মাত্র ১৩ বছরেই লিস্ট এ ক্রিকেটে অভিষেক। অথচ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সুযোগ পেতে অপেক্ষা করতে হয় ১৫ বছর।
দীর্ঘ অপেক্ষার পর গত ১ নভেম্বর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় পাঞ্জাবের বাহাওয়ালপুরে জন্ম নেওয়া উসমান তারিক চৌধুরীর। ২৮ ছুঁইছুঁই এই তারকা অলরাউন্ডার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের দ্বিতীয় ম্যাচেই গড়েছেন অনন্য নজির।
পাকিস্তানের চতুর্থ বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টির সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে গড়েছেন হ্যাটট্রিক। তার আগে ফাহিম আশরাফ, মোহাম্মদ হাসনাইন ও মোহাম্মদ নওয়াজ এই নজির গড়েছিলেন।
গত ১ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ খেলায় অভিষেক হয় উসমান তারিকের। লাহোরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের প্রথম ম্যাচে রেজা হেনরিকস এবং দেওয়াল্ড ব্রেভিসের উইকেট শিকার করে ক্যারিয়ারের প্রথম ম্যাচটা ঝলমলে করে রাখেন উসমান তারিক।
গত পরশু ২৩ নভেম্বর উসমানের ছিল ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচ। এদিন রাওয়ালপিন্ডিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে তার ঘূর্ণি বলে বিভ্রান্ত হয়ে ১৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ১৯ ওভারে ১২৬ রানেই অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে।
৬৯ রানের বড় ব্যবধানে জিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল নিশ্চিত করে পাকিস্তান। দলকে ফাইনালে তুলে দেওয়ার ম্যাচে ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রান খরচায় হ্যাটট্রিক সহ ৪ উইকেট শিকার করে ‘ম্যান অব দ্যা ম্যাচ’ হন উসমান।
খেলা শেষে তিনি বলেন, হ্যাটট্রিক করার সৌভাগ্য পেয়ে আমি ধন্য। পেশোয়ারে আমার কোচরা আমাকে বোলিংয়ে দুই ধরণের বৈচিত্র্য এনে দিয়েছেন। আমাকে গতি এবং স্পিন বৈচিত্র্যের যত্ন নিতে হবে।
পাঞ্জাবের এই অলরাউন্ডার ক্রিকেটে হাতে খড়ির পর থেকেই স্বপ্ন দেখছেন ভারতকে হারানোর। সুযোগ পেলে ভারত ম্যাচে নিজেকে উজার করে দেবেন। সাব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রীলংকার কলম্বোতে দেখা হয়ে যেতে পারে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তানের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টানটান উত্তেজনাকর সেই ম্যাচে উসমান তারিক পাকিস্তানের একাদশে সুযোগ পাবেন কিনা, তা সময়ই বলে দেব।
ভারতের বিপক্ষে খেলার স্বপ্নের কথা জানিয়ে উসমান তারিক বলেছেন, ‘আমি চাই ভারতের বিপক্ষে খেলতে এবং দলকে একাই জয়ী করতে। আমি ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই এই স্বপ্ন দেখছি, এটাই হবে আমার ক্যারিয়ারে স্বপ্নের পারফরম্যান্স।’
Reporter Name 
























