ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

সিরিজে সমতায় ফিরল বাংলাদেশ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ২০ বার

হারলেই সিরিজ খোয়াবে দল—এমন একটা চাপ নিয়েই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমেছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন-লিটন দাসরা। চাপ ছিল টপ অর্ডার ব্যাটারদের ওপরও। মূলত আগের ম্যাচে তাঁদের ব্যর্থতাতেই হেরেছিল দল। তবে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে বাংলাদেশ। গতকাল চট্টগ্রামে দ্বিতীয় ওয়ানডে ৪ উইকেটে জিতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে সমতায় ফিরেছে বাংলাদেশ। আগামী পরশু একই ভেন্যুতে সিরিজ নির্ধারণী ‘ফাইনাল’।

আগের ম্যাচে ১৮২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ইনিংসের শুরুতেই বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ মুখ থুবড়ে পড়লেও গতকাল তার পুনরাবৃত্তি হয়নি। আর তাতেই রান তাড়ার শুরু থেকেই জয়ের কক্ষপথেই থেকেছে বাংলাদেশ। ওপেনিংয়ে এসে দলীয় ২৬ রানে তানজিদ হাসান তামিম আউট (৭) হয়ে গেলেও দ্বিতীয় উইকেটে আরেক ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনের সঙ্গে দারুণ একটা জুটি গড়েন অধিনায়ক লিটন। ৪৩ বলে ৬০ রানের জুটি গড়েন তাঁরা। দলীয় ৮৬ রানে ইমন আউট হয়ে গেলে ভাঙে এই জুটি। ৫টি চার ও ২টি ছয়ে ২৮ বলে ৪৩ রান করেন তিনি। তিনি ফিফটি করতে না পারলেও ফিফটি করেছেন লিটন। ৩টি চার ও ৩টি ছয়ে ৩৪ বলে ফিফটি করেন অধিনায়ক।

তবে ফিফটি ছুঁয়ে বেশি দূর এগোতে পারেননি তিনি। ৩৭ বলে ৫৭ করে আউট হয়ে যান। তাঁর বিদায়ের পরই অধিনায়ককে অনুসরণ করেন সাইফ হাসান। ফিরে যান নুরুল হাসান সোহানও (৭)। তাতে ম্যাচটা বাংলাদেশের জন্য কঠিন হয়ে উঠলে ৭ বলে ১৭ রান করে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ২টি চার ও ১টি ছয়ে তাঁর ইনিংসটির স্ট্রাইরেট—২৪২.৮৫।

এর আগে টসে জিতে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৭০ রান তোলে আয়ারল্যান্ড। টিম হেক্টরকে নিয়ে ওপেনিংয়ে দলকে দারুণ একটা সূচনা এনে দেন অধিনায়ক পল স্টার্লিং। তানজিম হাসান সাকিবের বলে বাংলাদেশের প্রথম শিকার হওয়ার আগে ঝোড়ো ক্যামিও খেলেন স্টার্লিং। ৩টি চার ও ২টি ছয়ে ১৪ বলে ২৯ রান করে তিনি যখন বিদায় নিলেন, তখন আয়ারল্যান্ডের দলীয় রান ৫৭। তখনো পাঁচ ওভার পেরোয়নি। হাত খুলে খেলায় টিম হেক্টরও খুব একটা পিছিয়ে ছিলেন না। দলীয় ৮৮ রানে আউট হওয়ার আগে ২৫ বলে ৩৮ রান করেন তিনি।

টিম হেক্টরের বিদায় পর অবশ্য দ্রুতই আরও দুটি উইকেট হারিয়েছে আয়ারল্যান্ড। যে ওভারে শেখ মেহেদী হাসান ফিরিয়ে দিয়েছিলেন হেক্টরকে ওই ওভারেই তিনি ফেরান আরেক টেক্টর হ্যারিকে। হ্যারি অবশ্য থিতু হতে পারেননি, ১১ বলে ১১ রান করে আউট হয়েছেন। কিছুক্ষণ পরই হ্যারিকে অনুসরণ করে ফিরে যান বেন কালিটজ (৭)। তবে এক প্রান্ত ধরে রেখে খেলতে থাকেন লরকান টাকার। তিনি আউট হওয়ার আগে ৩২ বলে ইনিংস সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন। জর্জ ডকরেল ১৮ রান করে আউট হলেও ১০ রানে অপরাজিত থাকেন গারেথ ডেলানি। আয়ারল্যান্ড ৬ উইকেটে তোলে ১৭০ রান। বল হাতে সবচেয়ে সফল শেখ মেহেদী হাসান; ২৫ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিজয় দিবস : জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার নতুন শপথ

সিরিজে সমতায় ফিরল বাংলাদেশ

আপডেট টাইম : ১১:২৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

হারলেই সিরিজ খোয়াবে দল—এমন একটা চাপ নিয়েই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমেছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন-লিটন দাসরা। চাপ ছিল টপ অর্ডার ব্যাটারদের ওপরও। মূলত আগের ম্যাচে তাঁদের ব্যর্থতাতেই হেরেছিল দল। তবে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে বাংলাদেশ। গতকাল চট্টগ্রামে দ্বিতীয় ওয়ানডে ৪ উইকেটে জিতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে সমতায় ফিরেছে বাংলাদেশ। আগামী পরশু একই ভেন্যুতে সিরিজ নির্ধারণী ‘ফাইনাল’।

আগের ম্যাচে ১৮২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ইনিংসের শুরুতেই বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ মুখ থুবড়ে পড়লেও গতকাল তার পুনরাবৃত্তি হয়নি। আর তাতেই রান তাড়ার শুরু থেকেই জয়ের কক্ষপথেই থেকেছে বাংলাদেশ। ওপেনিংয়ে এসে দলীয় ২৬ রানে তানজিদ হাসান তামিম আউট (৭) হয়ে গেলেও দ্বিতীয় উইকেটে আরেক ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনের সঙ্গে দারুণ একটা জুটি গড়েন অধিনায়ক লিটন। ৪৩ বলে ৬০ রানের জুটি গড়েন তাঁরা। দলীয় ৮৬ রানে ইমন আউট হয়ে গেলে ভাঙে এই জুটি। ৫টি চার ও ২টি ছয়ে ২৮ বলে ৪৩ রান করেন তিনি। তিনি ফিফটি করতে না পারলেও ফিফটি করেছেন লিটন। ৩টি চার ও ৩টি ছয়ে ৩৪ বলে ফিফটি করেন অধিনায়ক।

তবে ফিফটি ছুঁয়ে বেশি দূর এগোতে পারেননি তিনি। ৩৭ বলে ৫৭ করে আউট হয়ে যান। তাঁর বিদায়ের পরই অধিনায়ককে অনুসরণ করেন সাইফ হাসান। ফিরে যান নুরুল হাসান সোহানও (৭)। তাতে ম্যাচটা বাংলাদেশের জন্য কঠিন হয়ে উঠলে ৭ বলে ১৭ রান করে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ২টি চার ও ১টি ছয়ে তাঁর ইনিংসটির স্ট্রাইরেট—২৪২.৮৫।

এর আগে টসে জিতে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৭০ রান তোলে আয়ারল্যান্ড। টিম হেক্টরকে নিয়ে ওপেনিংয়ে দলকে দারুণ একটা সূচনা এনে দেন অধিনায়ক পল স্টার্লিং। তানজিম হাসান সাকিবের বলে বাংলাদেশের প্রথম শিকার হওয়ার আগে ঝোড়ো ক্যামিও খেলেন স্টার্লিং। ৩টি চার ও ২টি ছয়ে ১৪ বলে ২৯ রান করে তিনি যখন বিদায় নিলেন, তখন আয়ারল্যান্ডের দলীয় রান ৫৭। তখনো পাঁচ ওভার পেরোয়নি। হাত খুলে খেলায় টিম হেক্টরও খুব একটা পিছিয়ে ছিলেন না। দলীয় ৮৮ রানে আউট হওয়ার আগে ২৫ বলে ৩৮ রান করেন তিনি।

টিম হেক্টরের বিদায় পর অবশ্য দ্রুতই আরও দুটি উইকেট হারিয়েছে আয়ারল্যান্ড। যে ওভারে শেখ মেহেদী হাসান ফিরিয়ে দিয়েছিলেন হেক্টরকে ওই ওভারেই তিনি ফেরান আরেক টেক্টর হ্যারিকে। হ্যারি অবশ্য থিতু হতে পারেননি, ১১ বলে ১১ রান করে আউট হয়েছেন। কিছুক্ষণ পরই হ্যারিকে অনুসরণ করে ফিরে যান বেন কালিটজ (৭)। তবে এক প্রান্ত ধরে রেখে খেলতে থাকেন লরকান টাকার। তিনি আউট হওয়ার আগে ৩২ বলে ইনিংস সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন। জর্জ ডকরেল ১৮ রান করে আউট হলেও ১০ রানে অপরাজিত থাকেন গারেথ ডেলানি। আয়ারল্যান্ড ৬ উইকেটে তোলে ১৭০ রান। বল হাতে সবচেয়ে সফল শেখ মেহেদী হাসান; ২৫ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।