ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশু আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ৬ টুকরো : আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড সংসদে ‘অঙ্গুলিনির্দেশ’ এক্সপাঞ্জের দাবি হিলালীর, স্পিকার বললেন—‘করা যাবে না’ হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না

যে কারণে আত্মহত্যা করলেন সিআইডি’র এসআই

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:২৬:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ নভেম্বর ২০১৬
  • ৩০৯ বার

পারিবারিক কলহের জের ধরে উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোমেন হাসনায়েন রব্বানী (৪০) আত্মহত্যা করেছেন বলে মনে করছে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-৫৩/১৬।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় পল্লবী থানা এলাকার ৮ নং রোডের ৫ নং বাড়ির ৪র্থ তলা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রব্বানী পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) এসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

রব্বানী স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। ছেলের বয়স ১১ বছর ও মেয়ের বয়স সাড়ে তিন বছর। তার গ্রামের বাড়ি যশোরের বেজপাড়ায়।

পরিবারের বরাত দিয়ে পল্লবী থানার এসআই সুলতান আলী

শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি পরিবারের সাথে তার সম্পর্ক ভালো ছিল না। পারিবারিক কলহের জেরেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

তিনি বলেন, ‘রব্বানী সিআইডি সাসপেনসানে ছিলেন এমন একটা কথাও শোনা গেছে। তবে এ সংক্রান্ত কোন তথ্যপ্রমাণ আমাদের হাতে আসেনি। তাই নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না’।

এসআই সোলেমান বলেন, রব্বানীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তার স্বজনরা বাড়িওয়ালা মামুনুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে বাড়িওয়ালা জানায়, তার বাসার ভেতর থেকে দরজা বন্ধ।

পরে খবর পেয়ে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় বাসার দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ড্রইং রুমের ফ্যানের সঙ্গে রব্বানীর মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে পুলিশ। এরপর মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

এসআই সুলতান বলেন, ঘটনার সময় তার বাসায় কেউ ছিল না। তার স্ত্রী ছেলে-মেয়েদের নিয়ে গত তিনদিন আগে বাপের বাড়ি যান। এই সুযোগে তিনি বাসার ড্রইং রুমে গামছা দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেন।

মরদেহটির সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রব্বানীর শরীরের অন্য কোথাও কোন আঘাত বা জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

মৃত্যুর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলেও জানান এসআই সুলতান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

যে কারণে আত্মহত্যা করলেন সিআইডি’র এসআই

আপডেট টাইম : ০৪:২৬:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ নভেম্বর ২০১৬

পারিবারিক কলহের জের ধরে উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোমেন হাসনায়েন রব্বানী (৪০) আত্মহত্যা করেছেন বলে মনে করছে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-৫৩/১৬।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় পল্লবী থানা এলাকার ৮ নং রোডের ৫ নং বাড়ির ৪র্থ তলা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রব্বানী পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) এসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

রব্বানী স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। ছেলের বয়স ১১ বছর ও মেয়ের বয়স সাড়ে তিন বছর। তার গ্রামের বাড়ি যশোরের বেজপাড়ায়।

পরিবারের বরাত দিয়ে পল্লবী থানার এসআই সুলতান আলী

শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি পরিবারের সাথে তার সম্পর্ক ভালো ছিল না। পারিবারিক কলহের জেরেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

তিনি বলেন, ‘রব্বানী সিআইডি সাসপেনসানে ছিলেন এমন একটা কথাও শোনা গেছে। তবে এ সংক্রান্ত কোন তথ্যপ্রমাণ আমাদের হাতে আসেনি। তাই নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না’।

এসআই সোলেমান বলেন, রব্বানীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তার স্বজনরা বাড়িওয়ালা মামুনুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে বাড়িওয়ালা জানায়, তার বাসার ভেতর থেকে দরজা বন্ধ।

পরে খবর পেয়ে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় বাসার দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ড্রইং রুমের ফ্যানের সঙ্গে রব্বানীর মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে পুলিশ। এরপর মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

এসআই সুলতান বলেন, ঘটনার সময় তার বাসায় কেউ ছিল না। তার স্ত্রী ছেলে-মেয়েদের নিয়ে গত তিনদিন আগে বাপের বাড়ি যান। এই সুযোগে তিনি বাসার ড্রইং রুমে গামছা দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেন।

মরদেহটির সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রব্বানীর শরীরের অন্য কোথাও কোন আঘাত বা জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

মৃত্যুর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলেও জানান এসআই সুলতান।