ঢাকা ০১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

সুযোগের অপেক্ষায় আকবর আলী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৬:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৯১ বার

টানা দ্বিতীয়বারের মতো এনসিএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতেছে রংপুর বিভাগ। নেতৃত্বে ছিলেন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক আকবর আলী। গত আসরের মতো এবারও রংপুরের শিরোপা ধরে রাখার পেছনে নেতৃত্ব ও ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এ তরুণ ক্রিকেটার। তবে এই জয়ের আনন্দের মাঝেও উঠে এসেছে তার জাতীয় দলে সুযোগ না পাওয়ার প্রসঙ্গ।

জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাড়তে না পারা নিয়ে আকবর আলী বলেন, একজন পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে তিনি এসব নিয়ে চিন্তা করেন না। একজন পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে এটা কখনও কাজ করে না। হ্যাঁ, ভালো খেললে ভালো লাগে, খারাপ খেললে খারাপ লাগে। কিন্তু ওরা খেলছে আমি নাই-এভাবে ভাবলে সেটি পেশাদার মানসিকতার সঙ্গে যায় না। খারাপ লাগে তখনই, যখন আমি নিজে খারাপ খেলি।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘যেখানেই সুযোগ পাই, চেষ্টা করি ভালো খেলার। আমি এসব নিয়ে মাথা ঘামাই না, শুধু মাঠে নিজের কাজটা ঠিকভাবে করতে চাই।’

রংপুরের সফল এ অধিনায়ক ফাইনালে দলের জয়ের কৌশল সম্পর্কেও খোলামেলা কথা বলেছেন। আকবর জানান, সন্ধ্যার আগে কুয়াশা পড়বে এটা মাথায় রেখে স্পিনারদের আগভাগেই ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল তার, ‘আমরা জানতাম ৩৫-৪০ মিনিট পর কুয়াশা নামবে, তখন স্পিনারদের বল গ্রিপ করা কঠিন হবে। তাই দ্রুত তাদের স্পেল শেষ করার পরিকল্পনা নিয়েছিলাম। স্পিনাররাই মূলত ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।’

সিলেটের মাঠে দর্শক না আসা নিয়েও মত দেন আকবর, ‘সিলেটে দর্শক কিছুটা কম ছিল। তবে রাজশাহী বা বগুড়ায় ম্যাচ হলে হাজার হাজার দর্শক মাঠে আসত। আমি টিকিটের লাইনে নিজে চোখে দেখেছি সেই উৎসাহ।’ অধিনায়ক হিসেবে আকবরের সাফল্যের তালিকা দীর্ঘ। চার দিনের এনসিএলে রংপুরকে শিরোপা জিতিয়েছেন, ওয়ানডে বিসিএলে উত্তরাঞ্চল হয়েছে চ্যাম্পিয়ন, আর এখন এনসিএল টি-টোয়েন্টির দুই আসরেই তিনি রংপুরকে শিরোপা এনে দিয়েছেন।

সদ্য সমাপ্ত আসরে ৯ ইনিংসে ৩১.৭১ গড়ে ও ১৪৭.০২ স্ট্রাইক রেটে করেছেন ২২২ রান, যা তাকে এনে দিয়েছে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। তবু জাতীয় দলের সুযোগ এখনও অধরা। তার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সতীর্থ শরিফুল ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, তাওহীদ হৃদয়, শামীম পাটোয়ারী, মাহমুদুল হাসান জয়- সবারই জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছে।

একমাত্র আকবর আলী এখনও অপেক্ষায়। ২০২১ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ডাক পেলেও অভিষেক হয়নি তার। তবে আকবর এখনও আশা ছাড়েননি। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই, সবারই একটা স্বপ্ন থাকে-আমারও আছে। জাতীয় দলের হয়ে খেলাটা যে কোনো ক্রিকেটারের চূড়ান্ত লক্ষ্য।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

সুযোগের অপেক্ষায় আকবর আলী

আপডেট টাইম : ১১:১৬:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

টানা দ্বিতীয়বারের মতো এনসিএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতেছে রংপুর বিভাগ। নেতৃত্বে ছিলেন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক আকবর আলী। গত আসরের মতো এবারও রংপুরের শিরোপা ধরে রাখার পেছনে নেতৃত্ব ও ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এ তরুণ ক্রিকেটার। তবে এই জয়ের আনন্দের মাঝেও উঠে এসেছে তার জাতীয় দলে সুযোগ না পাওয়ার প্রসঙ্গ।

জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাড়তে না পারা নিয়ে আকবর আলী বলেন, একজন পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে তিনি এসব নিয়ে চিন্তা করেন না। একজন পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে এটা কখনও কাজ করে না। হ্যাঁ, ভালো খেললে ভালো লাগে, খারাপ খেললে খারাপ লাগে। কিন্তু ওরা খেলছে আমি নাই-এভাবে ভাবলে সেটি পেশাদার মানসিকতার সঙ্গে যায় না। খারাপ লাগে তখনই, যখন আমি নিজে খারাপ খেলি।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘যেখানেই সুযোগ পাই, চেষ্টা করি ভালো খেলার। আমি এসব নিয়ে মাথা ঘামাই না, শুধু মাঠে নিজের কাজটা ঠিকভাবে করতে চাই।’

রংপুরের সফল এ অধিনায়ক ফাইনালে দলের জয়ের কৌশল সম্পর্কেও খোলামেলা কথা বলেছেন। আকবর জানান, সন্ধ্যার আগে কুয়াশা পড়বে এটা মাথায় রেখে স্পিনারদের আগভাগেই ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল তার, ‘আমরা জানতাম ৩৫-৪০ মিনিট পর কুয়াশা নামবে, তখন স্পিনারদের বল গ্রিপ করা কঠিন হবে। তাই দ্রুত তাদের স্পেল শেষ করার পরিকল্পনা নিয়েছিলাম। স্পিনাররাই মূলত ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।’

সিলেটের মাঠে দর্শক না আসা নিয়েও মত দেন আকবর, ‘সিলেটে দর্শক কিছুটা কম ছিল। তবে রাজশাহী বা বগুড়ায় ম্যাচ হলে হাজার হাজার দর্শক মাঠে আসত। আমি টিকিটের লাইনে নিজে চোখে দেখেছি সেই উৎসাহ।’ অধিনায়ক হিসেবে আকবরের সাফল্যের তালিকা দীর্ঘ। চার দিনের এনসিএলে রংপুরকে শিরোপা জিতিয়েছেন, ওয়ানডে বিসিএলে উত্তরাঞ্চল হয়েছে চ্যাম্পিয়ন, আর এখন এনসিএল টি-টোয়েন্টির দুই আসরেই তিনি রংপুরকে শিরোপা এনে দিয়েছেন।

সদ্য সমাপ্ত আসরে ৯ ইনিংসে ৩১.৭১ গড়ে ও ১৪৭.০২ স্ট্রাইক রেটে করেছেন ২২২ রান, যা তাকে এনে দিয়েছে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। তবু জাতীয় দলের সুযোগ এখনও অধরা। তার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সতীর্থ শরিফুল ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, তাওহীদ হৃদয়, শামীম পাটোয়ারী, মাহমুদুল হাসান জয়- সবারই জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছে।

একমাত্র আকবর আলী এখনও অপেক্ষায়। ২০২১ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ডাক পেলেও অভিষেক হয়নি তার। তবে আকবর এখনও আশা ছাড়েননি। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই, সবারই একটা স্বপ্ন থাকে-আমারও আছে। জাতীয় দলের হয়ে খেলাটা যে কোনো ক্রিকেটারের চূড়ান্ত লক্ষ্য।’