ঢাকা ০৩:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা মহররমের চাঁদ দেখা গেছে ২৬ জুন সারাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র আশুরা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রতিটি জেলায় খামার স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী আত্রাই নদীতে অবৈধ সৌতিজালের বিরুদ্ধে অভিযান নেটওয়ার্ক খুঁজতে আম গাছে প্রধান শিক্ষক, কী ঘটেছিল সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে ফেরাতে আরব আমিরাতকে দুদকের চিঠি মাদরাসা শিক্ষকদের মে মাসের বেতন বিলম্ব: দ্রুত সমাধান ও স্থায়ী ব্যবস্থার দাবি বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করতে খেলাধুলা-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জোর দিতে হবে রাত পোহালেই আর্জেন্টিনার ম্যাচ, মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন মেসি

ডাবের পানি খাইয়ে কেন অনশন ভাঙানো হয়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৬ বার

বিভিন্ন ধরনের দাবি-দাওয়া আদায়ে মানুষজন ভিন্ন রকমের কর্মসূচি পালন করে থাকেন। সেটি যেমন শান্তিপূর্ণ হতে পারে, তেমনি হতে পারে সহিংস। তবে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হলো আমরণ অনশন, যে প্রথাটি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় থেকে শুরু হয়েছিল। এখনও সেটা চালু রয়েছে। এ ধরনের কর্মসূচিতে অন্য কারও ক্ষতি না হলেও অনশনকারী অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেজন্য বড় রকমের অসুস্থতার হাত থেকে থেকে রক্ষা পেতে অনশনকারীকে দাবি পূরণের আশ্বাস দেয় কর্তৃপক্ষ।

এখন কেউ যদি অনশনে বসে, তা দেখে অনেকেরই মাথায় আসে একটি কথা। অনশন ভাঙাতে অনশনকারীকে নিশ্চয়ই ডাবের পানি খাওয়ানো হবে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে সেটিই সচারচার ঘটে। একইসঙ্গে ফলের জুস খাইয়েও অনশন ভাঙাতে দেখা যায়।

দীর্ঘ সময় না খেয়ে খাকলে শরীরে কী প্রভাব পড়ে?

পুষ্টিবিদরা বলছেন– ক্ষুধা লাগার পরেও না খেলে অ্যাসিডিটি হতে পারে। এমনকি রক্তচাপ কমে যেতে পারে, হতে পারে পেশি ক্ষয়। দিনের পর দিন না খেয়ে থাকলে শরীরে শক্তি কমে যায়। ক্লান্তি ও মাথা ঘোরা অনুভব হয়। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। মেজাজ খারাপ হতে পারে। এতে করে হজমশক্তি সাময়িকভাবে দুর্বল হয়ে যায়— অ্যাসিড বাড়ে, এনজাইম কমে, আর অন্ত্রের মুভমেন্ট ধীর হয়।

আর দীর্ঘমেয়াদে তা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি ও গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এছাড়াও যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের বা অন্যদেরও রক্তের সুগারের মাত্রা অনেক কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

ডাবের পানির উপকারিতা:

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করতে ডাবের পানি অনেক বেশি কার্যকরী। এতে আছে ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম ও ভিটামিন সি, যা ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণ করে। ডাবের পানি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়। ফলে গরমের সময়ও শরীর সুস্থ ও সতেজ থাকে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা পাচনতন্ত্রকে সুস্থ রাখে। হজমশক্তি অনেক বাড়িয়ে তোলে। প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্যের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

এছাড়াও ডাই-ইউরেটিক উপাদান যা ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশনের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াকে নষ্টই শুধু করে না, পাশাপাশি শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তোলে।

এখন আলোচনার মাধ্যমে একটা সমাধানে আসা যাক। প্রথমে দেখে নিলাম, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে একজন মানুষের শরীরে কী ধরনের প্রভাব পড়ে। সবচেয়ে বেশি যে ক্ষতিটা হয়– হজমশক্তি দুর্বল হয়ে যায়, অ্যাসিড বাড়ে। এখন ডাবের পানির উপকারিতার আলোচনায় আমরা দেখলাম– ডাবের পানি পাচনতন্ত্রকে সুস্থ রাখে। হজমশক্তি অনেক বাড়িয়ে তোলে।

এবার আপনিই বলেন, ডাবের পানি খাইয়ে কেন অনশন ভাঙানো হয়?

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

১৫ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা

ডাবের পানি খাইয়ে কেন অনশন ভাঙানো হয়

আপডেট টাইম : ১১:১৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

বিভিন্ন ধরনের দাবি-দাওয়া আদায়ে মানুষজন ভিন্ন রকমের কর্মসূচি পালন করে থাকেন। সেটি যেমন শান্তিপূর্ণ হতে পারে, তেমনি হতে পারে সহিংস। তবে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হলো আমরণ অনশন, যে প্রথাটি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় থেকে শুরু হয়েছিল। এখনও সেটা চালু রয়েছে। এ ধরনের কর্মসূচিতে অন্য কারও ক্ষতি না হলেও অনশনকারী অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেজন্য বড় রকমের অসুস্থতার হাত থেকে থেকে রক্ষা পেতে অনশনকারীকে দাবি পূরণের আশ্বাস দেয় কর্তৃপক্ষ।

এখন কেউ যদি অনশনে বসে, তা দেখে অনেকেরই মাথায় আসে একটি কথা। অনশন ভাঙাতে অনশনকারীকে নিশ্চয়ই ডাবের পানি খাওয়ানো হবে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে সেটিই সচারচার ঘটে। একইসঙ্গে ফলের জুস খাইয়েও অনশন ভাঙাতে দেখা যায়।

দীর্ঘ সময় না খেয়ে খাকলে শরীরে কী প্রভাব পড়ে?

পুষ্টিবিদরা বলছেন– ক্ষুধা লাগার পরেও না খেলে অ্যাসিডিটি হতে পারে। এমনকি রক্তচাপ কমে যেতে পারে, হতে পারে পেশি ক্ষয়। দিনের পর দিন না খেয়ে থাকলে শরীরে শক্তি কমে যায়। ক্লান্তি ও মাথা ঘোরা অনুভব হয়। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। মেজাজ খারাপ হতে পারে। এতে করে হজমশক্তি সাময়িকভাবে দুর্বল হয়ে যায়— অ্যাসিড বাড়ে, এনজাইম কমে, আর অন্ত্রের মুভমেন্ট ধীর হয়।

আর দীর্ঘমেয়াদে তা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি ও গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এছাড়াও যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের বা অন্যদেরও রক্তের সুগারের মাত্রা অনেক কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

ডাবের পানির উপকারিতা:

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করতে ডাবের পানি অনেক বেশি কার্যকরী। এতে আছে ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম ও ভিটামিন সি, যা ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণ করে। ডাবের পানি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়। ফলে গরমের সময়ও শরীর সুস্থ ও সতেজ থাকে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা পাচনতন্ত্রকে সুস্থ রাখে। হজমশক্তি অনেক বাড়িয়ে তোলে। প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্যের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

এছাড়াও ডাই-ইউরেটিক উপাদান যা ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশনের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াকে নষ্টই শুধু করে না, পাশাপাশি শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তোলে।

এখন আলোচনার মাধ্যমে একটা সমাধানে আসা যাক। প্রথমে দেখে নিলাম, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে একজন মানুষের শরীরে কী ধরনের প্রভাব পড়ে। সবচেয়ে বেশি যে ক্ষতিটা হয়– হজমশক্তি দুর্বল হয়ে যায়, অ্যাসিড বাড়ে। এখন ডাবের পানির উপকারিতার আলোচনায় আমরা দেখলাম– ডাবের পানি পাচনতন্ত্রকে সুস্থ রাখে। হজমশক্তি অনেক বাড়িয়ে তোলে।

এবার আপনিই বলেন, ডাবের পানি খাইয়ে কেন অনশন ভাঙানো হয়?