছেন। সে সময়ই খেলোয়াড়দের দাবির মুখে ২ কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেন। ঘোষণার এক মাস পার হতেই বুধবার ২৩ ফুটবলার ও ৭ কোচকে ৭ লাখ টাকা করে ২ কোটি ১০ লাখ টাকার চেক বুঝিয়ে দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। তবে বাফুফে পুরস্কারের জন্য ৪০ জনের নাম পাঠিয়েছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাছে। যার মধ্যে ছিল দলের ভিডিও অ্যানালিস্ট আব্দুল্লাহ নাসিফ ইসলাম, দলীয় চিকিৎসক মোহাম্মদ আসিফ ইমরান, মিডিয়া ম্যানেজার সাদমান সাকিব ও দীর্ঘ প্রায় তিন দশক টিম অ্যাটেনডেন্ট জাতীয় দলের সঙ্গে থাকা মহসীনের নাম। তবে এই চারজনকে দেওয়া হয়নি চেক। এছাড়া মূল দলে সুযোগ না পেলেও ক্যাম্পে থাকা আরও ৬ ফুটবলারকেও রাখা হয়েছে হিসাবের বাইরে।
Reporter Name 
























