ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকের পদ দশম গ্রেডে উন্নীত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:০৯:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮১ বার

দীর্ঘ আন্দোলন-অবস্থানের পর অবশেষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে ৬৫ হাজার ৫০২ জন প্রধান শিক্ষকের বেতন গ্রেড ১১তম থেকে উন্নীত করে ১০ম গ্রেডে উন্নয়নের সম্মতি দিয়েছে। অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনুবিভাগ থেকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে এই সম্মতির কথা জানানো হয়।

ওই চিঠিতে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের পূর্বানুমোদনের ভিত্তিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার বিষয়ে অর্থ বিভাগের সম্মতি প্রদান করা হলো।

নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী প্রধান শিক্ষকদের বেতন নির্ধারিত হবে ১৬ হাজার থেকে ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকার মধ্যে (গ্রেড-১০)। আগে এই স্কেল ছিল ১২ হাজার ৫০০ থেকে ৩০ হাজার ২৩০ টাকা (গ্রেড-১১)। অর্থাৎ, প্রতি মাসে প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তি আর্থিক সুবিধা পাবেন তাঁরা।

চিঠিতে আরও বলা হয়Ñ উন্নীত বেতন গ্রেড বাস্তবায়নে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ অনুসারে পদ পূরণযোগ্য হতে হবে। পাশাপাশি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ৭ অক্টোবরের স্মারক ও ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের গত ২৮ জুলাইয়ের নির্দেশাবলী যথাযথভাবে মেনে পদ মঞ্জুরি আদেশ (জিও) জারি করতে হবে। অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী এখন প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে পদ মঞ্জুরি আদেশ (জিও) জারি করতে হবে

এবং তা ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগে পৃষ্ঠাঙ্কন করাতে হবে। সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হবে শিগগিরই।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। গত কয়েক মাসে আন্দোলন, অবস্থান কর্মসূচি ও মানববন্ধনের মধ্য দিয়ে তাঁরা এই দাবি তুলে ধরেন। সম্প্রতি সহকারী শিক্ষকদের আন্দোলনও সরকারের নজর আসে। সেই ধারাবাহিকতায় সরকারের উচ্চপর্যায়ে বিষয়টি আলোচনায় আসে এবং অবশেষে অর্থ বিভাগ আনুষ্ঠানিক সম্মতি জানায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মিঠামইনে উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা, আহত আরও একজন

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকের পদ দশম গ্রেডে উন্নীত

আপডেট টাইম : ০৭:০৯:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

দীর্ঘ আন্দোলন-অবস্থানের পর অবশেষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে ৬৫ হাজার ৫০২ জন প্রধান শিক্ষকের বেতন গ্রেড ১১তম থেকে উন্নীত করে ১০ম গ্রেডে উন্নয়নের সম্মতি দিয়েছে। অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনুবিভাগ থেকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে এই সম্মতির কথা জানানো হয়।

ওই চিঠিতে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের পূর্বানুমোদনের ভিত্তিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার বিষয়ে অর্থ বিভাগের সম্মতি প্রদান করা হলো।

নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী প্রধান শিক্ষকদের বেতন নির্ধারিত হবে ১৬ হাজার থেকে ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকার মধ্যে (গ্রেড-১০)। আগে এই স্কেল ছিল ১২ হাজার ৫০০ থেকে ৩০ হাজার ২৩০ টাকা (গ্রেড-১১)। অর্থাৎ, প্রতি মাসে প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তি আর্থিক সুবিধা পাবেন তাঁরা।

চিঠিতে আরও বলা হয়Ñ উন্নীত বেতন গ্রেড বাস্তবায়নে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ অনুসারে পদ পূরণযোগ্য হতে হবে। পাশাপাশি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ৭ অক্টোবরের স্মারক ও ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের গত ২৮ জুলাইয়ের নির্দেশাবলী যথাযথভাবে মেনে পদ মঞ্জুরি আদেশ (জিও) জারি করতে হবে। অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী এখন প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে পদ মঞ্জুরি আদেশ (জিও) জারি করতে হবে

এবং তা ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগে পৃষ্ঠাঙ্কন করাতে হবে। সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হবে শিগগিরই।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। গত কয়েক মাসে আন্দোলন, অবস্থান কর্মসূচি ও মানববন্ধনের মধ্য দিয়ে তাঁরা এই দাবি তুলে ধরেন। সম্প্রতি সহকারী শিক্ষকদের আন্দোলনও সরকারের নজর আসে। সেই ধারাবাহিকতায় সরকারের উচ্চপর্যায়ে বিষয়টি আলোচনায় আসে এবং অবশেষে অর্থ বিভাগ আনুষ্ঠানিক সম্মতি জানায়।