ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ সাড়ে ৩ কেজি ওজনের দুই ইলিশ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন হচ্ছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী থমকে আছে উন্নয়ন প্রকল্প ও তদারকি, মন্ত্রণালয়ে ঘুরছেন এমপিরা কেন শিশুদের ঘ্রাণবিষয়ক শিক্ষা দিতে বললেন এই বিশেষজ্ঞ নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বাড়ল বেতন বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জনগণই বিএনপির রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: তারেক রহমান নরওয়ের রাজার মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষে শোকবইয়ে স্বাক্ষর স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর যশোরে নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ ১১৩ জনের নামে মামলা হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

নাম পরিবর্তন করে ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ নামে আত্মপ্রকাশ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৪৭:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৩৬ বার

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কয়েকজন নেতার উদ্যোগে গঠিত বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ (বাগছাস) এখন নতুন নামে পরিচিত হচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) শাহবাগের আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক জাতীয় সম্মেলনে সংগঠনটির নতুন নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।

নতুন এই সংগঠন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)–র সহযোগী ছাত্র সংগঠন হিসেবে কাজ করবে বলে জানানো হয়।

সম্মেলনে নিহত ছাত্রনেতা মাহমুদুর রহমান সৈকতের বোন সাবরিনা আক্তার সেবন্তি সংগঠনের নতুন নাম ঘোষণা করেন। তবে এদিন নতুন কোনো নেতৃত্ব কমিটি ঘোষণা করা হয়নি।

জুলাই মাসের অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর অনেকেই পরবর্তীতে বাগছাসের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন।

অভ্যুত্থানের পর সংগঠনের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়লেও চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কিছু সাবেক নেতা উদ্যোগ নিয়ে পুনর্গঠন করেন সংগঠনটি।

শুরুতে তারা নিজেদের স্বাধীন সংগঠন হিসেবে তুলে ধরলেও বাস্তবে এনসিপির ছাত্রশাখা হিসেবেই কার্যক্রম পরিচালনা করছিল।

দলীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আট মাস পার হলেও সংগঠনটি প্রত্যাশিত সাড়া পায়নি। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে দুর্বল ফলাফলের পর নেতৃত্ব পর্যায়ে পরিবর্তন ও নতুন কৌশল নির্ধারণের প্রয়োজন দেখা দেয়।

পরবর্তীতে এনসিপির পক্ষ থেকে নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব আসে, যা বৃহস্পতিবারের সম্মেলনে অনুমোদিত হয়।

সম্মেলনে এনসিপির বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন,

“দল যদি কখনও ভুল পথে যায়, ছাত্ররাই প্রথমে সেই ভুল ধরিয়ে দেবে। প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “দেশের রাজনীতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে ছাত্রসমাজের উপর। গণতন্ত্র রক্ষায় তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য।”

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে ছাত্রদেরই সামনে আসতে হবে। নতুন প্রজন্মই রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।”

এ সময় উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, “যারা ব্যক্তিস্বার্থে লিপ্ত, তাদের জন্য এনসিপির কোনো সংগঠনে জায়গা নেই। গণতন্ত্রের দীর্ঘ যাত্রায় ছাত্ররাই জনগণের শক্তি হয়ে উঠবে।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ

নাম পরিবর্তন করে ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ নামে আত্মপ্রকাশ

আপডেট টাইম : ১০:৪৭:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কয়েকজন নেতার উদ্যোগে গঠিত বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ (বাগছাস) এখন নতুন নামে পরিচিত হচ্ছে ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) শাহবাগের আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক জাতীয় সম্মেলনে সংগঠনটির নতুন নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।

নতুন এই সংগঠন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)–র সহযোগী ছাত্র সংগঠন হিসেবে কাজ করবে বলে জানানো হয়।

সম্মেলনে নিহত ছাত্রনেতা মাহমুদুর রহমান সৈকতের বোন সাবরিনা আক্তার সেবন্তি সংগঠনের নতুন নাম ঘোষণা করেন। তবে এদিন নতুন কোনো নেতৃত্ব কমিটি ঘোষণা করা হয়নি।

জুলাই মাসের অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর অনেকেই পরবর্তীতে বাগছাসের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন।

অভ্যুত্থানের পর সংগঠনের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়লেও চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কিছু সাবেক নেতা উদ্যোগ নিয়ে পুনর্গঠন করেন সংগঠনটি।

শুরুতে তারা নিজেদের স্বাধীন সংগঠন হিসেবে তুলে ধরলেও বাস্তবে এনসিপির ছাত্রশাখা হিসেবেই কার্যক্রম পরিচালনা করছিল।

দলীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আট মাস পার হলেও সংগঠনটি প্রত্যাশিত সাড়া পায়নি। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে দুর্বল ফলাফলের পর নেতৃত্ব পর্যায়ে পরিবর্তন ও নতুন কৌশল নির্ধারণের প্রয়োজন দেখা দেয়।

পরবর্তীতে এনসিপির পক্ষ থেকে নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব আসে, যা বৃহস্পতিবারের সম্মেলনে অনুমোদিত হয়।

সম্মেলনে এনসিপির বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন,

“দল যদি কখনও ভুল পথে যায়, ছাত্ররাই প্রথমে সেই ভুল ধরিয়ে দেবে। প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “দেশের রাজনীতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে ছাত্রসমাজের উপর। গণতন্ত্র রক্ষায় তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য।”

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে ছাত্রদেরই সামনে আসতে হবে। নতুন প্রজন্মই রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।”

এ সময় উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, “যারা ব্যক্তিস্বার্থে লিপ্ত, তাদের জন্য এনসিপির কোনো সংগঠনে জায়গা নেই। গণতন্ত্রের দীর্ঘ যাত্রায় ছাত্ররাই জনগণের শক্তি হয়ে উঠবে।”