ঢাকা ১১:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৭ নভেম্বর সরকারের খুবই অপছন্দের দিন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:২৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ নভেম্বর ২০১৬
  • ৩১৪ বার

৭ নভেম্বর সরকারের খুবই অপছন্দের দিন। তারা এই দিনটির নামই শুনতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। আজ শনিবার (০৫ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ছাত্রদল ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ শীষর্ক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

৭ নভেম্বর নিয়ে আওয়ামী লীগের বক্তব্যের সমালোচনা করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, আওয়ামী লীগ ৭ নভেম্বরকে সৈনিক হত্যা দিবস বলে আখ্যায়িত করে। তারা বলেন, কিসের সংহতি, কিসের বিপ্লব? এই দিনকে নাকি বিপ্লব বলা যাবে না। কারণ এর নাকি কোনো অদর্শ ছিল না। এ ধরনের বক্তব্য তারা দিচ্ছেন। অবাক লাগে শিক্ষিত মানুষ যদি এ ধরনের বক্তব্য দেয়, তাহলে কিছুই বলার থাকে না।

৭ নভেম্বরের চেতনার প্রসঙ্গ তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, পচাত্তরে যা আমরা হারিয়েছিলাম তা পুনরুদ্ধার করা ছিল এই দিনটির আদর্শ। বাকশালের মাধ্যমে আমরা যা হারিয়েছিলাম তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাই ছিল এই দিনের আদর্শ। নিরাপদ, সুশৃঙ্খল দেশ গড়াই ছিল এই দিনের আদর্শ। সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার আদর্শ ছিল এই দিনটির। কিন্তু হানিফ সাহেবরা এই দিনের আদর্শ বোঝেন না। ওই দিন যারা সৈনিক হত্যা করেছে, তারাই আজ আওয়ামী লীগের মন্ত্রী এমপি হয়েছে বলেও বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারের দশ টাকার চালে আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতাদের আত্মীয়স্বজনের নাম রয়েছে। ওই নেতাদের ড্রাইভার ও পিওনরাই ওই চাল পেয়েছে।

রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের সংখ্যালঘুদের ওপর হামলায় যারা জড়িত তারা সবাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী-এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ওই হামলায় যাদেরকে বহিষ্কার করা হয়েছে তাদের সবাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। কিন্তু এই হামলায় সঙ্গে বিএনপিকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। আবার প্রশাসনের অবহেলার কথা বলা হচ্ছে। এই প্রশাসন কি বিএনপির নাকি সরকারের? এর আগে রামুর ঘটনাতেও আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা জড়িত ছিল।

সংখ্যালঘুদের ওপর হামলায় জড়িতদের দ্রুত শাস্তি ও বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান বিএনপির এই নেতা।

ছাত্রদল ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আলী আকবর চুন্নুর সভাপতিতত্বে, আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মো. মজিবুর রহমান সরোয়ার, বিএনপি নেতা শরীফ মো. শাহ আলম, ওবাইদুল হোসেন টিপু, শাহজাহান মিয়া সম্রাট প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

৭ নভেম্বর সরকারের খুবই অপছন্দের দিন

আপডেট টাইম : ০৪:২৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ নভেম্বর ২০১৬

৭ নভেম্বর সরকারের খুবই অপছন্দের দিন। তারা এই দিনটির নামই শুনতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। আজ শনিবার (০৫ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ছাত্রদল ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ শীষর্ক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

৭ নভেম্বর নিয়ে আওয়ামী লীগের বক্তব্যের সমালোচনা করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, আওয়ামী লীগ ৭ নভেম্বরকে সৈনিক হত্যা দিবস বলে আখ্যায়িত করে। তারা বলেন, কিসের সংহতি, কিসের বিপ্লব? এই দিনকে নাকি বিপ্লব বলা যাবে না। কারণ এর নাকি কোনো অদর্শ ছিল না। এ ধরনের বক্তব্য তারা দিচ্ছেন। অবাক লাগে শিক্ষিত মানুষ যদি এ ধরনের বক্তব্য দেয়, তাহলে কিছুই বলার থাকে না।

৭ নভেম্বরের চেতনার প্রসঙ্গ তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, পচাত্তরে যা আমরা হারিয়েছিলাম তা পুনরুদ্ধার করা ছিল এই দিনটির আদর্শ। বাকশালের মাধ্যমে আমরা যা হারিয়েছিলাম তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাই ছিল এই দিনের আদর্শ। নিরাপদ, সুশৃঙ্খল দেশ গড়াই ছিল এই দিনের আদর্শ। সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার আদর্শ ছিল এই দিনটির। কিন্তু হানিফ সাহেবরা এই দিনের আদর্শ বোঝেন না। ওই দিন যারা সৈনিক হত্যা করেছে, তারাই আজ আওয়ামী লীগের মন্ত্রী এমপি হয়েছে বলেও বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারের দশ টাকার চালে আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতাদের আত্মীয়স্বজনের নাম রয়েছে। ওই নেতাদের ড্রাইভার ও পিওনরাই ওই চাল পেয়েছে।

রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের সংখ্যালঘুদের ওপর হামলায় যারা জড়িত তারা সবাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী-এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ওই হামলায় যাদেরকে বহিষ্কার করা হয়েছে তাদের সবাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। কিন্তু এই হামলায় সঙ্গে বিএনপিকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। আবার প্রশাসনের অবহেলার কথা বলা হচ্ছে। এই প্রশাসন কি বিএনপির নাকি সরকারের? এর আগে রামুর ঘটনাতেও আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা জড়িত ছিল।

সংখ্যালঘুদের ওপর হামলায় জড়িতদের দ্রুত শাস্তি ও বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান বিএনপির এই নেতা।

ছাত্রদল ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আলী আকবর চুন্নুর সভাপতিতত্বে, আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মো. মজিবুর রহমান সরোয়ার, বিএনপি নেতা শরীফ মো. শাহ আলম, ওবাইদুল হোসেন টিপু, শাহজাহান মিয়া সম্রাট প্রমুখ।